মাজহারুল ইসলামঃ বর্তমান ব্রক্ষপুত্রের পানি কমতে শুরু করেছে, বারছে জিঞ্জিরাম নদের সিমাহীন বন্যার পানি। এতে পানি বন্ধি হয়ে পরে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। সেই সঙ্গে ডুবে গেছে কুষকের স্বপ্নের ফসর রোপা আমন ধান। একারনে দিশেহাড়া হয়ে পড়েছে এই উপজেলার হাজারো কৃষক। কৃষির উপরনির্ভশীল রৌমারীর প্রায় দুলাখ মানুষ এদিয়েই সংসার চলে তাদের। আর সেই স্বপ্নক যেন পাহাড়ি ঢলের তরে নিমিষেই মিসে গেল। এবার যেমনটা দেখেছি ঝরবৃষ্টি কিন্তু তেমন একটা হয়নি রৌমারী উপজেলায়। প্রায় জমি চাষ করেছে কৃষকরা শ্যালোমিশিনের সাহায়্যে। সেচ দিয়ে রোপা আমন চাষেও কৃষকদে ব্যয়বহুল অনেক বেশি, সেটি কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে। মিঠি মিঠি করে ব্রক্ষপুত্রর নদের পানি কমলেও ব্যাপকহাড়ে বারছে জিঞ্জিরামের পানি।
ডিসি রোডের পশ্চিমে ব্রক্ষপুত্র পূর্ব পাশে ভারত থেকে বয়ে আসা রয়েছে জিঞ্জিরাম নদী। মাঝখানটায় এক একটি মাত্র ডিসি রোড এটি একমাত্র তিনলাখ মানুষের ভরসা। সেটিও কিন্তু জরাজির্ন্য অবস্থায় যাতয়াত করছেন পথী যাত্রিরা। সেটিও কিন্তু বন্যার ঝকিতে রয়েছে, রোডটি চলমান কাজেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের গাফিলতীতে সংঘস্কার কাজে গড়িমষীর অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া গ্রামী সড়ক গুলো যেন চলাচলে অনুপযোগী হয়ে গেছে। এতে উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে পরবে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলাটি। ক্ষয়ক্ষতির বিষয নিয়ে কথা হয় রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইউম চৌধুরী বলেন প্রায় ৫ হাজার হেক্টর রোপা আমন তলিয়ে গেছে, আরো ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে,জিঞ্জিরাম নদের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ভানভাষীদের জন্য কিধরনের সহযোগিতা করছে সেবিষয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান জানান সবসময়ই বানভাসীদের সহযোগীতা করে আসছি যেখানে সমস্যার খবর পাচ্ছি সেখানে সঙ্গে সঙ্গে খাবার পৌছে দিচ্ছি।

