চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: ভাল-মন্দের এক প্রশ্নের জবাবে অপরাধ বিচিত্রাকে বলেন, প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজ কৃতকর্মের জন ভাল ও মন্দের পরিচয়টি বহন করে। আমি ভালো হলে জনগণ অবশ্যই আমায় ভাল বলবে। জনগণের সাথে কথা বলে জানেন আমি ভাল না মন্দ। ৩৮নং ওয়ার্ডের মেহনতি মানুষের ভালবাসার বন্ধনে আমি আবদ্ধ। ৩৮নং ওয়ার্ডের জনগণ যদি ভাল থাকে তাতেই আমার ভালা থাকা। তিনি আরো বলেন, দল ও জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি নি:স্বার্থভাবে কোন কিছু পাওয়ার আশায় নয়। দীর্ঘ ঊনিশ বছর দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশনেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শকে লালন করে রাজনীতি করি। দুঃসময়ে দলের সাথে ছিলাম আর আগামীতেও থাকবো, কোন কিছু পাওয়ার আশায় নয়। দলের ছোট কিংবা বড় পদে নেই তাতে কিছু যায় আসে না। মুজিব কে ভালবাসি, মুজিবের কর্মী হিসেবে তো দাবী করতে পারি।
আগামীতে ৩৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচন করার ইচ্ছা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন জনগণ চাইলে কেন নয়, দলের নীতি নির্ধারকেরা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন এমনটাই আশা করি। তরুণ ত্যাগী কর্মী আবু সাঈদের জন্ম ১৯৭৫ সালের ৭ই ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানার চাড়াখালী গ্রামের এক সম্ভন্ত্র পরিবারে জন্ম। পিতা: মো: সুলতান সিকদার মাত আলেয়া বেগম। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে আবু সাঈদ দ্বিতীয়। পড়াশুনা করেছেন নিজ জেলায়। পড়াশুনার ফাকে দলকে সময় দিয়েছেন দলের সাথে নিজেকে সার্বক্ষণিক সম্পৃক্ত রেখেছিলেন।
স্মরণীয় সেই দিনের কথা মনে করে তিনি বলেন দলের জন্য কিনা করেছি। টিফিনের টাকা জমিয়ে সহপাঠীদের কাছ থেকে ধার করে গ্রাম থেকে চাঁদা উঠিয়ে সেই জমাকৃত টাকা দিয়ে যুব সংঘ ক্লাব ঘর করেছিলাম। সুস্থ ধারার রাজনীতি করার জন্য যুব সমাজকে তখন আহ্বান করেছিলাম। অনেকেই এসেছেন এবং দলের সাংগঠনিক কাজে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন মোট কথা দলকে সুসংগঠিত করার জন্য অতীতে অনেক কষ্ট করেছি। আর আগামীতেও করে যাবো ইনশা-আল্লাহ। এভাবেই ছিল রাজনীতির পথ চলা। একটা সময় বিএনপি জামাতের সন্ত্রাসীরা বাড়ীঘর এবং ক্লাব ঘর জালিয়ে দেয়। তখন অনেকেই ঝরে পড়ে।
সেই দুঃসময়ে আমি দল ছেড়ে যাইনি। জামাত শিবিরে শক্ত ঘাটি ছিল রাজাপুর, ওরা দলের অনেক কর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, মা বোনদের সম্ভ্রমহানীও করেছে। তখন অনেক কর্মী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়, দলের সেই দুঃসময়ে আমি কিন্তু পালিয়ে যাইনি। তখন আমিই নেতৃত্ব দিয়ে গিয়েছিলাম দলের হয়ে। একটা সময়ে জামাত শিবিরের সন্ত্রাসীরা আমাকে মেরে ফেলার টার্গেট করে। তখন বাবা মায়ের আকুতি মিনতির কারণে থেমে আর থাকতে পারি নাই। অবশেষে চট্টগ্রাম চলে আসি।
বন্দর থানার এরিয়ার কলসী দিঘীর পাড় ছোট একটা বাসা নিয়ে থাকি। একটাই নেশা ছিল দলকে ভালবাসার নেশা। দলের সাথে নিজেকে কিভাবে সম্পৃক্ত রাখা যায় দলকে সুসংগঠিত করা রজন্য কাজ করে যাচ্ছি। তরুণ কয়েকজনকে নিয়ে ছোট একটা ক্লাব ঘর তৈরি করেছি। যার নাম দিয়েছিলাম চট্টগ্রামস্থ দক্ষিণবঙ্গ আওয়ামী লীগ। সেই ২০০১ সাল থেকে গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের নি:স্বার্থভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। বন্দর ইপিজেড গার্মেন্টস পাড়া নামে খ্যাত এই কলসী দিঘীর পাড় এরিয়ার গরীব দুঃখী মেহনতী শ্রমিকদের বসবাস। শ্রমিকরা পাশে আছেই। মোট কথা সকল ধর্ম বর্ণের সব শ্রেণীর মানুষের ভালবাসয় আজ সিক্ত।
আজ দলের সাংগঠনিক কাজে হাজারও মানুষকে কাছে পাই এটাই বড় প্রাপ্তি। সকলের সহযোগীতায় বড় পরিসরে আওয়ামী লীগ সংগঠন করেছি। জাতীয় শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। এখানে থেকে দল ও জনগণের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এখানে শ্রমিকেরাই সেবা পাবে তা নয় সকল শ্রেণী পেশার মানুষেরা সেবা পাচ্ছে। ২২শে জুন ২০১৯ইং তারিখ ৩৮নং ওয়ার্ডের মহানগর, জাতীয় শ্রমিক লীগ ৫১ সদস্যের কমিটির অনুমোদন দিয়েছে সেখানে আপনি একটি বড় পদে আছেন। এই কমিটির ব্যাপারে আপনার প্রতিক্রিয়া কি?
