নকল ঔষধ রাখার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

1
9796

করোনা পরিস্থিতিকে পুঁজি করে নগরীর বিভিন্ন অলিতে গলিতে গড়ে উঠেছে নকল হেক্সাসল,নকল ডেটল, নকল মাক্স ,নকল পিপিই এর মিনি কারখানা। আর ওখান থেকে এনে দেদারচ্ছে বিক্রি হচ্ছে নগরীর বিভিন্ন দোকানে এমনকি রাস্তায়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কোন প্রকার নিয়ম নীতি না মেনে ইচ্ছামাফিক তৈরি করে বিক্রি করছে এসব স্বাস্থ্য সামগ্রী। এই সকল নকল স্বাস্থ্যসামগ্রী ব্যবহারের ফলে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। সেইসাথে ফার্মেসীগুলো বেশি দামে ঔষধ বিক্রি ও মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধসহ যৌন উত্তেজক ঔষধের রমরমা ব্যবসা । এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত আছে। আজ মঙ্গলবার ১৬ জুন নগরীর আকবরশাহ থানাধীন এলাকার কর্ণেল হাটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

Advertisement

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান জানান, একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে আকবরশাহ থানাধীন এলাকার কর্ণেল হাটে ঔষধ প্রশাসন এর এনওসি বিহীন মাস্ক তৈরির কারখানায় অভিযান চালানো হয়। এসময় কারখানা বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায় এবং কোনো কর্মচারী বা মালিকপক্ষের কোন ব্যক্তিকে কারখানায় পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে একই এলাকায় মাতৃ ফার্মেসী ও সিটি ফার্মেসীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় দুই ফার্মেসীতে বেশি দামে ঔষধ বিক্রির অভিযোগ হাতেনাতে প্রমাণ পাই। এছাড়াও বিপুল পরিমানে অননুমোদিত ভারতীয় ঔষধ, মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ এবং যৌন উত্তেজক ঔষধ পাওয়া যায়। দুইটি ফার্মেসীতেই ঔষধ প্রশাসন কর্তৃক ইস্যুকৃত লাইসেন্স এর শর্ত অমান্য করে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগের প্রমান পাওয়া যায়। অভিযোগ আমলে নিয়ে মাতৃ ফার্মেসীকে ৩০ হাজার টাকা (ত্রিশ হাজার টাকা) এবং সিটি ফার্মেসীকে ২০ হাজার টাকা (বিশ হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়।

তিনি আরও জানান, এছাড়াও একই এলাকায় বেশ কিছু মুদি দোকান, খুচরা দোকান ও সেলুনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

জনস্বার্থে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলী হাসান।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here