শ্রাবন্তী হিজরা বাহিনীর বেপোরোয়া চাঁদাবাজী ও ছিনতাই

0
1327

Advertisement

 

স্টাফ রির্পোটা: রাজধানীতে দিন দিন চাঁদাবাজি সন্ত্রাসসহ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে হিজড়ারা বাহিনী !উৎপাত বেশি গুলশান, বনানী, মহাখালী, সাতারাস্তা, মগবাজার, কাওরান বাজার , সোসাইটি এলাকা ভাটারা সহ নামিদামি নতুন ফ্ল্যাট গুলোকে নির্মাণ করলে দেয়া হচ্ছে মোটা অংকের চাঁদা। মাসিক প্রতিদিন চাঁদাবাজি এলাকাভিত্তিক ঘুরে ঘুরে মহড়া দেয় ৮/১০/টি অটো ও সাথে থাকে অনেক সঙ্গ পঙ্গ বাহিনী। বনানী এলাকা সহ মহড়া দেওয়া তাদের কাজ। চাঁদাবাজি সন্ত্রাসসহ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে হিজড়ারা আসল হিজড়া, নকল হিজড়া; চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপরাধী সমন্বয়ে গড়ে ওঠা ‘হিজড়া গ্রুপের’ হয়রানি আর অত্যাচারে নাগরিক জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। রাজধানীর সর্বত্র দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এ ‘বাহিনী’। বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নামে বিভক্ত হয়ে অভিজাত এলাকা থেকে শুরু করে সর্বত্র চাঁদাবাজিতে জড়িয়েছে তারা।

তাদের তৎপরতা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না বাসাবাড়ি কিংবা অফিসের লোকজনও। ইদানীং হিজড়াদের তৎপরতা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে সবচেয়ে চাঁদাবাজি চলছে বনানী, মহাখালী ,চেয়ারম্যান বাড়ি সিঙ্গেল সিঙ্গেল মনগড়া মত চাঁদা আদায় করছে হিজরা বাহিনী! স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজর দেওয়া খুবই প্রয়োজনীয়. !গুলশান, ও ভাটারা থানা এলাকায়। তারা দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে বাসাবাড়ি, দোকানপাট, ব্যবসা কেন্দ্র এমনকি অফিসে অফিসেও হানা দিচ্ছে। ধার্য করে দিচ্ছে চাঁদার টাকা। কখনো ২৪ ঘণ্টা, কখনো বা তিন দিন পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে টাকা দেওয়া না হলে তুলকালাম কাণ্ড ঘটাচ্ছে তারা।অশ্রাব্য গালাগাল, নগ্ননৃত্য প্রদর্শন, বেপরোয়া ভাঙচুর চালানো, যাকে তাকে মারধর করাসহ নানা রকম সহিংসতায় মেতে ওঠে হিজড়ারা। ভুক্তভোগীরা বলছেন, হিজড়াদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ করেও কোনো সুফল মেলে না। যে কারণে তারা দিনদিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের দাবি, হিজড়াদের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে অভিযোগ পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গেছে, আগে হিজড়ারা শিশু নাচালে পরিবারের সদস্যরা সামর্থ্য অনুযায়ী যে টাকা দিতেন হিজড়ারা তা-ই নিয়ে যেত। কিন্তু কয়েক বছর ধরে তাদের অত্যাচার বেড়ে গেছে। শিশু নাচানোর নাম করে ১০-৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে।রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী, শুধু ওই বাসায়ই নয়; এরকম ঘটনা উত্তরার আরও অনেকের বাসায় চক্রের সদস্যরা দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে রাস্তার মোড়, বাজার মুখে, বাসস্ট্যান্ডসহ অলিগলিতে ওঁত পেতে থাকে। এসব স্থানে একাকী কোনো পথচারীকে পেলেই নানাভাবে নাস্তানাবুদ করাসহ রীতিমতো ছিনতাই চালায় তারা।

