ঐক্যের ৭ দফার একটিও গ্রহণযোগ্য নয় -বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ

0
747

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ঐক্যের ৭ দফার একটিও গ্রহণযোগ্য নয়। আদর্শ ছাড়া কোন লক্ষ্য পূরণ হয় না। তাদের কোন আদর্শ নেই। ড. কামাল হোসেনের টার্গেট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেজন্য তিনি আদর্শ ছেড়ে বিএনপির সাথে জোট বেঁধেছেন। ড. কামাল হোসেনের কি সামর্থ আছে, তা আমাদের জানা আছে। তিনি কোনদিন এমপি নির্বাচিত হতে পারেননি। বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেয়া আসনে বিনা প্রতিদন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বরেন, ২১ আগষ্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমানসহ বিএনপির অনেক নেতা জড়িত, আজ তা প্রমানীত। বিএনপি একটি সন্ত্রাসাী দল হিসেবে প্রমানিত। যতই কুটনীতিকদের সাথে বৈঠক করুক না কেন, নির্বাচন হবে দেশের সংবিধান মোতাবেক। বর্তমান সরকারের অধিনে সংবিধান মোতাবেক নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। আমরা বিশ^স করি নির্বাচন নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণ মূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে। এতে দেশের সকল রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করবে।

Advertisement

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ (১৯ অক্টোবর) ঢাকায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির নবরাত্রি হলে কোরিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত দুইদিনব্যাপী বাণিজ্য মেলা “শোকেস কোরিয়া-২০১৮” এর উদ্বোন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, কোরিয়ার সাথে বাংলাদেশর বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশে কোরিয়ার অনেক বিনিয়োগ আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্পেশাল ইকোনমিক জোনে কোরিয়ার বিনিয়োগকারীগণ বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। সরকার বাংলাদেশে বিনিয়োগে আকর্ষনীয় সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। কোরিয়া থেকে বাংলাদেশ অনেক যন্ত্রপাতি আমদানি করে থাকে, সে কারনে আমাদের আমদানি বেশি। গত ২০১৬-১৭ অর্থবছর বাংলাদেশ কোরিয়ায় রপ্তানি করেছে ২৩৮.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য একই সময়ে আমদানি করেছে ১২৬৮.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পন্য। বাংলাদেশে বিশ^মানের ঔষধ উৎপাদন করছে। কোরিয়া কম মূল্যে বাংলাদেশ থেকে বিশ^মানের ঔষধ আমদানি করতে পারে। বাংলাদেশ এখন ১২৯টি দেশে ঔষধ রপ্তানি করছে। কোরিয়া বাংলাদেশকে অনেকগুলো পণ্য রপ্তানিতে বাণিজ্য সুবিধা দিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে সে সকল পণ্য রপ্তানি সন্তোষজনক নয়।
উল্লেখ্য, শোকেস কোরিয়া ২০১৮তে কোরিয়ার ২০টি এবং বাংলাদেশের ১৩টি মোট ৩৩টি কোম্পানির ১০০টি স্টল রয়েছে। প্রদর্শিত পণ্যেও মধ্যে রয়েছে ইলেক্ট্রনিকস, গাড়ি, সিরামিক,পেপার, কসমেটিক্স। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা খোলা থাকবে। আগামী বছর এ মেলা কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে।
কোরিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর চেয়ারম্যান এবং মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকায় নিযুক্ত কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হু কাং ইল, এফবিসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট মো. সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, কোরিয়া ইপিজেড এর প্রেসিডেন্ট জাহাঙ্গাীর সা‘দাত, এলজি ইলেক্ট্রনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডং কন সন এবং শোকেস কোরিয়া এর অর্গানাইজিং কমিটির চেয়ারম্যান সাহাবউদ্দিন খান।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here