ছাত্র অসম্ভব সম্ভব করতে পারে-ড. ইউনূস

0
190

জাকির সিকদার ঃঃ আজ রংপুর রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র শহীদ আবু সাইদ এর দেশের বাড়িতে গিয়ে কেদে দিলেন উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান ড,মোহাম্মদ ইউনূস। দুই মাস ছাত্রদের কোটা আন্দোলনের বিজয় অর্জন হলেও সফলতা দেখতে পারেনাই নিহত আবু সাইদ। তাহার কবর জিয়ারত করেন বর্তমান উপদেষ্টা সরকার ড,ইউনূস। ১৬:জুলাই আবু সাইদকে  হত্যা করে  জালিম সরকারের পালিত কুত্তালীগে পুলিশের গুলিতে । বাক স্বাধীনতা পেতে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের কোটা আন্দোলন দাবী বন্ধ করতে সরকারের নির্দেশ মোতাবেক এ গুলি চালানো হয়েছেিলো। ২০২৪ সালে  দেশ জালিমের হাত থেকে স্বাধীন হয় ৫ জুলাই ৩ টায় পলাতকের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ।  গনহত্যার রক্তের বিনিময়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ক্ষমতা ধরে রাখা চেষ্টা করলে দেশের ১৫ কোটির সরকারের বিপক্ষে যুদ্ধে নেমে পড়ে ছাত্র আন্দোলন কর্তৃপক্ষের।বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫০০/৬০০ জনের বেশি নিহত হয়েছে এবং আহত হাজার হাজার।দেশের ক্ষমতা লোভী সরকার পতনের ১:দফা দাবীর মুখে পুলিশের সঙ্গে দাোয়া পাল্টা যুদ্ধ চলে দুইমাস। দেশের মানুষ মারার জন্য রাজনীতি দলের মৃত্যু কুপ আয়না ঘর তৈরি করে আওয়ামী লীগ সরকার। গভবনে ছিল গনকবর।দেশের জেল বন্দী ছিলেো মেধাবী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী। 

Advertisement

৪ আগষ্টের রাতে নিহত হয়েছে ৪০০ শতের বেশি বিভিন্ন পেশাদার মানুষ। ৫ আগষ্ট জনতার রেসে পুলিশ নিহত হতে থাকে এক পর্যায়ে নত স্বীকার করে প্রশাসন সহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি তড়িঘড়ি করে পদত্যাগ পত্র জমা দেন রাষ্টপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর কাছে। সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় দেশ থেকে পলাতে স্বক্ষম হলেও ছাত্র জনতা ক্ষোভ বাড়তে থাকে। ক্ষোভের জন্ম দিয়ে যখন হাসিনা বাংলাদেশের স্বপক্ষে কথা বলতে না করে সেই রাজাকার শব্দটি নিয়ে খোঁজ করতে করতে না পেয়ে পালিত কুকুর পুলিশের উপর আক্রমণ শুরু হয়।হাসিনা সরকার দেশে থাকলে এত পুলিশ মরত না।

আওয়ামী লীগের শত শত কর্মী আগে বাগেই পলাতক হলে শেখ হাসিনা দূর্বল হয়ে পড়েন। সেনাবাহিনীর  ইপর চাপ  আসে দেশের মানুষের। এক সময়ে দিশা না পেয়ে হতাশাগ্রস্ত প্রশাসন। গুলি শেষে এ সময়ে মরতে থাকে পুলিশ বাহিনী। পলাতে থাকে পুলিশ সহ আওয়ামী লীগের এমপি মন্ত্রী ও বড় আমলারা।

জোর করে দেশ পরিচালনায় পলিটিকাল মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করতে পারেনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলেসহ সাধারণ শ্রমিক কিংবা আন্দোলন করার মানুষ। রাজাকার ও জঙ্গি শব্দ ব্যবহার করে দেশের মানুষের মধ্যে হিংসার ও ঘৃণার চোখে পরিনত হয়ে উঠেছে শেখ হাসিনার দল।