মো: জয়নাল আবেদিত সভাপতি বন্দর থানা, মো: আবু সাঈদ সাধারণ সম্পাদক বন্দর থানা, কার্যকরী সভাপতি হাজী নুরুল আমিন কন্ট্রাক্টর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মনির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: ইকবাল সহ মোট ৫১ সদস্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগ বন্দর থানা কমিটির যে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে আমার পক্ষ থেকে মহানগর সভাপতি শ্রদ্ধেয় বখতিয়ার ভাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করিতেছি। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
দায়িত্বের চেয়ে দায়িত্ব পালন করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। চেষ্টা করবো সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে। ৩৮নং ওয়ার্ডের শ্রমজীবি মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাবো। এমনটাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি। জানিনা কতটুকু সেবা দিতে পারবো। তবে সকলের কাছে দোয়া চাই। নিজেকে বিতর্কের বাইরে রেখে সকল শ্রেণী পেশার শ্রমজীবি মানুষের সেবা করে যাবো। দলকে সুসংগঠিত করে আরো শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবো ইনশা-আল্লাহ।
৩৮নং ওয়ার্ডের বতমান কাউন্সিলরের উন্নয়নমূলক কাজের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভালমন্দ জানিনা জনগণই মূল্যায়ন করবে। আর আপনারা খোজখবর নিয়ে দেখেন ভাল কি করেছে আর মন্দ কি করেছে, আমার বলার কিছু নেই। পারিবারিক বিষয়ে জানতে চাইলে। তিনি বলেন সহধর্মিনী সুমী আমাকে সব সময় উৎসাহ ও সাহস যুগিয়েছেন, দুই ছেলে ও পরিবার নিয়ে বেশ সুখেই আছি। আরেকটা বিষয়ে না বললেই নয়। নতুন কমিটিতে শ্রদ্ধেয় বড় ভাই এবং সহকর্মী যারা আছেন তারা খুব ত্যাগী, সৎ, কর্মঠ ও শ্রমিক বান্ধব। আমরা কাধে কাধ মিলিয়ে দল ও জনগণের পাশে থেকে এগিয়ে যাবো ইনশা-আল্লাহ।
মরণীয় সেই দিনের কথা মনে করে তিনি বলেন দলের জন্য কিনা করেছি। টিফিনের টাকা জমিয়ে সহপাঠীদের কাছ থেকে ধার করে গ্রাম থেকে চাঁদা উঠিয়ে সেই জমাকৃত টাকা দিয়ে যুব সংঘ ক্লাব ঘর করেছিলাম। সুস্থ ধারার রাজনীতি করার জন্য যুব সমাজকে তখন আহ্বান করেছিলাম। অনেকেই এসেছেন এবং দলের সাংগঠনিক কাজে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন মোট কথা দলকে সুসংগঠিত করার জন্য অতীতে অনেক কষ্ট করেছি।
আর আগামীতেও করে যাবো ইনশা-আল্লাহ। এভাবেই ছিল রাজনীতির পথ চলা। একটা সময় বিএনপি জামাতের সন্ত্রাসীরা বাড়ীঘর এবং ক্লাব ঘর জালিয়ে দেয়। তখন অনেকেই ঝরে পড়ে। সেই দুঃসময়ে আমি দল ছেড়ে যাইনি। জামাত শিবিরে শক্ত ঘাটি ছিল রাজাপুর, ওরা দলের অনেক কর্মীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, মা বোনদের সম্ভ্রমহানীও করেছে। তখন অনেক কর্মী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়, দলের সেই দুঃসময়ে আমি কিন্তু পালিয়ে যাইনি। তখন আমিই নেতৃত্ব দিয়ে গিয়েছিলাম দলের হয়ে। একটা সময়ে জামাত শিবিরের সন্ত্রাসীরা আমাকে মেরে ফেলার টার্গেট করে। তখন বাবা মায়ের আকুতি মিনতির কারণে থেমে আর থাকতে পারি নাই।
