তানভীর আহমেদ রাজীবঃ নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ঐ ভিডিওতে চাষাঢ়ায় আওয়ামীলীগের অফিসে ১৬ জুনের বোমা হামলা, যুবলীগ নেতা পারভেজ গুম ও হত্যা এবং ত্বকী হত্যা নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে ভাগিনা জুয়েলকে।
১০ আগস্ট শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তিকে দেখা যায় জুয়েলকে উদ্ধার করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে। তবে তারা কারা সে ব্যাপারে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্বেচ্ছালীগের মহানগর সভাপতি জুয়েল বলে, পারভেজের গুম আমাদের দলের থেকেই হয়েছে। এখানে শামীম ওসমানের নাম এসেছে। পারভেজের হত্যা শামীম ওসমান করিয়েছে এমনটা চাউর রয়েছে আমাদের মাঝে। জুয়েল আরো বলে, গরুর হাটের টাকা তারা নিত। আমরা তাদের কাজগুলো করে দিতাম। ওরা তো অত বড় মানুষের কাছে যেতে পারত না। আমাদের দিয়ে এটা পরিচালনা করত। জুয়েল আরও বলে, মাকসুদকে ঢাকা মারা হয়েছে। এটা র্যাব করেছে। তবে কে হত্যার পেছনে এটা জানি না। তবে বোমা হামলার ঘটনায় আমাদের নাম আছে। এখানে আমাদের চাষাঢ়ার মানুষের নাম আছে। জুয়েল আরো বলে, শামীম ওসমানের টাকা পয়সা কোথায় এটা তো আমরা জানি না। শামীম ওসমান কোথায় টাকা পাঠিয়েছে তা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। আমি তো তার অত কাছেও ছিলাম না। আমরা গুলি করিনি। হয়ত আমার মতো দেখতে কেউ। মহানগর ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট মেহেদীও দেখতে আমার মত। হয়ত তাকে দেখে আমাকে ভেবেছে।
জুয়েল আরো বলে, আর জীবনে রাজনীতি করব না। আজকের পর দল ও নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে চলে যাব। ত্বকী হত্যার সাথে আমাদের চাষাঢ়ার লোকজনের জড়িত আছে। ত্বকী হত্যায় সুরুজ, ইউসুফ, ভ্রমর, সীমান্ত জড়িত ছিল। এর মাস্টার প্ল্যান শাহ নিজাম। রাব্বি সাহেবের সাথে তার দ্বন্দ্ব ছিল। সে রাব্বি সাহেবকে গালি দিয়েছিল, এ নিয়ে শাহ নিজাম আমলাপাড়ায় তাকে পিস্তল ঠেকিয়েছিল।আর তার সুত্র ধরে ত্বকিকে হত্যা করা হয়েছিল।

