নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ- জেলার প্রধান কেন্দ্র বিন্দু চৌমুহনী পৌর সড়ক গুলোতে বছরের পর বছর খোঁড়া খোঁড়ির কারনে নাগরিক দুর্ভোগ চরম আকার ধারন করছে । অপর দিকে রাস্তাঘাট নির্মান কোর্ড না মানায় উন্নয়ন কাজের নামে লুট পাট হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। সেবা প্রধান কারী তথা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলোর সমন্বয় না থাকায় নগরবাসীর দুর্ভোগ ক্রমশ বাড়ছে। এটাই বহুল আলোচিত। উদ্বেগের বিষয় সেবাদান কারী প্রতিষ্ঠান গুলোর সমন্বয় বিষয়টি দৃশ্যমান হচ্ছে না। ফলে চৌমুহনী পৌর বাসীর অবর্ননীয় দুর্ভোগের ও অবসন হচ্ছে ন্,া অপরিকল্পিত উন্নয়ন কাজের কারনে পৌরবাসী কতটা দুর্ভোগের শ্বিকার হয় তা না দেখলে বুঝার নয়। পৌর সভার উপর দিয়ে সড়ক ও যনপথ বিভাগের ঢাকা চট্রগ্রাম গামী প্রধান সড়ক ও প্রভাহিত হচ্ছে।
যার ফলে এক দিকে সড়ক উন্নয়ন কাজ অপর দিকে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচলে ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। কোন সড়ক পূর্ন নির্মান বা মেরামতের পর কায়েক মাস না যেতে আবার শুরু করা হয় কাজ। পৌর সভার বিভিন্ন সড়কে সারা বছরই সড়কের খুঁড়া খুঁড়ি চলে।খোঁড়া খুঁড়ির পর কাজ করতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।যে সব সড়কে রিক্সসা ও চলাচল করতে পারেনা ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার স্কুল কলেজ মাদ্রাসা গামী শিক্ষার্থী সহ সাধারন মানুষ দুর্ভোগ পোহাতে হয়।একটু বৃস্টি পাতে সড়ক গুলো কাদায় আর ময়লায় একাকার হয়ে যায়।এতে ভবিষ্যতকোমল মতি শিশু শিক্ষার্থী ও বয়ষ্করাই সড়কে চলতে গেলে প্রায় দুর্ঘটনা শিকার হয়। যখন যানজট সৃষ্টি হয় ঘন্টার পর ঘন্টা কর্মমুখি মানুষ গুলোর কর্মঘন্টা নষ্ট হয় তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।উন্নয়ন কাজের মানের যে চিত্রটি মনে হয় এটি লাইফ সাপোর্ট উন্নয়ন । এক অংশ থেকে কাজ শুরু করে অপর প্রান্তে সমাপ্তির কিছু দিন না যেতে আবার সড়ক টির উন্নয়ন ধরন পরিবর্তন করে র্পূবের কাজ খোঁড়া খুড়ি শুরু হয়। অপর দিকে এ ধরনের উন্নয়ন কাজ ঠিকাদারি ব্যক্তির পকেট ভারি করছে।সমষ্টিগত জনগনের উন্নয়নের চেয়ে ব্যক্তিগত উন্নয়নেই অগ্রাধিকার পাচ্ছে।এধরনের উন্নয়ন কাজ এলাকার নাগরিক পরিবেশকে দূষিত করছে। উপজেলা পরিষদ থেকে শুরু করে চৌমুহনী পূর্ববাজার চৌরাস্তা থেকে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয়, দক্ষিনে জয়নুল আবদীন মেমোরিয়াল একাডেমি পর্যন্ত ভয়াবহ ধুলাবালিকে নাগরিক সমাজ বরন করে নিতে হচ্ছে।এছাড়া প্রতিনিয়ত হাজার হাজার সাধারন মানুষ চৌমুহনী পৌর এলাকার প্রধান বানিজ্যিক শহরে কেনা কাটা করতে এসে এই বায়ুদূষনের পরিবেশ কে মেনে নিতে হচ্ছে। এভাবে সড়ক উন্নয়ন নাম মাত্র দেখিয়ে খোঁড়া খুঁড়ি করার ফলে ধূলাবালি মুক্ত পরিবেশ ফিরিযে আনা কঠিন হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে পরিবেশে বায়ুদূষন স্বাভাবিক মাত্রার কয়েক গুন বেশী।ধূলা বালির বিষাক্ত বাতাস গ্রহনের ফলে প্রথমিক ভাবে শ্বাস কষ্ট সহ সর্দ্দি কাশি চর্মরোগ ক্যান্সার চক্ষুরোগ সহ নানান ধরনের রোগ প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছে। চৌমুহনী পৌরসভার উন্নয়ন কাজের মধ্যে ৩নং আলীপুর মহা শশ্নান সড়ক রাস্তার কাজ, বেগমগঞ্জ দিঘির চার পাড়ে র্পাক ও সৌন্দর্য্য বধর্ন উন্নয়ন কাজ, টি এন্ড টির দক্ষিন পাশ থেকে মাষ্টার পাড়া পযর্ন্ত ড্রেন নির্মান, চাপরাশি বাড়ি থেকে মাইজদী রাস্তা পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ, ৪নং ওয়ার্ড করিমপুর আটিয়া বাড়ি পোল থেকে রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত সড়কের কাজ, সিঙ¦ার সড়ক উন্নয়ন কাজ, ৫নং ওয়ার্ড গনিপুর স্টোডিয়াম সড়ক উন্নয়ন কাজ, টক্কা পোল থেকে ভূঞাবাড়ী পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ, গনিপুর স্কুল সড়ক উন্নয়ন কাজ।চৌমুহনী রেলগেট থেকে টক্কা পোল পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজ, ৯নং ওয়ার্ড হাজিপুর সড়ক উন্নয়ন কাজ,৭নং ওয়ার্ড কিসমত করিম পুর সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে কোটি কোটি টাকার কাজ চলছে।নি¤œমানে নির্মান উপকরন ব্যবহার ও নি¤œমান কাজ হওয়ায় চলমান বৃস্টিতে রাস্তা গুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।ফলে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ পানিতে মিশে যাচ্ছে।নি¤œমানের নির্মান উপকরন ইট বালি ব্যবহার করা হয় সব রাস্তা গুলোতে।নাম মাত্র এজিং বসানো হয়েছে। স্থানিয় সরকার মন্ত্রনালয় সহ বিভিন্ন বিভাগীয় কতৃপক্ষের কাছে সড়ক গুলোর কাজ তদন্ত করা জরুরী হয়েছে। ভোক্ত ভোগী এলাকা বাসী জানান সড়ক উন্নয়ন কাজ গুলোর বেশীর ভাগই উপসহকারী প্রকোশলী ডিপ্লোমাধারী দিয়ে তদারকি করায় ঠিকাদারী ব্যক্তির প্রভাব অনিয়ম অব্যাহত চলছে। সরকারি উন্নয়নের চেয়ে ব্যক্তির উন্নয়নই প্রাধান্য পাচ্ছে। সড়ক গুলোর কাজ শুরু করে দ্রুত তা বাস্তবায়ন করতে হবে।এক্ষেত্রে কোন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তি অবহেলা করলে নির্মান কাজ সম্পন্ন করতে তার বিরুদ্বে ব্যবস্থা নিতে হবে। মানস্মত কাজ আদায় করা নাগেলে জনগনের উন্নয়ন এর কোটি কোটি টাকা অপচয় রোধ করা যাবে না। অপর দিকে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।

