কৃষিমন্ত্রীর সাথে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

0
880

বাংলাদেশের সঙ্গে আরো গভীর সম্পর্ক গড়তে চায় ব্রাজিল। কৃষি মন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে সচিবালয় তার কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত (ঔধড় ঞধনধলধৎধ ফব ঙষরাবরৎধ ঔঁহরড়ৎ) জোয়াও তাবাজারা ডি অলিভেইরা জুনিয়র আজ দেখা করতে এসে এ আগ্রহের কথা জানান।

Advertisement

ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত বলেন, ব্রাজিলের সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের আরো উন্নয়ন ঘটাতে এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশিদার হতে চায়। আমরা আমাদের কৃষি ক্ষেত্রে সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগাতে পারি এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো খুঁজে বের করতে পারি। দুই দেশের মধ্যে কৃষির ধারণাগুলো পাস্পারিক বিনিময়ের মাধ্যমে এক্ষেত্রে আরও উন্নয়ন সম্ভব।
রাষ্ট্রদূত জানান,বাংলাশের গার্মেন্টসে উৎপাদিত পণ্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ভালো। ব্রাজিল বাংলাদেশের গার্মেন্টস এর একজন বড় ক্রেতা উল্লেখ্য করেন রাষ্ট্রদূত। ব্রাজিলে বাংলাদেশ থেকে প্রথম গো-সম্পদ যায়। যেটি এখন সে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে পরিণত হচ্ছে। ব্রাজিলে একটি গরু দিনে ১০০ লিটার পর্যন্ত দুধ দেয় এবং প্রতি কিলোগ্রাম মাংস ৫ ডলার।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, সাক্ষাতে কৃষি সর্ম্পকিত পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এর মাধ্যমে দু’দেশের কৃষি,বাণিজ্যিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে। কৃষি উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ব্যাপারে তাদের অবহিত করেন। এখন আমাদের পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চত করতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। সরকার এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কৃষি বাণিজ্যিকিকরণ ও প্রক্রিয়াতকরণে ব্রাজিলের কারিগরি সহায়ত চান।
বর্তমানে রাজনৈতিক পরিবেশ যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক ভালো এবং বিনিয়োগের নিরাপদ পরিবেশ বিরাজ করছে। বিনিয়োগে নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার প্রশ্রিুতিবদ্ধ। ব্রাজিলের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান কৃষি মন্ত্রী।
কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এখাতে ব্রাজিল সরকার আমাদের সহায়তা করবে। কৃষি প্রক্রিয়াজাত, গবেষণাসহ নানা খাতে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন বলে উল্লেখ্য করেন কৃষি মন্ত্রী। এছাড়া জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি সম্পর্কে পাস্পারিক মতবিনিময় করেন।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here