তাওবার ৬টি উপকারিতাঃ

0
336

১/ তাওবাহ গোনাহ বিদূরক: আল্লাহর হাবীব সাঃ বলেন, “গোনাহ থেকে তাওবাহ কারীর কোন গোনাহই থাকে না।” [ইবনে মাজাহ: ৪২৫০] ২/ গুনাহকে নেকীতে রূপান্তরকারী: গাফুর আল্লাহ ইরশাদ করেন, “কিন্তু

Advertisement

 যারা তাওবাহ করে, ঈমান আনে ও আমলে সালিহ করে, এদের সকল পাপরাশি নেকীতে রূপান্তর করে দেন আল্লাহ তা’আলা। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” [সূরা আল ফুরক্বান:৭০] ৩/ তাওবাহ হৃদয়কে পরিচ্ছন্ন করে দেয়: রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেন, “ বান্দা যখন কোন গুনাহের কাজ করে তখন তার অন্তরে এক ধরনের কালো দাগ পড়ে যায়। যদি ইস্তেগফার করে তাহলে এইদাগ দূরীভূত করে তার অন্তর সূচালু, ধারলো, ও পরিশীলিত হবে। আর এই দাগের কথা কুরআনেই আছে, খবরদার! তাদের অন্তরে দাগ রয়েছে যা তাঁরা কামাই করেছে।” [তিরমিযি: ৩৩৩৪] ৪/ তাওবাহ-সুখী সুন্দর জীবনের গ্যারান্টি: “আর তোমরা নিজেদের পালনকর্তা সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা কর, অন্তর তারই প্রতি মনোনিবেশ কর, তাহলে তিনি তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উৎকৃষ্ট জীবনোপকরণ দান করবেন এবং তিনি অধিক আমলকারীকে বেশি করে দিবেন।” [সূরা হুদ: ০৩] ৫/ তাওবাহ রিযিক্ব ও শক্তিবৃদ্ধির মাধ্যম: আল্লাহ তা’আলা নূহ আঃ -এর ভাষায় বৃধিত করেন: ❝তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র ধারায় বৃষ্টির নহর ছেড়ে দিবেন। তোমাদের ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্তুতি বাড়িয়ে দিবেন। তোমাদের জন্য উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্য নদীনালা প্রবাহিত করবেন।” [সূরা নূহ: ১০-১২] ৬/ তাওবাহ দুনিয়া -আখিরাতের কামিয়াবী অর্জনের মাধ্যম: কুরআনুল কারীমের এক আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, “ যারা তাওবাহ করে, ঈমান আনে ও আমলে সালিহ করে আশা করা যায় তাঁরা সফলকাম হবে।” [সূরা কাসাদ: ৬৭] অপর এক আয়াতে এসেছে “ পক্ষান্তরে যারা তাওবাহ করবে, ঈমান আনবে ও আমলে সালিহ করে তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, কোন প্রকার জুলুম করা হবে না।” [সূরা মারইয়াম: ৬০]

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here