নোয়াখালী আওয়ামীলীগের কুলাঙ্গার মামুনুর রশিদ কিরনের ভূমিদস্যুতা অব্যাহত

0
3042

অপরাধ বিচিত্রা ঃ
সম্প্রতি প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা এক জনসভায় বলেছেন, আওয়ামী লীগে কোন আগাছা রাখা হবে না। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী পরিচয়ে যদি কেউ অন্যায় অনিয়ম ও অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত থাকে তাকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার সহ আইনের আওতায় আনা হবে। তবে প্রধানমন্ত্রী এ কথাগুলো সাধারন ও অন্যন্যা মানুষের কানে পৌছলেও পৌছেনি ভূমিদস্যু মামুনুর রশিদ কিরনের কানে। তিনি এ কথাগুলোকে কর্নপাত না করে এলাকায় দেরাচ্ছে ভূমিদস্যুতা করে আসছে। এলাকাবাসী ও আওয়ামী লীগের অন্যন্যা নেতারা তাকে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ এলাকায় আওয়ামী লীগের আগাছা ভূমিদস্যু মামুনুর রশিদ কিরন হিসাবেই চিনেন। তার আতংঙ্কে রয়েছে ওই এলাকার সাধারন মানুষ। নুন থেকে চুন খশলেই তিনি লেলিয়ে দেন সন্ত্রাসী বাহিনী। তার রয়েছে নিজস্ব সিন্ডিকেট। আর এরা কয়েকভাগে বিভোক্ত যেমন, এলাকায় চাঁদা উত্তোলন করতে এক সিন্ডিকেট। ভূমিদস্যুতায় আরেক বাহিনী। নিরীহ মানুষদেরকে ধরে এনে মারধর করে আরেক বাহিনী। থানায় তদবীরের কাজে আরেক বাহিনী। তার বিরুদ্ধে অনেক আগ থেকেই অভিযোগের পাহাড় বিভিন্ন দপ্তরের। এগুলো নিয়ে পত্র পত্রিকায় ফলাও করে সংবাদ প্রকাশও হয়েছে। যেমন কয়লা ধুইলে যায় না ময়লা তেমনি ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরনও। ভূমিদস্যুতার অভিযোগ  রয়েছে পাহাড় পরিমান তার বিরুদ্ধে। সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি রাতের আঁধারে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের পরিচালক ও বেগমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ স¤পাদক মামুনুর রশিদ কিরণের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা জমি দখল ও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত নাদেরুজ্জামান এ নিয়ে সম্প্রতি সেগুনবাগিচায় ঢাকা ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে সংবাদ সম্মেলনও করেন। ওইদিন নাদেরুজ্জামান বলেন, বেগমগঞ্জের দরবেশপুর গ্রামে তিনি ১০৬ শতাংশ জমি কিনলেও টাকার প্রয়োজনে পরে সালাউদ্দিনের কাছে ৮০ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেন। গত ২০১০ সালে ২৫ জুলাই গভীর রাতে মামুনুর রশিদ তাঁর দলবল নিয়ে ৮০ শতাংশ জমিসহ তাঁর ২৬ শতাংশ জমিও দখল করে নেন। সালাউদ্দিন এ ঘটনায় থানায় ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন। এরপর মামুনুর রশিদ আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। তিনি নাদেরুজ্জামানকেও ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন। পুলিশ কোনো সহায়তা না করায় নাদেরুজ্জামান এলাকায় যেতে ও মামলা করতে পারছেন না। এছাড়াও ভূমিদস্যু মামুনুর রশিদ কিরন ও তার বাহিনী ওই এলাকায় স্কুলের জমি, এস এ পরিবহনের জমি সহ এলাকার অনেকের জায়গা জমি জোর পুর্বক দখল করে ভুমদস্যুতা করে আসছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ভাবে অনেক মামলা মোকাদ্দমাও রয়েছে। ভূমিদস্যু মামুনুর রশিদ কিরনের পিতা জয়নাল আবদীন এডভোকেট ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের