বন্যার সময় বানভাসিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ এবং শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ সহ নানা রকম জনহিতকর কাজ করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। তরুণ এই নেতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত হয়ে অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবা করে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগকে করেছেন শাক্তিশালী। মানুষের সেবা করাকেই তিনি মহান পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।তিনি আরো বলেন, আমি দলের স্বার্থে সব কিছু করতে পারি এমনকি জীবন দিতে প্রস্তুত কিন্তু আদর্শ থেকে বিচ্যুত হতে পারবো না। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে এককভাবে মনোনয়ন পেয়ে মঞ্জুরুল আলম রাজীব এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও ভোটারদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে দোয়া ও সমর্থন চেয়ে যাচ্ছেন। তিনি সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী ডা.এনামুর রহমানের পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ, ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট চেয়ে নৌকার জয় নিশ্চিত করেন।তাই সাভার বাসি পেল স্বাধীনতার পর প্রথম দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীকে।
দলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করা এই আওয়ামী লীগ নেতা উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে।সাভার-আশুলিয়ার নেতা কর্মীরা ত্যাগী নেতা মঞ্জুরুল আলম রাজীবকে তাদের আইকন মনে করেন।
মঞ্জুরুল আলম রাজীব আমাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে এবং শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যাচ্ছি। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নেতা কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করছি এবং ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। ইনশাল্লাহ বিশাল জয়ে বিজয়ী হয়ে, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাব। আমি সর্বশেষ একটা কথাই বলতে চাই, আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কলম ও অস্ত্র ধরেছিলেন এই দেশকে স্বাধীন করার জন্য। সে কারণে আমাদের ঘর গান পাউডার দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তারপর ও আমার বাবা থেমে থাকেনি।আমি তারই ছেলে, আমি আমার দেশ, জাতি ও দলের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।

