মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার টিলাগাঁও ইউনিয়নে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে হাজেরা বেগম (১৪) নামে এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে প্রকাশ্যে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে এক বখাটে।
রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ইউনিয়নের চাউরউলি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী হাজেরা বেগম মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে রুহুল আমিন (১৫) নামে এক বখাটে তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এতে গুরুতর আহত ওই মাদ্রাসা ছাত্রী বর্তমানে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বখাটে রুহুল আমিনের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে হাজেরার ওপর হামলা চালায়।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, টিলাগাঁও ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে হাজেরা বেগম স্থানীয় চাউরউলি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে হাজেরাকে একই গ্রামের আবদুল মনাফের ছেলে রুহুল আমিন (১৫) দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় মেয়েটি চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করে এলাকাবাসী। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল এবং সেখান থেকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে রুহুল আমিনকে আটক করেছে পুলিশ। ছাগল নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে চলমান বিরোধের জের ধরেই এই হামালা চালিয়েছে রুহুল আমিন, প্রাথমিকভাবে এমনটাই ধারণা করছে পুলিশ।
কুলাউড়া থানার ওসি মো. ইয়ারদৌস হাসান জানান, মেয়ের বাবা বাদী হয়ে কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত রুহুল আমিনকে আটক করা হয়েছে। সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