লোক ছিল। জয়নাল আবদীনের পৈতৃক বাড়ী ছিল সদর থানার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের বদরপুরে। জয়নাল আবদীনের পৈতৃক বাড়ী নদীতে সিকিস্থি হওয়ায় তিনি বেগমগঞ্জ থানায় নাজিরপুর সাকিনে শ্বশুর বাড়িতে জায়গায় নিয়ে শ্বশুরের খরচে লেখা পড়া করে আইন ব্যবসায় যোগ দেন। আইন ব্যবসায় যোগ দিলেও তাঁহার তেমন কোন মামলা মোকাদ্দমা ছিল না বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়। তাহার সংসার চালাতে কষ্ট হইত। অধিকন্ত তিনি শ্বাসকষ্টের রোগী ছিলেন। তাই নিয়মিত কোর্টে আসতে পারতেন না। ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরনের ছয় ভাই ছিল। একজন পুলিশে চাকুরী করত। তার ছেলের নাম মশিউর রহমান। বর্তমান পৌর নির্বাচনের পূর্বের নির্বাচনে তাহার জেঠাত ভাই মশিউর রহমানকে ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরন চৌমুহনী পৌরসভা কাউন্সিলর পদে প্রার্থী করাইয়া অনেক টাকা পয়সা খরচ করে ও মশিউর রহমানকে সফলভাবে কাউন্সিলর করতে পারে নাই। মশিউর রহমান বিপুল ভোটের ব্যবধানে আবুল হোসেনের কাছে পরাজিত হন। ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরন সাধারন মানুষকে বোকা বানিয়ে বিশেষ রাজনৈতিক দলের বেগমগঞ্জ থানার সেক্রেটারী হন। ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনে ভূমিদস্যুতার কারনে মামুনুর রশীদ কিরন এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা পান নাই। ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরনের পিতার অপর ভাই দেশে কাজ কর্ম করত। ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরন সভ্রান্ত পরিবারের লোক হওয়া উক্তি সম্পর্ন মিথ্যা বলে এলাকাবাসী দাবী করে। তারা বলে, তার বাবা সিনিয়র এডভোকেট হওয়ার উক্তিও মিথ্যা। তার বাবা একজন (নৎরবভষবংং) এডভোকেট ছিলেন, তিনি ফৌজদারী আদালতে আসা যাওয়া করত। ফৌজদারী আদালতে তার কোন মামলা মোকাদ্দমা ছিল না। তার নানাও কোন স্বনামধন্য এডভোকেট ছিলেন না। তিনি সার্ভে এডভোকেট কমিশনার ছিলেন। ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরনের নানা আদালতে আসা যাওয়া করতো এবং আদালতের আসা যাওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন নিরীহ লোকের সম্পত্তি নিলাম খরিত করত। পরবর্তীতে নিরীহ মানুষ হইতে টাকা পয়সা নিয়া নিলাম খরিদা ভূমি নিলামের ভূমির মালিকদের উচ্চ হারে খাজনা ধার্য্য করে কবুলিয়ত দিত। ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরনের নানা সোনাইমুড়ী বাজারেও কতেক ভূমি নিলাম খরিত করে নিলামের বহির্ভূত সোনাইমুড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সামছল হক গং এর ভূমির উপরিস্থ ঘর ভাঙ্গিলে ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরনের নানার বিরুদ্ধে সামছল হক মামলা করে। তাছাড়া তার নানা সোনাইমুড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাকের গংদের কতেক ভূমি বাবদ ভূয়া নিলামের ঘটনা করে। উক্ত মামলা বর্তমানে বিচারাধীন আছে। তার নানা আবুল খায়ের মোস্তফা হায়দার চৌধুরীর নয় মেয়েকে প্রতিষ্ঠিত লোকদের নিকঠ বিবাহ দিতে পারে নাই। ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরনের পিতা জয়নাল আবদীন এডভোকেট ও আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী মত এডভোকেট ছিলেন। তার এক ভগ্নিপতি চর জব্বর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ছিলেন। এর আগে নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হইয়া পরাজিত হন। তার পিতা সংসার চালাইতে ও তার ভাই বোনদের পড়ালেখার খরচ চালাইতে অপরাগ হওয়ায় মামুনুর রশীদ কিরন তার মেজ ভাই হারুনুর রশীদ চট্রগ্রামস্থ রিয়াজ উদ্দিন মার্কেটে ঔষধের দোকানে চাকুরী নেন। তৎপর মামুনুর রশীদ ও তাহার অপর ভ্রাতা শহীদ উদ্দিন, আলমগীর, তাহের হোসেন, সিরাজুল ইসলাম ফেনীস্থ গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীকে দেউলিয়া করিয়া উহার গুড উইল খরিদ করে ফেনীতে ব্যবসা আরম্ভ করিলে জয়নাল হাজারী দুঃস্কর্মের জন্য তারাইয়া দেয়। তারপর বেগমগঞ্জ বিসিক এ শুধুমাত্র একখানা মেসিন বসাইয়া টেবলেট এবং নিষিদ্ধ দ্রব্য যাহা ফেন্সিডিলের মত। তারপর মোঃ নাদেরুজ্জামান হইতে টাকা ঋণ নিয়া বেগমগঞ্জ থানার দরবেশপুর মৌজার ওয়াকফ সম্পত্তি ওয়াকফ এর মতোয়াল্লীকে অবৈধ উপায়ে বাধ্য করিয়া ভূয়া দলিল সৃজন করে এবং গ্লোবের বিভিন্ন আইটেমের কারখানা প্রতিষ্ঠা করে। তখন ওয়াকিফের অন্যান্য ওয়ারিশ উক্ত সম্পত্তি নিয়া মামুনুর রশীদ কিরনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামুনুর রশীদ বহু টাকা খরচ করে বিশেষ রাজনৈতিক দলের থানা সেক্রেটারী হন। তদাবস্থায় একলাশপুর সাকিনের জনৈক আবদুল মালেক ও তাহার ভ্রাতা আবদুল মন্নানের ওয়ারিশদের মধ্যে বিষয় সম্পত্তি নিয়া বিরোধ দেখা দিলে আবদুল মালেক ও তাহার ভ্রাতা আবদুল মন্নানের ওয়ারিশগন মামুনুর রশীদ কিরনকে শালিশমান্য করিলে। মামুনুর রশীদ কয়েক দফা শালিশ করে পরবর্তীতে আবদুল মালেকের দখলীয় সম্পত্তি ক্রোক করে আবদুল মালেকের ভ্রাতা আবদুল মন্নানের ওয়ারিশের সাথে এক ভূয়া এওজ বদল দলিল সৃজন করে আবদুল মালেককে তাহার মালিকী দখলীয় সম্পত্তি হইতে বেদখল করার ধমক দিলে আবদুল মালেক মামুনুর রশীদ কিরনের বিরুদ্ধে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য বেগমগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ৩৯ দেঃ ২০০৭ ইং মামলা আনয়ন করে। ভূয়া এওজ বদল দলিলের বিরুদ্ধে ৭৪ নং দেঃ ২০০৮ ইং মামলা আনয়ন করে। দুইটি মামলায় মামুনুর রশীদ কিরনের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করিলে মাননীয় আদালত মামুনুর রশীদ কিরনের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করেন। ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরন দুইটি মামলার অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনার বিরুদ্ধে আপীল করিলে আপীল আদালত স্থিতাবস্থার আদেশ দেন। তার পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। সে আবদুল মন্নানের ওয়ারিশদের এওজ বদল দলিলে যে সম্পত্তি দিয়াছে বলে দেখানো হয়েছে তাহা ভূয়া সম্পত্তি এবং ভূয়া জাল ও ভূয়া দলিল মুলে মালিকানা উল্লেখ করা হয়। আবদুল মালেকের সাথে মামলা জয়লাভ করিতে পারিবে না বুঝতে পেরে মামুনুর রশীদ কিরন নিজেই বাদী হইয়া আবদুল মালেকসহ অন্যান্য অংশীদারদের বিবাদী করে বন্টনের প্রার্থনায় ২৪ নং দেং ২০১০ ইং মামলা আনয়ন করে। বেগমগঞ্জ ও সোনাইমুড়ী থানায় প্রায় ১০০০ জন বেতন ভূক্ত সন্ত্রাসী মামুনুর রশীদ কিরন লালন পালন করেন। আবদুল মালেক তাহার মালিকী দখলীয় ভূমিতে ২০০৯ ইং সনে ইরি ধান লাগাইয়া মামুনুর রশীদ কিরনের সন্ত্রাসী বাহিনী আবদুল মালেকের ধান কাটিয়া নিয়া যায়। ২০১০ ইং সনে আবদুল মালেক তাহার মালিকীয দখলীয় ভূমিতে ইরি ধান লাগায়। ধানের শীষ বাহির হওয়ার সময় মামুনুর রশীদ কিরনের সন্ত্রাসী বাহিনী আবদুল মালেকের ধান কাটিয়া ক্ষেতে পেলে রাখে। আবদুল মালেক থানায় অভিযোগ দিলে কিরন রাজনৈতিক দলের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকায় থানার কর্তৃপক্ষ তাহার বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেয় নাই।  