বিশেষ প্রতিনিধিঃ রাজধানীর তুরাগ থানাধনি বিমানবন্দর রানওয়ে দলিপাড়া এরাকায় দীর্ঘ দিন যাবৎ গড়ে ওঠেছে কিছু বেকারি সামগ্রী কারখানা। উক্ত কারখানা গুলোর ভিতরের খাদ্য(বেকারি সামগ্রী) উৎপাদনের জন্য যে আধুনিকায়নের ছোয় থাকার কথা থাকলে তা দেখা মেলেনি। গত ২৮ ফেব্র“য়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় দলি পাড়া এক বেকারি সামগ্রী তৈরি কারখানায় (একতা বেকারি) ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক গেলে দেখে যায় তাদের বেকারি পরিবেশ অত্যান্ত নোংরা। কারখারর ভিতরে দেখাযায় আলোর সল্পতা,মাকড়সার জাল, এবং যেখানে সেকানে ইঁদু,তেলাপোকার চলাচল। এবং আরো দেখা যায় হাতের দস্তানা(গ্লাপস) ও খাদ্য সামগ্রী তৈরির সময় পোষাক (এ্যাপরন) পরিধান নেই।
এ বিষয়ে কারখানার মালিক বা মালিক পক্ষের লোকের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা বলেন মালিক নেই দেশে গেছে তখন কারখানার দায়িত্বরত একজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারাযায় এ কারখানার মালিক মো:আজাদ । এবং জাতিয় ভেজাল প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা মালিকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলতে চাইলে তারা কথা বলতে চাইলে বেকারি কারখানার দায়িত্বরতরা মালিকের সঙ্গে কথা না বলার ইচ্ছা প্রষন করেন। পরে তাদের বেকারি খাদ্য সামগ্রীর মান সম্পর্কে দেখতে চাইলে দেখাযায় তাদের পণ্য সামগ্রীর পেকেটে থাকা খাদ্য বা পন্য সামগ্রীর তৈরির তারিখ ও মেয়াদ উর্ত্তিন্ন তারিখে কোন লেবেল বা ষ্টিকার নেই। এমনকি তথ্য নিয়ে জানতে পারাযায় বিএসটিআই অনুমোদনও নেই।এদিকে তাদের পন্য উৎপাদরে ধরন(আইটেম) সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলে বিস্কুট ও কেক কিন্তু কারখানার ভিতরে দেখাযায় বিস্কুট ৬/৭ ধরনের কেক ২/৩ ধরনের,চানাচুর,বুরিন্দা লাড্ডু,মিষ্টি সিংগাড়া সহ ২০ ধরনের আইটেম তাদের কারখানায় উৎপাদিত হয়। সূত্রে জানতে পারাযায় নাম মাত্র ট্রেডলাইসেন্স করে এ কারখানার মালিকরা ব্যবসা করছে দীর্ঘ দিন ধরে। একতা কারখানায় আরো দেখাযায় কয়েক জন শিশু শ্রমিক। বর্তমান শিশু শ্রাম আইনত দন্ডনিয়ো অপরাধ এটা শুধু কাগজে কলমেই রয়ে যায়। শিশু শ্রম দন্ডনিয়ো অপরাধ হওয় সত্তেও এ কারখানায় শিশু শ্রমিক দিয়ে কাজ করতে দেখাযায়। বিশ্বে কোন দেশে খাদ্যে ভেজাল না থাকলেও আমাদের দেশে এধরনে খাদ্যে ভেজাল ও অপরিচ্ছনা পরিবেশে বেকারি খাদ্য তৈরি হতে দেখা যাচ্ছে অহরহ। যা খেয়ে মানুষ বেঁচে থাকে সেই খাদ্যে যারা বা যে সব বেকারি সামগ্রী কারখানা গুলি এ ভাবেই প্রতিনিয়োত খাদ্যে ভেজা দিয়ে মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করে তাদেরকে ভোক্তা অধিকার আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি করে বর্তমান আধুনিক(ডিজিটাল) সমাজ।

