রংপুর বিভাগীয় অনুসন্ধানী টিম: নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের মেলাবর ক্যামেরার বাজারের মো: বেনজির (৩৫) পিতা মৃত তসলিম উদ্দিন। অসহায় নিরীহ বেনজির আহাম্মেদ এর বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অন্ধোকারে বসবাস করতো। এমনকি ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হতো পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক হতে হলে কি করতে হবে আমি এ বিষয়ে কিছু বুঝিনা এরই সরলতার সুযোগ নিয়ে দালাল জাহাঙ্গীর পিতা মৃত ওয়ারেস আলী গ্রাম: রণচন্ডী উত্তরপাড়া, রণচন্ডী, কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী। দালাল জাহাঙ্গীর বলে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে দীর্ঘদিন ধরে আমি কাজ করে আসছি। অনেক গ্রাহকের কাছ থেকে বিদ্যুৎ দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে প্রতারণা ও দালালি করে চলছে।
অপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধানে জানা যায, নিরীহ একাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে ৪,০০০-৫,০০০/= (চার থেকে পাঁচ হাজার) টাকা হাতিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাসের-পর-মাস গ্রাহক হয়রানি স্বীকার হয়। এই দালাল জাহাঙ্গীর একদিন বেনজিরের বাড়িতে আসে বলে যে তোর বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই তোর এলাকায় অনেক গ্রাহককে বিদ্যুৎ দিয়েছি তোকে ও বিদ্যুৎ দিয়ে দেব। দালাল জাহাঙ্গীর বেনজির কে বলে মিটার নিতে গেলে ১০,০০০/= (দশ হাজার) টাকা লাগবে, চুক্তি করে এবং তার নগদ গ্রহণ করে। সেই টাকা নিয়ে ইলেকট্রিশিয়ান তাজুল ইসলাম এর কাছে যায়। দালাল জাহাঙ্গীর বলে বেনজিরের কাছে কাছ থেকে ১০,০০০/= (দশ হাজার) টাকা নিয়ে এসেছি এখন কি করবো। ইলেকট্রিশিয়ান তাজুল বলে বেনজির এর বাড়িতে যেতে হবে বলে যে, এক স্প্যন লাইন নির্মাণ করতে হবে। বাজারে গিয়ে তার ক্রয় করে বেনজিরের বাড়িতে নিয়ে যায় পোল টু পোল তার ফিটিং করে ওয়ারিং সম্পন্ন করায। ইলেকট্রিশিয়ান তাজুল ওয়ারিং’ পরিদর্শক মোহাম্মদ শামছুল আরেফিন কে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে রিপোর্ট করে ওয়ারিং পরিদর্শক আনুমানিক সন্ধ্যা ০৭ টা ৩০ মিনিটে গ্রাহক বেনজিরেরর বাড়িতে নিয়ে যায়। ওয়ারিং দেখে বলে সম্পূর্ণ ঠিক আছে মিটার দিয়ে দেব। ওয়ারিং পরিদর্শক বলে ইলেকট্রিশিয়ান তাজুলকে সিওমো করতে হবে। কিশোরগঞ্জ গাড গ্রাম টেপার হাট শাখা ইনচার্জ মুকুলের যোগসাজশে দালাল জাহাঙ্গীর এর হাতে মিটার তুলে দেয়। দালাল জাহাঙ্গীর আনুমানিক রাত ১০-১১ টার সময় বেনজিরের বাড়িতে মিটারটি লাগানোর জন্য নিয়ে গেলে বলে যে, এত রাত্রে মিটার কেন আমি মিটারটি লাগাতে দিব না আগামীকাল সকালে এসে মিটার লাগিয়ে দিব। দালাল জাহাঙ্গীর ক্ষিপ্ত হয়ে বলে মিটার রাত্রে লাগিয়ে দিয়ে যাবো। অবৈধ সংযোগটি বেনজিররে বাড়িতে লাগিয়ে দেয়। উপায়ন্ত না পেয়ে মুকুল নিজের দোষ আড়াল করে অবৈধ সংযুক্তির দুইদিন পরে বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে আসে এবং মিটারটি সহ ওয়ারিং পরিদর্শক শামসুল আরেফীন এর বিরুদ্ধে একটি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে একটি নোট দেয়। এই নোট বা অভিযোগ জানতে পারে নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের জি এম সাহেব হাসনাত হাসান দ্রত ১০ (দশ) সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার নির্দেশ দেয়। কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাব জোনাল অফিসে এজিএম (কম) এর সাথে অপরাধ বিচিত্রা টিম জানতে চাইলে তিনি বলেন বেনজিরের সংযোগটি অধৈধ। (ফলোআপ চলবে)