মোটকথা দেশের আলেম সমাজের কেহ টুপি পড়লে দাড়ি রাখলে সরকারের চাপ প্রয়োগ করতে। কেহ মূখ খুলতনা পুলিশের মধ্যেই। বিডিআর সাংবাদিক হত্যার মধ্যেই বছর কাটত সরকারের। ১৬ ডিসেম্বর ও আগষ্ট মাস আসলেই একটি যুদ্ধের মুখোমুখি করার সুযোগ তৈরি করত আওয়ামী লীগের কিছু জনতা।মুসলমানদের বিরুদ্ধে, ছাত্র শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সরকার পুলিশের ভয দিয়ে দেশ পরিচালনা করত বাংলাদেশ। 

রাজনৈতিক দলের জামাতের নিবন্ধন বাতিল করে কোটা আন্দোলন সময়ে যার কারনে যুদ্ধের রুপ নেয় ভয়ংকর। চলতে থাকে ১৪ কোটি মানষ এক পক্ষে আর হাসিনা সহ আওয়ামী পুলিশ বিরোধী ছাত্রদের। পুলিশ লীগের কারনে পতন ঘটল হাসিনার। ১ আগষ্ট  ছাত্রদের আন্দোলন কমে আসছিল। বাট সমালোচনার মুখোমুখি আদালত গড়াগড়ি হলো তারপরে ২ আগষ্ট যুদ্ধ বাড়তে থাকল যাহা মরা বাচার যুদ্ধে সামিল হয় জামাতে ইসলাম, হেপাজ ইসলাম, বিএনপির ছাত্র জনতা।গোলাগুলি রণক্ষেত্র বাংলাদেশ। ২০১৮ সালের কোটা বাতিল চাই ৩০% মুক্তিযোদ্ধাদের এমন শ্লোগান কে সামনে রেখে পুনরায় জুন জুলাই বৃদ্ধি পায় ছাত্রদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে করে ঢাকার সকল কলেজের ছাত্রদের। ৩ জনের নেতৃত্ব বেড়ে ৬ জনে রুপ দিয়ে  সপ্তাহে ধরে জেলায় ছড়িয়ে দিতে স্বকীয় অনুভব কাজে আগ্রহী করে নেতৃত্ব। আন্দোলন বাগতে বাড়তে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ছাত্রদের রাজাকার বলে মন্তব্য বক্তব্য ছুড়ে দিলে ক্ষেপে জ্বলে উঠে সকল ছাত্র ছাত্রীরা। শ্লোগান হয  নমি কে তুমি কে রাজাকার  রাজাকার। কে বলেছে সরকার সরকার।

এ কথাটি মূল ছিলো যুদ্ধের রুপ। বেশি রুপ নেয় জামাতের দল নিবন্ধন বাতিলে।দলটি বাঁচা মরার আন্দোলন সক্রিয় করে। এক পর্যায়ে তুমুলভাবে হেনস্থা হয় প্রশাসন।তবে কোটা আন্দোলন সূত্র তৈরি করেন গনঅধিকার পরিষদের চেয়ারম্যান ভিপি নুর। তিনি ২০১৮ সালে শুরু করে দেন তাহা ২০২৪ সালে শেষ হয় ৮ দফা প্রস্তাবের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার পতন ঘটে  ভিপি নুর আটক হয়।বহু ছাত্র আটক করে সরকার আয়না ঘরে নিয়ে টর্চার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে আয়না ঘর থেকে অনেক লাশ উদ্ধার করে ক্ষুব্ধ ছাত্র আন্দোলন কর্তৃপক্ষ। 

এ যুদ্ধটা ছিলো বাক স্বাধীনতা। সঠিক সময়ে সিন্ডিকেট তৈরি করার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়ে বিজয় অর্জন করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ৬ সদস্য ডিবির হাতে আটক করে ডিবি হারুন যুদ্ধ বন্ধ করতে, কোন কাজ হয়নি।

যুদ্ধের নাযক নিহত আবু সাইদ, জিবিত নাহিদ,সারজিস,আসিফ, সাদ্দাম সহ ৫৮০ জন সৈনিক ছাত্র ছাত্রী নিহতরা।

আজ সেই প্রথম সৈনিক আবু সাইদ এর কবর জিয়ারত করেন অন্তর্বতিকালীন সরকারের উপদেষ্টা ড,ইউনুসের দল।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here