বিচার হবে ৭ ডিবি সদস্যদের, সাক্ষ্যপ্রমাণ মিলেছে

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 12579

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (12579, 'post_views_count', '0')

0

ক্সবাজারে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাত সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।  তাদের আসামি করে ডিসেম্বরের মধ্যেই অভিযোগপত্র দাখিলের জোর চেষ্টা চালাচ্ছে সংস্থাটি। দেশজুড়ে আলোচিত চাঞ্চল্যকর এই অপরাধে জড়িত সাত পুলিশ একসঙ্গে

Advertisement

বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.মনিরুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, তদন্ত শেষ করে এনেছি।  এই মাসের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার খুব চেষ্টা করব।  যদি নাও পারি অবশ্যই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দেব।
অভিযোগের সপক্ষে সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্তাধীন বিষয় প্রকাশ করা উচিৎ হবে না।  তবে এতটুকু বলতে পারি, ফাইনাল রিপোর্ট নয়, চার্জশিট হওয়ারই সম্ভাবনা বেশি।
গত ২৫ অক্টোবর ভোরে টেকনাফ উপজেলার মেরিন ড্রাইভ সড়কের শাপলাপুর এলাকায় একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালায় সেনাবাহিনী।  গাড়িতে ডিবির সাত সদস্য ছিলেন।  সেনা সদস্যরা ডিবির ছয় সদস্যকে আটক করেন।  এসময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হওয়া একজনকে পরে আটক করে পুলিশ।
ব্যবসায়ী গফুরকে কক্সবাজার শহর থেকে আটকের পর টেকনাফে নিয়ে ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়।  সেই টাকা নিয়ে ফেরার পথে সেনাচৌকিতে তল্লাশির মুখে পড়েছিলেন পুলিশ সদস্যরা।

ছাড়া পেয়ে গফুর সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।  পুলিশ সদস্যরা হলেন, এসআই মনিরুজ্জামান, গোলাম মোস্তফা ও আবুল কালাম আজাদ, এএসআই ফিরোজ আহমেদ, আলাউদ্দিন ও নূরুজ্জামান এবং কনস্টেবল মোস্তফা।
সূত্রমতে, আটকের পরই তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদন জমা দেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আফরুজুল হক টুটুল।  এরপর সাতজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া ডিবির সাত সদস্য এখনো কারাগারে আছেন বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
সূত্রমতে, ৩০ অক্টোবর মামলাটির তদন্তভার নেয় পিবিআই। তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি সদস্যদের আটকের সময় উপস্থিত সেনাসদস্যদের বক্তব্য নেন।  আটকের সময়ের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেন।  আসামিদেরও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here