ঝালকাঠিতে মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা শেষে ২৫ টি মামলা

0
371

জাকির সিকদার, ঝালকাঠি: ঝালকাঠির,ধানসিঁড়ি,সুগন্ধা,বিষখালী, জাঙ্গালিয়া, নদীর উপর মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা শেষ হলো।

Advertisement

এরমধ্যেই গত ২২ দিনে ২৫ মামলা হয়েছে, আভিযানে ১০৭ টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৮ জন জেলে আটক হয়ছে। ৩১০ টি অভিযান করেছে স্থানীয় প্রশাসন মোবাইল টিম।৬ লাখ ৬০ হাজার জেলেরা মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞায় ছিলো। ৪ শত ৪০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। 

৩ নভেম্বর থেকে মাছ ধরা শুরু করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন রাত ১২ টার পরেই।

অপরদিকে গত ২২ দিনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞার কিছু ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। 

১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর এই ২২ দিন ২৪ ঘন্টা টহলে  ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে শেষ হলো বৃহস্পতিবার ২ নভেম্বর। সূত্রে জানিয়েছে নলছিটির মগড় ইউনিয়নের স্থানীয় জেলেরা বলেন,

মগড় ইউনিয়ন এর স্থানীয় জেলে নজরুল, এনায়েত শরীফ, রুবেল, মিরাজ অভিযোগ করেন, নলছিটি উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মচারী আরিফ শিকদার এই নিষেধাজ্ঞার সমস্যা আমাদের উৎসাহ দিয়ে ইলিশ মাছ ধরতে নদীতে নামিয়েছে বিনিময়ে তাকে ২ হাজার টাকা ও ৫ কেজি ইলিশ মাছ দিতে হয় প্রতিদিন। মাঝে মধ্যে নদীতে মাছ না পাওয়ায় তাকে টাকা দিতে পারিনাই বলে সেদিন ২৬ অক্টোবর অভিযানের নামে আমাদের বাড়ীর পাশে ছোট খালে ও নদীর তীরে বেধে রাখা নৌকা জাল সব কিছু নিয়ে গেছে। এমনকি এক পঙ্গু ব্যক্তির চরে ঘাস কাটতে যাওয়া নৌকাও নিয়ে গেছে জেদ করে। জানা গেছে আরিফ সিকদার উপজেলার কুশাংগাল ইউনিয়নের সরমহল গ্রামের এম এ সামাদের ছেলে, সে ২০২১ সালে ৪ বছর মেয়াদি প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা মৎস্য অফিসে মাঠ সহায়ক হিসেবে চাকরি নেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আরিফ সিকদার বলেন, অভিযোগের প্রমান নিয়ে আইসেন, যারা অভিযোগ করছে তারা মিথ্যা কথা বলছে, এবং সে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন কিছু জানতে চাইলে স্যারকে কল দিয়ে জানেন।
এ বিষয় ঝালকাঠি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ বলেন, আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। কেউ অভিযোগ করলে খতিয়ে দেখবো।

এদিকে ঝালকাঠিতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ ধরার সময় সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে গত ২৪ ঘণ্টায় অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ ও ১৩ কেজি মা ইলিশ উদ্ধার করেছে মৎস্য বিভাগ। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ জানান, সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর ঝালকাঠি সদর, রাজাপুর ও নলছিটি উপজেলার ৪৫ কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে নদীতে জাল ফেলে নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায় জেলেরা। এ সময় নদী থকে ৩০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ১৩ কেজি ইলশ জব্দ করা হয়। ইলিশ মাছ স্থানীয় এতিম খানায় বিতরণ করা হয়। জালগুলো নদী তীরে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়। মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কর্মসূচি সফল করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্পিডবোট ও ট্রলার নিয়ে নদীতে নদীতে টহল দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here