‘আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকেট বিক্রি কার্যক্রম দেখার জন্য আজ কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরির্দশন করেন রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নূরুল ইসলাম সুজন এমপি।
এ সময় মন্ত্রী ঘুরে ঘুরে টিকেট বিক্রি কার্যক্রম দেখেন এবং একাধিক যাত্রীর সাথে কথা বলেন। তারা রেলপথ মন্ত্রণালয়ের নেয়া বিভিন্ন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে বলেন, সকাল ৯ টা থেকে কাউন্টার থেকে এবং সকাল ৬ টা থেকে মোবাইল অ্যাপসে টিকেট বিক্রি হচ্ছে। প্রথম দিন কোন অভিযোগ ছাড়াই টিকেট বিক্রি চলছে। ঢাকা শহরের ৫ টি স্টেশন থেকে পূর্ব নির্ধারিত ট্রেনের বিক্রি হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে ঢাকা (কমলাপুর)-সমগ্র পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রেন ভায়া বঙ্গবন্ধু সেতু, বিমানবন্দর-চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী সকল আন্ত:নগর ট্রেন, তেজগাও-ময়মনসিংহ ও জামালপুরগামী সকল আন্ত:নগর ট্রেন,বনানী-নেত্রকোনাগামী মোহনগঞ্জ ও হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেন, ফুলবাড়িয়া (পুরাতন রেলভবন)-সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী সকল আন্ত:নগর ট্রেনের টিকেট দেয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী এ সময় বলেন,গত ঈদুল ফিতরে মোবাইল অ্যাপসে টিকেট কাটতে গিয়ে যে সমম্যা হয়েছিল এবার তা কমে গেছে । সকাল ১০:৩০ পর্যন্ত অ্যাপস এবং কাউন্টারের টিকেট বিক্রির তথ্য তুলে ধরে বলেন অনলাইন বিক্রি ৭৪২৩ টি (অ্যাপস এবং ই-সেবা) এবং কাউন্টার বিক্রি ৩০৩৭ টি টিকেট। স্টেশনে মনিটরে টিকেট বিক্রির সর্বশেষ অবস্থা জানা যাচ্ছে।
শিডিউল বিপর্যয় বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় যাত্রী উঠা নামায় সময় বেশী লাগায় ট্রেন বিলম্ব হয়। এছাড়া একইলাইনে ট্রেন চলায় অন্য ট্রেনকে সাইড দিতে গিয়ে বেশী সময় লাগে। কাজেই ডাবল রেললাইন তৈরি না হওয়া পর্যন্ত শিডিউল পুরাপুরির্ ক্ষা করা কঠিন। ঈদে শিডিউল রক্ষায় রেলপথ মন্ত্রনালয় সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। মহিলা কাউন্টার বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মহিলাদের জন্য ২টি কাউন্টারে টিকেট দেয়া হচ্ছে।
এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মোঃ শামসুজ্জামান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অপারেশন মোঃ মিয়াজাহান সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

