আপনার সাথে সামনে কি ঘটবে তা শুধু আল্লাহ জানে। আল্লাহ চাইলে গায়েবের খবর কাউকে জানাতে পারে স্বপ্নের মাধ্যমে। কিন্তু গায়েব শুধুমাত্র আল্লাহ জানে।
এক ভন্ড মারা গেছে। তার কাছে আমাদের এলাকা থেকে অনেক বছর আগে একজন গেছিলো। তার ব্যাগে লাউ ছিল। কিন্তু লাউ আছে তা বোঝা যাচ্ছিল না। সে তাকে দেখেই বলে এতকিছু রেখে আমার জন্য লাউ নিয়ে আসলেন। এই কথা শুনে সে ভাবে হুজুর কিভাবে জানলো ব্যাগে লাউ আছে এরপর মুরিদ হয়ে যায়।
ওই ভন্ড জীনের সাহায্য নিয়ে বিভিন্ন কেরামতি দেখাতো আর লেবাস ইসলামিক। মানে সে বুঝাতে চাইতো নবী রাসুল ওলীরা আল্লাহর ইচ্ছায় যে বিভিন্ন অলৌকিক ঘটনা দেখিয়েছে তার ক্ষমতা তেমন।
আমাদের সকলের সাথে ইবলিশের অনুগত কারিন নামক শয়তান জীন আছে। তার কাজ ঈমান আমল নষ্ট করে জাহান্নামি করা। যে শেরেকি কুফরি বিভিন্ন কথাবার্তা বলে, আল্লাহ, মুহাম্মদ সাঃ সম্পর্কে বিভিন্ন উদভট বাজে কথাবার্তা বলে এমন কারো কাছে কেউ গেলে তার সাথের কারিন জীন তো আগেই তাকে দেখিয়ে দিবে এই ব্যক্তি আসছে তার ব্যাগে এই আছে।
তার মুরিদ হলে নাকি সে মুনকার নাকির কে প্রশ্ন করতে বাধা দিবে, পুলসিরাত পার হওয়া, জান্নাতে যাওয়া সব দায়িত্ব তার। এমন কারো মুরিদ হতে তো সাথের কারিন জীন অবশ্যই সাহায্য করবে।
সে জীনের সাহায্য বলেছিলো ব্যাগে লাউ আছে। কিন্তু সে তাকে বুঝিয়েছে সে গায়েব জানে। আর সেও অলৌকিক ঘটনা দেখে মুরিদ হয়ে গেছিল।
আমার এলাকার আরেকজন মুরিদ হয়েছিল সে বিছানা থেকে পড়ে যাবে তখন নাকি ওই ভন্ড তাকে ধরেছে। জীন মানুষ সহ যেকোনো প্রানীর আকৃতি নিয়ে আসতে পারে। এইটাও জীনের কাজ।
সে একটা বই ছাপায় সেখানেই আল্লাহ আর মুহাম্মদ সাঃ সম্পর্কে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর কথা লিখা ছিল। আমাদের এলাকার এক ছেলেকে ঠিক সূর্য মাথার উপর থাকা অবস্থায় ঘার বেকা করে পানিতে চলে যাচ্ছিল। মানে শয়তান জীন ভর করেছে। এই বই এ লিখা ছিল এইটা চুবিয়ে পানি ছিটা দিলে জীন শরীর ছেড়ে দিবে। এই কাজ করলে সে স্বাভাবিক হয়ে যায়। এই কিতাব ঘরে রাখলেও শয়তান জীনের সিমটম সেই ঘরে থাকে না। মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন যেই ঘরে সুরা বাকারা তেলোয়াত করা হয় সেই ঘরে শয়তান জীন থাকতে পারে না। এইটা সহি পদ্ধতি শয়তান পালাতে বাধ্য হয়। আর এইগুলো শয়তানি পদ্ধতি মানুষকে শেরেকি কুফরি বিশ্বাস লালন করতে শয়তান সরাসরি সাহায্য করে।
টিভিতে দেখেছিলাম একজন বলছে আমি উনার কাছে গেলে আমার মাথায় হাত রাখলে মনে হয়েছে পাহাড় রাখা হয়েছে। এইটাও জীন দ্বারা সম্ভব।
আমার মামার এক আত্মীয় তার সাথে টাকার বিনিময়ে কোমার রুগী নাকি সুস্থ করেছে। ওই রুগী পাশে যে ছিল সে দেখে একটা ছায়া এসে তার ভিতর ঢুকে গেছে এরপর সে কোমা থেকে ফিরে। এরপর হুয়িল চ্যায়ারের রুগী থাকে। যেহেতু শরীরে রুহু ছিল তাই জীনের পক্ষে মুভ করানো সম্ভব।
ব্লেক মেজিশিয়ানরাও শয়তানের সাহায্য নিয়ে অনেক অলৌকিক জিনিস দেখায়। কিন্তু তাদের লেবাসো তেমনি থাকে। কিন্তু কেউ শয়তানের সাহায্য নিয়ে অলৌকিক বিভিন্ন কিছু দেখিয়ে ইসলামিক লেবাসে থাকলে তাকে অনেকে সরল মনে বিশ্বাস করবে আর তাদের সাথের কারিন জীন ওই বিশ্বাস শুধু দৃঢ় করতে থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুক। সঠিক আকিদার উপর রাখুক। হেদায়েতের উপর রাখুক।

