আমির হামজা :ধামরাইয়ে আশুলিয়া গ্রামে মুক্তিপণ দাবীর দশ লাখ টাকা না পেয়ে অপহরনের চার দিন পর গতকাল মঙ্গলবার সকালে কৃষক সোনা মিয়ার শিশু মনিরের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
অপহরন ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে মাদেজুল ও রাব্বি নামের ২জন কে গ্রেয়ফতার করেছে পুলিশ। এলাকা বাসী খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করেছে। গ্রেফতারকৃত মাজেদুল ও রাব্বির ধামরাইয়ের আশুলিয়া গ্রামের । ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ মোঃ সাইদুর রহমান সহ উর্ধ্বতন পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদশর্দশন করেছেন। শিশু মনিরের ( ৫ ) লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালে পাঠিয়েছে ধামরাই পুলিশ।
জানাগেছে , ২৬ জানুয়ারী সন্ধ্যায় বাড়ির কাছে মাজেদুলের মুদিদোকান থেকে বিস্কুট দিয়ে রাব্বি ও মাজেদুল সহ চার পাচজনে অপহরন করে নিয়ে রাতে মোবাইলে শিশু মনিরের বাবার কাছে দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে এরপর আর কোনো সাড়া শব্দ ছিল না অপহরনকারীদের।
রাতে শিশু মনিরকে হত্যার পর অপহরন কারী রাব্বি ও মাজেদুল গোয়াল ঘরের মাটিতে পুতে রাখে। এঘটনায় শিশু মনিরের বাবা সোনা মিয়া ২৬ জানুয়ারী সন্ধ্যায় নিখোজ হবার পর বিভিন্ন স্থানে খুজে না পেয়ে ধামরাই থানায় রাতেই একটি সাধারন ডায়রি করেন। এদিকে পরের দিন মনিরের বাবা সোনা মিয়ার মোবাইল ফোনে অপহরনকারীরা দশ লাখ মুক্তিপণ দাবী করে। সোনা মিয়া ঘটনা পুলিশকে অবহিত করলে তাৎক্ষণিক রাতেই অভিযান শুরু করে সন্দেহভাজন রাব্বি ও মুদিদোকানী মাজেদুলকে গ্রেফতার করে ধামরাই থানা পুলিশ। অপহরনকারী মাজেদুল ও রাব্বির স্বীকাররোক্তিতে গোয়াল ঘরের পাশে পুতে রাখা মনিরের মুত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ । অপহরন , মুক্তিপণদাবী খুনের সাথে জড়িত আর ও ২ জনকে পুলিশ এখন পযন্ত গ্রেফতার করতে পারেননি। bএঘটনায় ধামরাই থানায় মনিরের পিতা সোনামিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ।
এব্যাপারে ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন অপহরনের পর শিশু মনির খুন হয় গ্রেফতারকৃতদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক লাশ উদ্ধার করা হয়েছে ও দুজন আসামীূ গ্রেফতার করা হয়েছে।

