পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর গলাচিপার উঃ চরবিশ্বাসের বাসিন্দা অসহায় নারী আনোয়ারা বেগমের (৭০) ৪.৯২ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে এর ফসল কেটে নেয় স্হানীয় ফারুক পিতা -হাসেম হাং, আজাহর, পিতা -রশিদ রাড়ী, হানিফ পিতা-কামাল জোমাদ্দার আবুল বশার মোল্লা, পিতা -আয়নদ্দিন মোল্লা।
আনোয়ারা বেগম বলেন, তারা একই দলের, দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী, ভূমি দস্যু,রাহাজানী মাস্তানী ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক । তারা দেশের প্রচলিত আইন-কানুন,শালশী,বিচার ব্যবস্থা কিছুই মানে না। তারা ধরাকে সরাজ্ঞান মনে করে,গায়ের জোরে করতে পারে না এমন কোন কাজ নাই যা করে না বাকী নাই,তাহারা ধনবলে এবং জনবলে বলিয়ান।
আমি/আমরা গরীব বলে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে অযথা হয়রানি করে আসছে। নিম্ন তফসিলে বর্ণিত জমির প্রাকৃত মালিক মোঃ ইউনুচ মৃধা,পিতা -আয়নদ্দিন মৃধা,সাং -উঃ চরবিশ্বাস,উপজেলা – গলাচিপা, জেলা – পটুয়াখালী হাংসাং দশমিনা,উপজেলা -দশমিনা, জেলা- পটুয়াখালী রেকর্ডীয় সূত্রে মালিক রয়েছে ।
বিবাদীরা জাল জালিয়াতি করে ভূয়া বিএস খতিয়ান খুলে প্রতিবছর উৎপাদিত ধান, রবিশষ্য জোরপূর্বক কেটে নেয়। আমি ন্যায় বিচারের জন্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে গলাচিপা সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা করেছি যার নাম্বার ১৪৬/২০১৫। মামলায় নিষেধাজ্ঞসহ বর্তমানে সাক্ষ্য গ্রহণ চলমান রয়েছে। বিবাদীরা ইতিমধ্যে জমির পুরো ধান /রবিশস্য কেটে নিয়েছে। আমরা বাধা দিলে আমাদের খুন জখমের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
আনোয়ার বেগম সাংবাদিক দের বলেন, “আমারা গরীব বলে মানুষ না, আমাদের উপরে এত নির্যাতন করে,আমার এই জমি টুকুই আমাদের শেষ সম্বল, আমি মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আপনাদের মাধ্যমে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই” ।

