ইয়াকুব নবী ইমনঃ
নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বিগত সময়ের তুলনায় বেড়েছে সেবার মান। বিগত অর্থ বছরে রাজস্ব আয় হয়েছে ৩০ কোটি টাকা। যা দেশের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। নাগরিকদের বিদেশ গমন, হজ্ব পালন, ভ্রমন করার জন্য প্রয়োজন হয় পাসপোর্ট। এই পাসপোর্ট সহজে পেতে নাগকিদের সুবিধার্থে ১৯৯৮ সালে জেলা শহর মাইজদীর হাসপাতাল রোডে একটি ভাড়া বাসায় নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস স্থাপন করা হয়। পরবর্তিতে ২০১০ সালে ৯ জানুয়ারী বেগমগঞ্জ উজেলার গাবুয়ায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের নিজস্ব ভবন উদ্বোধন করেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি। বিগত সময়ের তুলনায় বর্তমনে নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সেবার মান বেড়েছে।
পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আল আমিন মৃধা যোগদান করার পর সেবা প্রত্যাশিদের সুবিধার্থে নানামুখি প্রদক্ষেণ গ্রহন করা হয়। খোলা হয় হেল্প ডেক্স, তথ্য অনুসন্ধান কেন্দ্র, নাগরিক সেবাকেন্দ্র, দালালদের হয়রানি থেকে রক্ষা করতে অফিসের সামনে লাগানো হয় শতর্কবানী ও যে কোন অভিযোগ জানাতে স্থাপন করা হয় অভিযোগ বক্স। এই আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন গড়ে ২৮০ থেকে ৩০০ জন পাসপোর্ট প্রত্যাশি আবেদন করেন। বিগত ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে প্রায় ৮৩ হাজার পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়। এতে সরকারের রাজস্ব আয় হয় প্রায় ৩০ কোটি টাকা। যা রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। আগামী অর্থ বছরে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৯০ হাজার পাসপোর্ট। প্রবাসী অধ্যুষিত এই এলাকায় দিন দিন পাসপোর্ট প্রত্যাশির সংখ্যা বাড়ছে। এমতাবস্থায় পাসপোর্ট অফিস ও আশপাশের এলাকাকে দালালমুক্ত রাখতে পারলে যথাযথ সেবা পাবেন পাসপোর্ট প্রত্যাশিরা। এ ব্যাপারে নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মোঃ আল আমিন মৃধা বলেন, বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা পাসপোর্ট প্রত্যাশিদের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। পাসপোর্ট অফিস সরকারের রাজস্ব আদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ন খাত। তাই সকলের সহযোগীতায় সেবার মাধ্যমে এই খাত থেকে আরো বেশি রাজস্ব আদায়ে আমরা সব সময় সচেষ্ট।

