
মো. বিল্লাল হোসেন: কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে পরিক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে বাড়ী যাওয়ার সময় সড়ক থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণ করার ঘটনায় ৩০ জুন (রোববার) রাত অনুমান ৯:৩০ মিনিটের সময় উপজেলার জয়পুর চাঁনমিয়া মার্কেটের সামন থেকে ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ধর্ষক দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউপির জয়পুর গ্রামের মৃত. আব্দুল আওয়াল মিয়ার পুএ মো. মোস্তফা (৩৫)। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. নয়ন মিয়া। থানা জানা যায়, এসআই মোঃ মাসুদ তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মামলার আসামী মোঃ মোস্তফা (৩৫), পিতা-মৃত আব্দুল আওয়াল, সাং-জয়পুর, পোঃ খলিলপুর, ফতেহাবাদ ইউপি থানা- দেবিদ্বার,
জেলা-কুমিল্লার বিরুদ্ধে দেবীদ্বার থানার মামলা নং-১/১২৩, তাং-০১ জুলাই, ২০২৪, ধারা- ৭/৯(১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্ঘাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩,। রুজু করে গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন।
থানার এজাহার থেকে জানা যায়:- ভিকটিম বিথী রানী রায় (১৫) এর পিতা উপজেলার ফতেহাবাদ ইউপির জয়পুর গ্রামের অরুন চন্দ্র রায় (৫০), থানায় এসে একই উপজেলার ফতেহাবাদ ইউপির জয়পুর গ্রামের মৃত আব্দুল আওয়ালের পুএ মোঃ মোস্তফা (৩৫), এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, বাদীর মেয়ে ভিকটিম বিথী রানী রায়
(১৫) খলিলপুর উচ্চ বিদ্যালয় হতে ২০২৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। বিবাদী বাদীর মেয়েকে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে ভালোবাসার প্রলোভন দেখাইয়া দীর্ঘদিন যাবৎ রাস্তা-ঘাটে উত্যক্ত করে।
বিবাদী ভিকটিমকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে রাজী না হওয়ায় বিবাদী ভিকটিমকে তুলে নিয়ে যাইবে বলিয়া হুমকি দেয়।
ভিকটিম খলিলপুর স্কুল হতে এসএসসি পরীক্ষা শেষে বাড়ীতে ফেরার পথে গত ২৫ ফ্রেব্রুয়ারী ২০২৪ ইং তারিখ বিকাল অনুমান ০৪.০০ ঘটিকার সময় বর্নিত ঘটনাস্থলে বিবাদী সিএনজি (অটোরিক্সা)
যোগে এসে পথরোধ করে ভিকটিম বিথী রানী রায় (১৫) কে মুখ চেপে সিএনজি (অটোরিক্স) গাড়ীতে জোরপূর্বকভাবে তুলে অপহরন করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়া যায়। তখন ভিকটিম অজ্ঞান হয়ে যায়। পরবর্তীতে জ্ঞান ফিরলে দেখতে পায় যে, ভিকটিম একটি বিল্ডিং ঘরের রুমের মধ্যে আছে।
তখন বিবাদী ভিকটিমকে প্রাণ নাশের ভয় দেখাইয়া তাহার পরনের কাপড় চোপড় খুলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বকভাবে ধর্ষন করে। ধর্ষণ করার পরে ভিকটিম যদি ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু বলে বা পরিবারকে কিছু জানায় তাহলে ভিকটিমকে মেরে ফেলবে মর্মে হুমকি প্রদান করে।
পরে বিবাদী বাদীর মেয়েকে সিএনজি (অটোরিক্সা) যোগে খলিলপুর রাস্তার মাথায় এনে নামিয়ে দেয়। বাদীর উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সূত্রে বর্ণিত মামলা রুজু করা হয় এবং মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ মাসুদ একদল পুলিশ নিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন।
