বুড়িচং প্রতিনিধি ঃ কুমিল্লা বুড়িচং থানা এলাকায় মাদক বিরোধি অভিযান চলাকালে গাঁজা বিক্রির অপরাধে এ এস আ্ই ও একজন পুলিশ সদস্যসহ তিন জনকে আটক করেছেন ব্যাব -১১ এর একটি অভিযানিক দল। আটকের পর বুড়িচং থানায় কর্মরত ১/২ নং আসামির নাম পদবি গোপন রেখে এজাহার দায়ের করেন র্যাব এর ডি এডি মজিবুর রহমান। তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা গাঁজা ও বিভিন্ন ব্রান্ডের একাধিক মোবাইল উদ্ধার করেন। আটককৃতরা হলেন মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, এ এস আই, বুড়িচং থানায় কর্মরত একই থানার পুলিশ সদস্য মোঃ মোরশেদ, মোঃ মফিজ, সি এনজি চালক। আটকের সময় গাঁজা বিক্রির ১৪ হাজার টাকা ও বিভিন্ন ব্রান্ডের ৫ টি মোবাইল উদ্ধার করেন র্যাব সদস্যরা।
আটকের পর থানায় এজাহার দাখিরের সময় ধৃত আসামিদের কর্মস্থল বুড়িচং থানা হলেও কোনো অদৃশ্য কারণে ব্যাব সদস্য ও থানা কর্তৃপক্ষ এজাহারে পুলিশ সদস্য নামের তথ্য গোপন করে আইনলংঘন করেছেন।
জানা গেছে ২ জুন রাত অনুমান ০৮ টার দিকে কুমিল্লা ব্যাব এর একটি দল গোপস সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে একটি মাদক বিক্রির সংঘবদ্ধ দল মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে সি এনজিযোগে কুমিল্লার দিকে যা্্চেছন।
এ সময় অভিযানিক দলটি বুড়িচং থানাধীন ভরাসার শাকিস্থ¯আশা অফিস সংলগ্ন সাহারা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের সামনে পাকা রাস্তার ওপরে চেক পোস্ট ¯স্থাপন করে সন্দেহভাজন সি এনজি তল্লাশী করতে থাকেন।
তল্লাশীর একপর্যায় সন্দেহ ভাজন সি এনজিকে থামার সংকেত দিলে গাড়ি চালিয়ে চালকসহ তিনজন পালানোর চেষ্টাকরলে র্্যাব সদস্যরা তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হন এবং অন্যজন কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। আটতকৃত ব্যক্তিরা নিজেদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করলেও পলাতক ব্যক্তির নাম পরিচয় জানেনা বলে জানায়।
আটকের পর প্রত্যক্ষদর্শী আবুল কালাম, ও শ্রী লক্ষণ চন্দ্র দাস এর সম্মূখে র্যাব সদস্যরা আটককৃতদের দেহ ও সি এনজি তল্লাশীর সময় দুইটি চটের বস্তায় রক্ষিত খাকি রংয়ের স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো ষোল ব্যান্ডেল অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা যার প্রতি ব্যান্ডেলের ওজন ২.৫ কেজি হিসেবে ষোল ব্যান্ডেলের ওজন ৪০ কেজি উদ্ধার করনে। এছাড়াও গাঁজা বিক্রির নগদ ১৪ হাজার টাকা ও বিভিন্ন ব্রান্ডের ৫টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
আটকের পর তাদের পুলিশ সদস্য নাম গোপন করা হলো কেন ,এসব বিষয় জানার জন্য কুমিল্লা পুলিশ সুপার এর মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোনকল গ্রহণ করেননি।
হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোনো জবাব দেননি। বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে জানতে চাইলে তিনি অপরাধ বিচিত্রাকে জানান ,আমি ছুটিতে আছি মামলা সম্পর্কে আমার মনে নাই।
তাহলে ছুটি শেষে আমি থানায় গিয়ে বলতে পারবো। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আতিকুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও ফোনকর গ্রহণ করেননি।
| মামলার এজাহারকারী কর্মকর্তা (বাদী) কুমিল্লা র্যাব -১১ সিপিসি -২ এর ডি এডি মজিবুর রহমান অপরাধ বিচিত্রাকে বলেন , আমি অফিসের বাইরে আছি আমি আ্পনাকে ক্যাম্পে গিয়ে আগামিকাল দশটার দিকে বিষয়টি বুাঝিয়ে বলব। আপনি এজাহারকারী আপনি কোনো চাপে কিংবা কোনো মহলের নির্দেশে তাদদের পুলিশ পরিচয় গোপন রাখছেন। এমন প্রশ্বেও জবাবে একই বক্তব্য দিয়ে বলেন, আপনি একদিন অপেক্ষা করেন। |