মামুনুর রশীদ কিরন আদালতের আদেশ অমান্য করায় আবদুল মালেক তাহার বিরুদ্ধে ১২ নং বিবিধ/২০১০ ইং মামলা আনয়ন করে। জনৈক আবদুল হাকিম গংদের ভূমি বাবদ মামুনুর রশীদ কিরন ভূয়া দলিল সৃজন করিলে আবদুল হাকিম গং তাহার পক্ষের বিরুদ্ধে ৪নং দেঃ ২০০৩ ইং মামলা করে। আলীপুর সাকিনের জনৈক আবদুল মন্নান অগ্রক্রয়ের প্রার্থনায় আবার আবদুর মন্নান গংদের বিরুদ্ধে অগ্রক্রয়ের মামলা করে। উক্ত মামলার নালিশী সম্পত্তি দখল করে বিল্ডিং করে ফেলা অবস্থায় আবদুল মন্নান মৃত্যুবরন করিলে তাহার ওয়ারিশ মামুনুর রশীদ কিরনের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত থাকে। তাছাড়া ও  জরিপ আদালতে তাহার বিরুদ্ধে প্রায় ১০০ মামলা হয়। মামুনুর রশীদ কিরন আদালতে কিছু মামলায় জয়লাভ করে এবং অনেক মামলায় পরাজয় বরন করেন। আলীপুর ও নাজিরপুর সাকিনে আরও অন্তত ২০/২৫ টি মামলায় মামুনুর রশীদ কিরন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত আছেন। ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরনের ১৯৯৬ ইং সনের পূর্বে তেমন কোন ঐতিহ্য ছিল না। ১৯৯৬ ইং সনের পর অবৈধ উপায়ে বিভিন্ন পন্থায় রুজি রোজগার আরম্ভ করে এবং নাদেরুজ্জামান হইতে কর্জ্জ নিয়াও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়া ব্যবসা মুরু করে। ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ কিরন ২০০৯ সালে সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র লেবাস পরে বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসাবে অংশ গ্রহণ করে। এলাকায় ভূমিদস্যু ও শ্রমিকদের শোষক হিসেবে পরাজিত হন। আবার ২০১১ সালে ভূমিদস্যু মামুনুর রশীদ পৌর নির্বাচনে চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র পদে প্রার্থী হয়। তাহার বেতনভূক্ত সন্ত্রাসী দিয়ে এলাকার প্রভাব বিস্তার করে অন্য প্রার্থীদের এজেন্টও ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাইয়া আলীপুর ও নাজিরপুরে বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট দিয়া মেয়র নির্বাচিত হয়। পৌর নির্বাচনের সময় মামুনুর রশীদ স্থানীয় প্রশাসন কে অবৈধ উপায়ে বাধ্য করিয়া তাহার নিজের পক্ষে ব্যবহার করায় অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন হইলে সে পৌরসভা নির্বাচনেও বিপুল ভোটে পরাজিত হইত। তাহার প্রতিষ্ঠানে বিধবা ও তালাক প্রাপ্ত মহিলার শ্রমিক হিসাবে কাজ করে এবং তাদেরকে চাকুরীতে নিয়োগ দেওয়ার সময় প্রত্যেক কর্মচারী হইতে বেতন ও চাকুরীর ব্যাপারে তাহাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের কোন আন্দোলন করা যাবে না মর্মে অঙ্গিকার নামা নেয়। মামুনুর রশীদ কিরনের আরো অপকর্ম নিয়া আমাদের অনুসন্ধান চলবে। অনুসন্ধান শেষে থাকবে ধারাবাহিক প্রতিবেদন

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here