আসমান-যমীন সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বে
২১০৩। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) বলেন, আমি মহানবী হযরত মুহাম্মान (স)- শুনেছি ঃ আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বেই আল্লাহ মাখলুকাতের তাকদীর নির্ধার আৰু ইসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান, সহীহ ও গরীব।
حدثنا أبو كُرَيْبِ مُحَمَّدُ بْسُ العَلَاءِ وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ قَالَا عَثَنَا وَكِيعٌ عَنْ سُفْيَانَ الثَّورِيّ عَنْ زِيَادِ بْنِ إِسْمَعِيلَ عَن محمد بن عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ المَحرُومِي عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ قَالَ جَاءَ فِي الْقَدْرِ فَنَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةٌ يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِي النَّارِ عَلَى وُجُوهِهِم ذوقوا مَسَّ سَقَرَ إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَرٍ .
২১০৪। হযরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা কুরাইশ মুশরিকরা হুদূর (সা)- এর কাছে আসে। তারা তাকদীর সম্পর্কে তর্ক-বিতর্ক করছিল। তখন এই আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয় “যেদিন তাদেরকে উপুর করে দোযগে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে, (আর বলা হবে) দোষরের আস্বাদন কর। আমরা প্রতিটি বস্তু নির্ধারিত পরিমাণে (তাকদীর) সৃষ্টি করেছি”।

