এই শীতে খাদ্যতালিকায় ছয় সুপারফুড

0
585

শীত এসে গেছে। এই সময় সর্দি কাশিসহ ঠাণ্ডাজনিত রোগ হতে পারে। এসব রোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে এমন খাবার খেতে হবে যা শরীরকে উষ্ণ রাখবে, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে এবং সরবরাহ করবে প্রয়োজনীয় পুষ্টি।

Advertisement

 

এসবের জন্য দরকার সুপারফুড। সুপার ফুড হলো এমন খাবার যাতে প্রচুর উদ্ভিদজাত পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। এতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অন্থোসায়ানিন, ভিটামিন সি, বিভিন্ন মিনারেল, ডায়োটারি ফাইবার ইত্যাদি। এসব উপাদান শরীরের ক্ষয়পূরণ, পুষ্টিসাধন ও রোগ প্রতিরোধসহ নানা উপকারে আসে। কিছু সাধারণ সুপারফুড হলো গাঁজর, ডিম, আদা, রসুন, দারুচিনি এবং সরিষা শাক। শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য আপনার খাদ্যতালিকায় আজই এসব সুপারফুড অন্তর্ভুক্ত করুন।

১। গাঁজর

উজ্জ্বল কমলা রঙের সবজি, গাঁজরে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন। এই ছাড়া এ সবজিটি ফাইবার সমৃদ্ধ যা শরীরের ওজন হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন কে। এতে কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেক কম। চোখের স্বাস্থ্য ও ত্বকের উজ্জ্বলতায় এটি অত্যন্ত কার্যকর।

২। ডিম

ডিম এমন এক পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার যা আমরা প্রায় প্রতিদিনই খাই। এটি দস্তা, প্রোটিন এবং লোহার মতো সব প্রয়োজনীয় পুষ্টি সমৃদ্ধ। ডিম সকালের নাস্তার জন্য উপযোগী যা বিভিন্ন উপায়ে খাওয়া যেতে পারে।

৩। আদা

আদা খাবারের হজম বিভ্রাট থেকে মুক্তি দেয়। ঠাণ্ডা লাগা ও ব্যথা কমাতে আদা কার্যকর ভূমিকা রাখে। চা, স্যুপ এবং মাছ, মাংস কিংবা সবজিতে আদা দিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

৪। রসুন

শীতকাল রসুন খাওয়ার জন্য একটি চমৎকার সময়। চূর্ণ এবং কাঁচা উভয় রসুনই সেলেনিয়াম, জার্মানিয়াম এবং সালফাইড্রিল অ্যামিনো অ্যাসিড (সালফারের একটি ফর্ম)-এর চমৎকার উৎস যা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। এই প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিকটি মূত্রনালীর সংক্রমণের জন্য উপকারী। কমায় রক্তচাপ, ব্রঙ্কাইটিস এবং নিউমোনিয়া। ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা ও ফ্লুতে রসুন খাওয়া উচিত। এটি আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।

৫। দারুচিনি

এই শীতে আপনার রান্নাঘরে এই মসলাটি সবসময় রাখা উচিত। সাধারণত লবঙ্গ, জায়ফল এবং অন্যান্য ঔষধি ও মশলায় এটি পরিবেশিত হয়। ক্যালসিয়াম ও লোহার একটি ভালো উৎস দারুচিনি। এটি শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে এবং রক্তে লোহিত কণিকা উৎপন্ন করে। এ ছাড়া রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করতে এটি অপরিহার্য। আপনি সকালের চা ও কফিতে দারুচিনি মিশিয়ে পান করতে পারেন।

৬। সরিষা শাক

সরিষা শাক আপনার পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে একটি। এই শাক ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। আঁশ সমৃদ্ধ এই শাক আপনার লিভার ও রক্তের ক্ষতিকর উপাদান দূর করে। এতে কোলেস্টেরল কম যা ভিটামিন সি’র একটি ভালো উৎস।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here