যখন আপনি অপমানিত হবেন কারো দ্বারা, অথচ আপনি তাঁদেরকে কোন ধরণের ক্ষতি করেন নাই, নিশ্চিত থাকুন আল্লাহ আপনাকে তাদের চেয়ে সম্মানিত লোক দিয়ে আপনাকে সম্মানিত করবেন, যদি আপনি ধৈর্য্য ধরেন এবং তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। আত্মসম্মান থেকে বড় আর কিছুই নেই জীবনে, তাই আত্মসম্মান ক্ষুন্ন করে কিছু পাওয়ার চেয়ে না-পাওয়াই শ্রেয়।
আমাদের প্রিয় ও মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স:)
মহান আল্লাহ তায়ালার হুকুম উল্লেখ করে বলেছেন::
“যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় কর,তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেব….
(সূরা ইব্রাহীম,আয়াত ৭)”
“তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কিয়ামতের দিন আমি স্বয়ং
অবস্থান করবো।
১. যে ব্যক্তি আমার নামে চুক্তিবদ্ধ হয়ে তা ভঙ্গ করেছে।
২. যে ব্যক্তি কোনো স্বাধীন ব্যক্তিকে বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করেছে।
৩. যে ব্যক্তি কোনো শ্রমিককে কাজে নিয়োগ করে পূর্ণ কাজ আদায় করে নেয়, অথচ তার বিনিময় দেয় না।
(বুখারি : ইফা-২০৮৬)”
⭕ রাসূল সল্লল্ল-হু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে অন্যথায় চুপ থাকে। [সহীহ বুখারী- ৬০১৯]
? ইবনু আব্দিল বার্র বলেন, আল্লাহর যিকির করা, কুরআন তিলাওয়াত করা, সৎকর্ম করা, সত্য কথা বলা, মানুষের মধ্যে মীমাংসা করে দেওয়া ইত্যাদি করা চুপ থাকা অপেক্ষা উত্তম। আর কেবল অপ্রয়োজনীয় বাতিল কথা বলা থেকে চুপ থাকা প্রশংসনীয়। [আত-তামহীদ ২২/২০