অবশেষে চট্টগ্রাম চলে আসি। বন্দর থানার এরিয়ার কলসী দিঘীর পাড় ছোট একটা বাসা নিয়ে থাকি। একটাই নেশা ছিল দলকে ভালবাসার নেশা। দলের সাথে নিজেকে কিভাবে সম্পৃক্ত রাখা যায় দলকে সুসংগঠিত করা রজন্য কাজ করে যাচ্ছি। তরুণ কয়েকজনকে নিয়ে ছোট একটা ক্লাব ঘর তৈরি করেছি। যার নাম দিয়েছিলাম চট্টগ্রামস্থ দক্ষিণবঙ্গ আওয়ামী লীগ। সেই ২০০১ সাল থেকে গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের নি:স্বার্থভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। বন্দর ইপিজেড গার্মেন্টস পাড়া নামে খ্যাত এই কলসী দিঘীর পাড় এরিয়ার গরীব দুঃখী মেহনতী শ্রমিকদের বসবাস। শ্রমিকরা পাশে আছেই। মোট কথা সকল ধর্ম বর্ণের সব শ্রেণীর মানুষের ভালবাসয় আজ সিক্ত।
আজ দলের সাংগঠনিক কাজে হাজারও মানুষকে কাছে পাই এটাই বড় প্রাপ্তি। সকলের সহযোগীতায় বড় পরিসরে আওয়ামী লীগ সংগঠন করেছি। জাতীয় শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। এখানে থেকে দল ও জনগণের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এখানে শ্রমিকেরাই সেবা পাবে তা নয় সকল শ্রেণী পেশার মানুষেরা সেবা পাচ্ছে। ২২শে জুন ২০১৯ইং তারিখ ৩৮নং ওয়ার্ডের মহানগর, জাতীয় শ্রমিক লীগ ৫১ সদস্যের কমিটির অনুমোদন দিয়েছে সেখানে আপনি একটি বড় পদে আছেন। এই কমিটির ব্যাপারে আপনার প্রতিক্রিয়া কি?
মো: জয়নাল আবেদিত সভাপতি বন্দর থানা, মো: আবু সাঈদ সাধারণ সম্পাদক বন্দর থানা, কার্যকরী সভাপতি হাজী নুরুল আমিন কন্ট্রাক্টর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মনির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: ইকবাল সহ মোট ৫১ সদস্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগ বন্দর থানা কমিটির যে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে আমার পক্ষ থেকে মহানগর সভাপতি শ্রদ্ধেয় বখতিয়ার ভাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করিতেছি। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। দায়িত্বের চেয়ে দায়িত্ব পালন করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। চেষ্টা করবো সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে।
৩৮নং ওয়ার্ডের শ্রমজীবি মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাবো। এমনটাই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি। জানিনা কতটুকু সেবা দিতে পারবো। তবে সকলের কাছে দোয়া চাই। নিজেকে বিতর্কের বাইরে রেখে সকল শ্রেণী পেশার শ্রমজীবি মানুষের সেবা করে যাবো। দলকে সুসংগঠিত করে আরো শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবো ইনশা-আল্লাহ। ৩৮নং ওয়ার্ডের বতমান কাউন্সিলরের উন্নয়নমূলক কাজের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভালমন্দ জানিনা জনগণই মূল্যায়ন করবে। আর আপনারা খোজখবর নিয়ে দেখেন ভাল কি করেছে আর মন্দ কি করেছে, আমার বলার কিছু নেই।
পারিবারিক বিষয়ে জানতে চাইলে। তিনি বলেন সহধর্মিনী সুমী আমাকে সব সময় উৎসাহ ও সাহস যুগিয়েছেন, দুই ছেলে ও পরিবার নিয়ে বেশ সুখেই আছি। আরেকটা বিষয়ে না বললেই নয়। নতুন কমিটিতে শ্রদ্ধেয় বড় ভাই এবং সহকর্মী যারা আছেন তারা খুব ত্যাগী, সৎ, কর্মঠ ও শ্রমিক বান্ধব। আমরা কাধে কাধ মিলিয়ে দল ও জনগণের পাশে থেকে এগিয়ে যাবো ইনশা-আল্লাহ।

