টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা আসছেন। কোনোমতেই থামছে না রোহিঙ্গা শরনার্থীর প্রবেশ। রাখাইন রাজ্যে থেকে পালিয়ে এসে কক্সবাজারের টেকনাফে গত দু’দিনে ৩৬৫ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ৩২ পরিবারের আরও ১১৫ জন রোহিঙ্গা শিশু, নারী ও পুরুষ সাবরাং
ইউনিয়নের হারিয়াখালী ত্রাণ কেন্দ্রে এসে পৌঁছেন। এর আগের দিন ২৫০ জন রোহিঙ্গা আসেন। সদ্য অনুপ্রবেশকারী আরফা বেগম (৪৫) নামে এক রোহিঙ্গা শরণার্থী বলেন, যেসব রোহিঙ্গা সেদেশে রয়ে গেছে তাদের দেশ ছাড়ার জন্য হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। সেখানে এখনও নির্যাতন থামেনি বলে জানান তিনি। বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর সাবরাং হারিয়াখালী ত্রাণকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করা জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নাফনদী পেরিয়ে নতুন করে ৩২ পরিবারের আরও ১১৫ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। সোমবার ৭৫ পরিবারের ২৫০ জন রোহিঙ্গা প্রবেশ করেন। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক জানান, অনুপ্রবেশকারী প্রতিটি পরিবারকে চাল, ডাল, সুজি, চিনি, তেল, লবণের একটি করে বস্তা দিয়ে গাড়ি যোগে টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরে পাঠানো হয়েছে। এখনও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে।

