গাজা তেলাবিব লেবাননে নিক্ষেপিত অস্ত্রে সাদা ফসফরাস নামক দাহ্য পদার্থ ব্যবহার

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 74407

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (74407, 'post_views_count', '0')

0

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃসন্ত্রাসী ইহুদি জংগী সম্প্রদায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ও লেবাবনে চলমান হামলায় সাদা ফসফরাস নামক দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করছে।ইসরাইলীদের এই পৈচাশিক ও বিধ্বংসী অস্ত্রবাজির তথ্য প্রকাশ করেছে  মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।খবর আল জাজিরা, রয়টার্সের ও বিবিসির।

Advertisement

নিউইয়র্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, সাদা ফসফরাসের ব্যবহার বেসামরিক নাগরিকদের গুরুতর ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিতে ফেলছে।

সাদা ফসফরাস এতটাই দাহ্য যে এতে ৮০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উত্তাপ তৈরি হয়। এতে অনেক ধাতব পদার্থও গলে যায়। এ রাসায়নিকে মানুষ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হতে পারে, ঘরবাড়িতে আগুন ধরে যেতে পারে।জনবহুল এলাকায় এর ব্যবহার বেআইনি।

ইসরায়েলি বাহিনী তাদের কামানের গোলায় এই ফসফরাস ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটি আরো  বলেছে, গাজা ও লেবাননে হামলার ধারনকৃত ভিডিও বিশ্লেষণ করে  এটা প্রমানিত হয়েছে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদা ফসফরাস অক্সিজেনের সংস্পর্শে এলে জ্বলে ওঠে।এতে ৮০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উত্তাপ তৈরী হয় এবং  ঘন সাদা ধোঁয়া তৈরি করে। বিশেষ করে কোন জনবহুল এলাকায় এ রাসায়নিক যখন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন তা অত্যন্ত বিপজ্জনক আকারে প্রকাশিত হয়।

অপর দিকে, ইসরায়েলের সেনাবাহিনী রয়টার্সকে জানিয়েছে, গাজা ও পশ্চিম তীরে সাদা ফসফরাযুক্ত অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে  তারা অবগত নয়। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী লেবাননে এ অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে কিনা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

আল-জাজিরা অপর একটি সংবাদে জানায়, গাজায় ইসরায়েলের সাদা ফসফরাস ব্যবহারের নিন্দা জানিয়েছেন মার্কিন কংগ্রেসম্যান ম্যাক্সওয়েল ফ্রস্ট। ডেমোক্র্যাট এ আইনপ্রণেতা আরো বলেছেন,এতো  নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানিতে তাঁর হৃদয় ভেঙে গেছে। গাজার বাসিন্দারা বর্তমান এই পরিস্থিতিকে পৃথিবীর নরক বলে অভিহিত করেছেন।বর্তমানে গাজায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ বসবাস  করেছে, এর অর্ধেকই শিশু।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here