বিভিন্ন দেশে ফুটপাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন মা’র্কে’টে পুরনো কাপড় কম দামে বিক্রি হয়। দাম তুলনামূলক অনেকটা কম হওয়ার কারণে এসব পোশাকের ক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি। তবে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর এসব কাপড় কেনার ব্যাপারে শ’ঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুরনো কাপড়ে সমস্যা সব সময়ই থাকে। আগে যে ব্যক্তি সেই পোশাক পরেছেন, তার নানা ধরনের অ’সুখ থাকার শ’ঙ্কা থাকে। এমনকি ভালো’ভাবে পোশাকটি ধোয়ার পরেও ঝুঁ’কি থাকে।
তারা আরো বলছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির বিক্রি করা পোশাক যদি হাত ঘুরে অন্য কারো কাছে যায়, তাহলেও বিপদ। কারণ, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলেই লক্ষণ প্রকাশ পায় না। সেজন্য এই পরিস্থিতিতে পুরনো পোশাক এবং চীন থেকে আম’দানি করা পোশাক আপাতত না কেনা ভালো।
এদিকে, চীনে প্রা’ণঘাতি করোনাভাইরাসে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃ’তের সংখ্যা। মৃ’তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২৫ জনে। দেশটিতে করোনাভাইরাসের প্রকোপ থামা’র কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য বলছে, চীনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ২০৪৩৮ জন। দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে মাস্ক ব্যবহারসহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার কথা বলা হচ্ছে। এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে মাস্কের চাহিদা বেড়ে গেছে।

