স্টাফ রিপোর্টার: দেশ ও জাতির জন্য সুষ্ঠ্য সমাজ গঠনে একজন সৎ সংবাদিকের ভূমিকা অনস্বীকার্য দেশ গঠনের চতুর্থ স্তম্ভ হল সাংবাদিক । সাংবাদিক জাতির বিবেক সামজের সকল অনিয়ম সরকারের কাছে তুলে ধরা হল একজন সংাবাদিকের প্রধান কাজ। একজন সাংবাদিক জীবনের ঝুকি নিয়ে সত্য উদঘাটন করে অপরাধি সনাক্তকরন সহ তা জন সম্মূখে প্রকাশ করে। যার প্রেক্ষিতে অনেক সৎ সাংবাদিকের জীবনে নেমে আসে দূর্বিসহ যন্ত্রনা। কখনো বা অপূরনীয় ক্ষতি তেমনি একটি সত্য ঘটনা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পর বিভিন্ন কুচক্রি মহল ও কতিপয় হলুদ সাংবাদিক হুমকি প্রদর্শন সহ বিভিন্ন প্রকার ভয় ভীতি প্রদর্শন করছে। গত ২৮/০৩/২০১৭ইং “দৈনিক মুক্ত খবর” ও ১১/০৪/২০১৭ইং জনপ্রিয় সাপ্তাহিক “অপরাধ বিচিত্রা” ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হবার পর অপরাধী চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। খবরে প্রকাশ “দক্ষিণখান থানার এসআই কর্তৃক মহিলার শ্লীলতাহানী ও অবৈধ সোর্সদের দৌরত্ব”- এই সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর ক্ষোভে ফেটে পড়ে কিছু অসৎ পুলিশ কর্মকর্তাগন ও তার সাদা পোষাক ধারী কথিত সোর্স যারা দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ও নারী ব্যবসায় জড়িত । যাদের অবৈধ টাকার লভ্যাংশ পেয়ে থাকে থানা কর্তৃপক্ষ। কথিত অশিক্ষিত সোর্সরাও নাম মাত্র পত্রিকার কার্ড বানিয়ে পুলিশের সাথে থেকেই অপরাধ করে বেড়াচ্ছে। অথচ তাড়াই নামকরা চিহ্নিত মাদক সেবী ও ব্যবসায়ী। অত্র এলাকার একজন বাসিন্দা জানান-“এসব মূর্খ মাদক ব্যবসায়ীরা যদি সাংবাদিক হয় আর তারাই যদি হয় পুলিশের সোর্স ও বন্ধু তাহলে সমাজের অবস্থা দিনে দিনে ধ্বংসে দিকে ধাবিত হতে থাকবে। বিষয়টি প্রসাশনের ভেবে দেখা দরকার। ইদানিং দেখা যাচ্ছে যে, মধ্য রাতে সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়া বাসায় হানা দিয়ে মাদক নিধন করার নামে সাধারন মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে । ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে থানায় । পরে দেন দরবার করে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে তাদের । যারা টাকা দিতে পারছেনা- তাদেরকে চালান দেওয়া হয় কোর্টে । সাধারন মানুষ এখন নির্বিকার। আস্থা হারিয়ে ফেলছে পুলিশের প্রতি। এক শ্রেনীর পুলিশ কর্মকর্তারা জনগনের মনে পুলিশের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে । অপরদিকে বিপদগামী পুলিশ অফিসার পুলিশের আস্থাকে দুমড়ে মুচড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন সহ বিভন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে । অচিরে এই সব অপরাধিদের আইনের আওতায় আনা না হলে অপরাধ বাড়তে থাকবে। দেশের স্বার্থে, নির্বিক সাংবাদিকদের চলার পথকে বাধাগ্রস্থ না করে তাই এইসব অপরাধিদের বিচারের দাবী জানায় সাধারন জনগন । অপরদিকে সত্য ও ন্যায়ের পথকে সুগম করতে প্রকৃত আপরাধী চিহ্নিত ও সত্য সংবাদ প্রচারে হলুদ সাংবাদিকতা বন্ধ সহ বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে সৎ সাংবাদিকদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন দক্ষিণখান, উত্তরখান থানা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনাব কে.আর.খান মুরাদ (এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক মুক্তখবর সিনিয়র রিপোর্টার)। তিনি আরো বলেন- ফৌজধারী কোন অপরাধের শািলস বা মিমাংসা করার ক্ষমতা পুলিশের নেই। যদি কোন ইয়াবা ব্যবসায়ী বা সেবনকারীকে ইয়াবাসহ ধরে থাকেন তাহলে অপরাধীকে কোর্টে সাবস্ত করতে হবে। এছাড়া যদি আর্থিক কোন লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধীকে ছেড়ে দেয় তবে দুর্নীতি দমন কমিশন উক্ত বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে উক্ত কর্মকর্তাকে আইনের আওতায় নিয়ে শাস্তির ব্যবস্থা করবে। যেকোন ঘটনার পুলিশ যদি প্রমাণসহ কোন অপরাধীকে ধরার পর ছেড়ে দেয় তাহলে সেই পুলিশ কর্মকর্তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং আইন লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রতিয়মান হয়। সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকার কালে অপরাধীরা হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এসব উপেক্ষা করেই এগিয়ে যেতে হবে। তা না হলে অপরাধ আরো বেশি বাড়তে থাকবে । তিনি সকল সাংবাদিক মহলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান।
