তাই আসুন আমরা জুম’আর দিনের ফজিলতপূর্ণ সময়টুকু দুরূদ শরীফ পাঠ করার মাধ্যমে অতিবাহিত করি ইন শা আল্লাহ। “আল্ল-হুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদ, ওয়া ‘আলা আ~লি মুহাম্মাদ”
“আল্ল-হুম্মা সল্লি’আলা মুহাম্মাদ, আল্ল-হুম্মা বা-রিক ‘আলা মুহাম্মাদ”
“আল্ল-হুম্মা সল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ”
“ওয়াস সলাতু ওয়াস সালামু ‘আলা রসূলিল্লাহ”
“সল্লল্লহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম”
এই [ ‘ ] চিহ্নটি দ্বারা আরবী হরফ আইনের উচ্চারণ এবং এই [ – ] চিহ্নটি দ্বারা ১ আলিফ টান দিয়ে পড়াকে বুঝানো হয়েছে।
উপরোক্ত দুরূদ শরীফগুলো দৈনিক কমপক্ষে ১০০ বার করে পাঠ করার চেষ্টা করবেন ইন শা আল্লাহ
জীবনভর চারটি কাজ কখনো ত্যাগ করবেন না:
১. কখনো আল্লাহর শুকরিয়া আদায় থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন না; তাহলে তিঁনি আর বাড়িয়ে দিবেন না। ❝যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করো; তাহলে বাড়িয়ে দিবো।❞ [সূরা ইব্রাহিম: ০৭] ২. কখনো আল্লাহর স্মরণ থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন না; তাহলে তিঁনি আপনাকে আর স্মরণ করবেন না। ❝আমাকে স্মরণ করো; আমিও তোমাদের স্মরণ করবো।❞ [সূরা বাকারা: ১৫২] ৩. কখনো দুয়া করা থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন না; তাহলে তিঁনি বিপদে আর আপনার সাড়া দিবেন না। ❝আমার কাছে দুয়া করো; আমি সাড়া দিবো।❞ [সূরা গাফির: ৬০] ৪. কখনো ক্ষমা চাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন না; তাহলে তিঁনি আর নাজাত/মুক্তি দিবেন না। ❝আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থীদের তিঁনি আযাব দেন না অর্থাৎ মুক্তি দেন।❞ [সূরা আনফাল: ৩৩]

