“গোগনগরে সন্ত্রাসী সোহেল ও দেলোয়ার আবারও বেপরোয়া “

0
459

রুহুল আমিন মন্ডল : নারায়ণগঞ্জ সৌয়দপুর ফকির বাড়ি, গোগনগর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী সোহেল এবং দেলোয়ারে অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী,জানা যায় তারা বেশ কয়েকবার মাদক, অস্ত্র সহ রেব-১১ এর হাতে ধরা পড়ে।জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ইসমাইল নামের এক ব্যক্তির বসত বাড়ির সামনে দিয়ে রাস্তা জন্য একটি ব্রিজ যাওয়ায় সরকারি ক্ষাত থেকে এককালিন প্রায় ৬৬ লক্ষ টাকা পান। সেই টাকা পাওয়ার পরই সোহেল এবং দেলোয়ার তাদের কাছে চাঁদা দাবি করেন।কিছু টাকা ভুক্তভুগী তাদের দেন।এতেও তাদের স্বাদ মেটেনা। তারা আরো ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে প্রায় সময়ই ইসমাইল সহ তার পরিবারকে হুমকি ধামকি দিয়ে থাকেন।(১০) জুলাই রাত আনুমানিক ২ ঘটিকার সময় সোহেল,দেলোয়ার সহ তার আরো বেশ কিছু সহযোগী সহ, ইসমাইল এর বাড়িতে দা,বটি,দিয়ে এলোপাতাড়ি টিনের গায়ে কুপাতে থাকে।এমন অবস্থায় ঘরের ভিতরে ইসমাইল এর পিতা ইউসুফ মোল্লা(৭০) বৃদ্ধ ভয়ে ঘরের খাটের তলায় গিয়ে আশ্রয় নিলে;উচ্চস্বরে সন্ত্রাসী দোলোয়ার ও সোহেল বলে “টাকা না দিলে তোদের মেরে ফেলবো কে বাঁচাবে আসতে বল” এ সময় চেচামেচি ও তাদের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। ইসমাইল এর তথ্য মতে “সে কিছু অর্থ দিয়ে গবাদিপশু ক্রয় করে। এবং সেগুলো বিক্রি করে সন্ত্রাসীদের টাকা দিতে বলে!টাকা না দেওয়ার কারনেই থেমে থেমে চালায় এই ভয়াবহ অত্যাচার।এবং ভুক্তভোগী ইসমাইল আরো বলেন” তাদের টাকা না দিলে তারা আমার এই গরুর গোয়ালে আগুন জ্বালিয়ে দিবে,এবং আমাকে প্রাননাশের হুকমি দিয়ে গেছে, আমি এই বেপারে নারায়ণগঞ্জ থানায় হাজির হয়ে একটি অভিযোগ করি। পরবর্তীতে যদি আবারও তারা আমার উপর আক্রমণ করে তখন মামলা নিবে বলে পুলিশ আস্বস্ত করেন।সরেজমিনে সাংবাদিকের সাথে সাক্ষাৎকালে এই তথ্য মিলে।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here