অভ্যন্তরীণ বিরোধ রাজধানীতে চাঁদাবাজি ও এলাকার আধিপত্য নিয়ে সম্প্রতি হিজড়া সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরীণ বিরোধ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। হিজড়ারা কয়েকটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পারস্পরিক বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে। কিছু দিন আগে শ্যামবাজার, মাহুতটুলী, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, বাড্ডাসহ রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে হামলা, মারধর ও সংঘর্ষে হিজড়া নেত্রী দিপালীসহ অন্তত ৩০ জন হিজড়া রক্তাক্ত জখম হয়েছে বলে জানা গেছে।বেশি ভাগ হিজলা বেশ স্বপ্নাসহ কয়েকজন জানান- প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া প্রকৃত হিজড়ারা এখন হিজড়াবেশী পুরুষ নুরা হিজলা চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে লিঙ্গচ্ছেদ করে কৃত্রিমভাবে হিজড়ায় রূপান্তর হওয়া পুরুষরা জোট বেঁধে প্রকৃত হিজড়াদের ওপর জোর-জুলুম ও নির্যাতন চালাচ্ছে। এসব নিয়ে রাজধানীর ১৭টি থানায় ৩০টি মামলা রয়েছে।

গডফাদার শ্রাবন্তী শেল্টারে রাতের কর্মকাণ্ড সৈনিক ক্লাব রেলওয়ে আঁখি লাগামহীন অপকর্মের ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল। মহাখালী টাঙ্গাইল বাস স্ট্যাপ, তিব্বত ,নাবিস্কো, সাতরাস্তা, হাতির ঝিল, নেভিগেট, নোবাহিনী অধিদপ্তর, ঢাকা গেট, বিভিন্ন এলাকা সবকিছুই শ্রাবন্তী আখি ও রাত্রির দখলে ! এসব অপকর্ম সহযোগিতা করছেন দুই একজন অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা! কিছু হলে আখির মোবাইলে মেসেজ চলে যাচ্ছে অবিরাম কায়দা চলছে রাতের আধারের ছিনতাই রাহাজানি ! হিজলা আঁখি প্রিয়া নামের অল্পবয়সী কিছু তরুণী দিয়ে যুবকদের ফাঁদে ফেলা তার কাজ!সে ফাঁদে পা দিলে মোবাইল মানিব্যাগ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।

সাথে চলে অমানুষিক নির্যাতন, এবং মাদক বেচাকেনা করার জন্য কিছু আবাসিক হোটেলের দালাল তাদের হাতে রেখেছেন হাঁটার মাঝে দিয়ে চলে মাদক বেচাকেনা। পুলিশের অভিযান বিভিন্ন সময় এই চক্রটি সদস্যদের গ্রেফতার করলেও পরবর্তীতে জামিনে এসে আবার পুনরায় শুরু করে তাদের সেই বানিজ্য। প্রতিটি স্পট হিজলা আঁখি নিজেই নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। একটি সূত্র জানিয়েছে !নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেখানে এক পতিতা বলেন এই আখি এতই ভয়ঙ্কর যে অর্থ এলাকায় ছিনতাই চুরি ফিটিং মানুষের ব্যাক কাটার থেকে শুরু করে মাদক বেচাকেনা সব কিছুই হয় হিজলা আখির নেতৃত্বে। পুলিশ ম্যানেজ করার মতো কাজ পরিচালনা করেন আরেক মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের সোর্স !

অভিযোগ রয়েছেন মাঠে কাজ করছে ১২ জন যুবতী নারী !হোটেল দালাল চক্রের সদস্য তাদের নামে রয়েছেন বনানী থানা একাধিক মামলা! হত্যা ‘চুরি’ ছিনতাই ,মাদক, থেকে শুরু করে এমন কোন অপরাধ নেই তারা করেনি। তবু ও এই চক্রটি ধরা ছোঁয়ার বাইরে !

 

 

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here