আমি ভয় পাচ্ছি যে, ভারতেও এটি ঘটতে যাচ্ছে : ইমরান খান

0
602

ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন সরকার মিয়ানমা’র স্টাইলে গণহত্যার পুনরাবৃত্তি করতে ও সংখ্যালঘু মু’সলিম’দের বিতাড়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সতর্ক করে দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইম’রান খান।তুরস্কের সরকারি সংবাদসংস্থা আনাদোলুকে দেয়া বিশেষ এক স্বাক্ষাৎকারে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়কে ভারতীয় গণহত্যা ঠেকানোর আহ্বান জানান।

Advertisement

পাক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের নতুন বিতর্কিত আইন জাতীয় নাগকি পঞ্জি (এনআরসি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রায় ৫০ কোটি মানুষকে দেশটির নাগরিকত্ব তালিকা থেকে বাদ দেয়া হবে।

তিনি বলেন, মিয়ানমা’রেও ঠিক এ ধরনের কাজই করা হয়েছিল; প্রথমে তারা নিবন্ধন আইন চালু করে এবং এভাবেই তারা মু’সলমানদেরকে বাদ দিয়েছিল এবং তারপরই গণহত্যার ঘটনা ঘটে। আমি ভয় পাচ্ছি যে, ভারতেও এটি ঘটতে যাচ্ছে।

আনাদোলুকে দেয়া বিশেষ স্বাক্ষাৎকারে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, আফগানিস্তান, তুরস্কের সঙ্গে স’ম্পর্ক, দেশীয় অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রতিবেশি ভারতের সঙ্গে স’ম্পর্ক এবং অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে ভারতের নেয়া পদক্ষেপসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন পাকিস্তানের এই প্রধানমন্ত্রী।

ভারতের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে অ’ভিবাসীদের ঢল নামতে পারে কিনা; এমন প্রশ্নের জবাবে ইম’রান খান বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আসাম রাজ্যের নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়াদের নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উদ্বিগ্ন; কারণ আসামে প্রায় ২০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব হা*রিয়েছেন। আমি সঠিক সংখ্যাটা জানি না। কিন্তু এসব মানুষের ভাগ্যে কী’ ঘটবে?

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক উত্তে’জনার ব্যাপারে পাকিস্তানের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখনও এ দুই দেশের মাঝে উত্তে’জনা বিরাজ করছে। কিন্তু আত্মতৃপ্তির বিষয় হলো কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আপাতত একটি যুদ্ধ এড়ানো গেছে।

ইম’রান খান বলেন, আম’রা আমাদের ভূমিকা পালন করেছি এবং উত্তে’জনা কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। তবে এই সঙ্কটের অবশ্যই স্থায়ী সমাধান আনতে হবে। চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের সমালোচনা ও চীনের ঋণের বেড়াজালে পাকিস্তানের আ’ট’কে যাওয়ার আশ’ঙ্কা প্রত্যাখ্যান করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পাকিস্তান চীনের ঋণের ফাঁদে ডুবে যাচ্ছে; এই ধারণাটি ভিত্তিহীন।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here