চরিত্রের দোষ এড়াতে স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা

5
1429

স্টাফ রিপোর্টারঃ
বর্তমান সমাজ ব্যাধীতে রুপ নিছে পরিকয়া প্রেম। এমনই একটি ঘটনার প্রকাশ ঘটে ঢাকার পশ্চিম শেওরাপাড়ায় বসবাস রত সরকারী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলামের জীবেন। ২০০১ সালে পারিবারীক সুত্রে বিবাহ বন্ধেন আবদ্ধ হয়ে তিনটি কন্যা সন্তানের জননী হয় শহিদুলের স্ত্রী খুরশিদ আরা। চুয়াডাঙ্গার বেলগাছী ঈদগাপাড়ার আমির হোসেনের কন্যা খুরশিদ আরা ওরফে খুশি। সুত্রে জানা যায়, বিয়ের পূর্ব হতেই একাধীক পুরুষের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক করেন খুশি। স্বামী শহিদুল বাধা দেওয়ায় বেপরোয়া হয়ে বুয়েটের ছাত্র শরফরাজ নামক ছেলের সাথে অবৈধ সম্পর্ক চালিয়ে যায় দীর্ঘদিন। ২০০৪ সালের দিক চুয়াডাঙ্গা আলিয়া মাদ্রাসার পিন্সপালের ছেলে লিটন ছাত্র শিবির পরিচয় দিয়ে খুশির বাসায় এসে দৈহিক সম্পর্ক করতেন, এসব কর্মকান্ড সইতে না পেরে স্বামী শহিদুল ২০০৬ সালে ডিভোর্স দেয়। এলাকার মুরুব্বীদের অনুরোধে শরিয়ত অনুযায়ী পূনরায় সংসার জীবনে ফেরৎ আনে শহিদুল। তিনটি কন্যা সন্তানের মা হওয়া সত্বেও চরিত্র অবয় হতে মুক্ত হতে পারেনি খুশি। পুনরায় নিজ গ্রামের আবু বক্কার মিয়ার ছেলে তানভীর আহম্মেদ সিদ্দিকী (তমল) এর সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শহিদুলের ভোটার আইডি কার্ডে তমলের নাম বিভিন্ন হোটেল গেষ্ট হাউজে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে গোপন অভিসার চালাতেন। তমলের সাথে সম্পর্ক রাখতে ২০১৪ সালের ১৫ই ডিসেম্বর স্বামীর সংসার ছেড়ে চলে যায় খুশি। ছয় মাস পর পারিবারিক চাপে স্বামীর বাসায় ফেরৎ আসে। তমলের যোগসাজসে মিরপুর মডেল থানায় মিথ্যা অভিযোগ করে এসআই জুবায়েরের সহযোগিতায় খুশি ও বাচ্চা সহ  মালামাল গহনা আর নগদ অর্থ নিয়ে বাসা থেকে চলে যায়। এ ব্যাপারে এসআই জুবায়ের এর কাছে যোগাযোগ করলে সত্ব্যতা অস্বীকার করে। শহিদুল কে তালাক প্রদান না করে তমলকে বিয়ে করে খুশি। গোপনে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে  নারী শিশু সহ যৌতুক আইনে দুটি মামলা করে খুশি। এই সুত্রে শহিদুল প্রতারনার বিচার চেয়ে মূখ্য মহানগর হাকিম আদালেত একটি মামলা দেয়, মামলা নং ২৯৯। মাঝে মধ্যে খুশির সাথে মামলার আইও এসআই আরিফকে বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায়, বিশেষ শখ্যতায় শহিদুলের বিরুদ্ধে মিথ্যা রিপোর্ট দেয় আরিফ। এস আই আরিফের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে টালবাহানা করে লাইনটি কেটে দেয়। মামলার ভয় দেখিয়ে শহিদুলের কাছে পনেরো লক্ষ টাকা ও কিস্তিতে নেওয়া ফ্লাটটি দাবী করে। অন্যথায় আরো মামলায় ফেলবে বলে হুমকী দেয় খুশি। শহিদুল তার সন্তানদের ভরন পোষন বাবদ কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে টাকা ও পোষাক পাঠালে খুশি তা ফেরত পাঠিয়ে দেয়। পনেরো বছরের সংসার জীবনের ফসল তার কন্যাদের সাথে যোগাযোগ করতে না দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে বলে জানায়। যে লম্পটের কারনে এই সাজানো সংসার ভেঙ্গে গেল তার সাবেক স্ত্রী সুরভী জানায় তমলের লম্পট্টের অসংখ্য ইতিহাস রয়েছে। একাধিক নারী কেলেংকারীর কারনে সেভেন হর্স সিমেন্ট এর অফিস থেকে চাকরীচুত্ব হয় তমল। মামলাটি পূনরায় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উন্মোচিত হোক এমন দাবী শহিদুল ও এলাকাবাসীর।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here