বিশেষ প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর ফুলবাড়িয়া উপজেলার মেয়র মোঃ মানিক মিয়া(৪৫) তার ক্ষমতাকে অপব্যবহার করেই চলেছেন। সরেজমিনে গিয়ে তার সাথে সাক্ষাৎ করে এবং পরবর্তিতে মোবাইল ফোনে জানতে পারাযায় তিনি এলাকায় বিভিন্ন জনসেবক মূলক কাজ করছেন। তার কাছ থেকে জনসেবা মুলক কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি গনমাধ্যমকে জানান এলাকার বিভিন্ন হাসপাতাল গুলোর চিকিৎসার মান অত্যান্ত নিম্ন এবং গর্ভবতি মায়েদের সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে সর্বদা হাসপাতাল গুলোর ডাক্তাররা সিজার করার পরামর্শ দেন তা থেকে বিরত রাখার জন্য এবং এলাকায় গড়ে ওঠা বেকারি কারখানা গুলোর পরিবেশ অত্যান্ত নোংরা এ বিষয়ে তাদেরকে সচেতন করার জন্য তিনি একটি ভ্যাজাল প্রতিরোধ সংগঠন করেছে এবং এসকল হাসপাতালের চিকিৎসারমান উন্নয়ন ও বেকারির কারখানার খাদ্য-দ্রব্যর মান ঠিকরাখা সেই সঙ্গে কারখানাগুলোর পরিবেশ পরিষ্কা-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এ সংগঠন নিয়ে প্রায় এলাকায় বের হন এবং তাদেরকে মোটা অংকের জরিমানা করেন। তবে তার এ ভেজাল প্রতিরোধ সংগঠনের কোন সরকারি অনুমোদন নেই। তার নিকট থেকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলে কোন কাগজ পত্রের প্রয়োজ নাই। এ ভেজাল প্রতিরোধের অভিযান তিনি ইউএনও নিয়ে করেন। তার এই ভেজাল প্রতিরোধের অভিযানে যে জরিমান গুলো আসে সে সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দেননা।
তাকে যখন বলা হয় কোন পন্যের ভেজাল ধরা পরলে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় আদায়কৃত জরিমানার ২৫ শতাংশ অভিযোগকারি তাৎক্ষনিকভাবে প্রাপ্য হবেন এবং বাকি জরিমানার টাকাপ্রশাষনও সরকারি খাতে জমা হবে সে সম্পর্কে কি আপনি জানেন এবং যদি জানেন তা হলে সেইটাকা সরকারি কোষাগারে জমাকরনের রশিদ আছে ? এ সব কিছু বললেই এদিকে মেয়র মানিক মিয়কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইন সম্পর্কে জানতে এবং একজন ব্যবসায়ি তার খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল দিলে তার সর্বচ্চো শাস্তি কি হতে পারে সে সম্পর্কে জানতে চাইলে পরবর্তিতে দিনাজপুরের মেয়র মানিক মিয়ার কাছে সাংবাদিক জানতে চাইলেন খাদ্যে ভেজাল ধরা পড়লে আপনারা কি করেন ? ভেজাল পন্য কি টেষ্টের জন্য ল্যাবে পাঠান ? তিনি সঠিক উত্তর না দিয়ে সাংবাদিকের উপর চড়াও হয়ে ওঠেন। এদিকে মানিক মিয়ার বাড়ি এলাকায় গেলে দেখাযায় তার বাড়ির সামনেই ময়লা-আবর্জনারা স্তুপ। এবং তার বাড়ি পাশ দিয়ে ময়লার দুর গন্ধের কারনেমানুষের চলাচলকরতে কষ্ঠ হয় বলে জানান এলাকাবাসি। মানুষের মৌলিক চাহিদা খাদ্য,বস্ত্র,বাসস্থান,শিক্ষা ও চিকিৎসা। তার মধ্যে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য একটি অন্যতম চাহিদা আর সেইটাকে ভিত্তি করে অবৈধ ভাবে ভেজাল প্রতিরোধের নামে সংগঠন করে এবং ব্যবসায়িদের নিকট থেকে সঠিক ভাবে শাস্তি বা জরিমানা না দিয়ে এবং খাদ্যের মান সম্পর্কে জাচাই না করে যারা অসাধু ব্যবসায়িদের কাছ থেকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে তাদের প্রশাষনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি করে শিক্ষিত বর্তমান সমাজ।

