বনানীতে ফরিদের বেপোরোয়া চাঁদাবাজী

0
783

হাবিব সরকার স্বাধীনঃ
দিন দিন ভেরে চলেছে ভিবিন্ন এলাকায় ভিবিন্ন রুপে চাঁদাবাজি। কেউ পুলিশের নামে চাঁদাবাজি। কেউ করছে কাউন্সিলার নাম ভাংগীয়ে চাঁদাবাজী। অথবা সেই বেক্তি নিজের হয়ে যায়। আওমীলিগের বড় নেতা। আসুন আমরা আজ সেই আওমীলীগ নামধারী সেই চাঁদাবাজ, ফরিদের মুখোশ খুলে দেই, চাঁদাবাজ ফরিদ কখনো বিএমপি..কখনো আওমীলীগ, কখনো জামাত ইসলাম, অথবা কখনো মসজিদের সভাপতি, সব কিছুই তার দ্বায়িতে চলে। শুধু তাই নয় এই ফরিদ ছিলো একজন দিন মজুর, দিন আনতে যার পান্তা ফুরাত, আজ সে এলাকার ডন বলে দাবি করে। বলে শুনা যায়। চাঁদাবাজ ফরিদের নামে এলাকায় সবই চলে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়। ফরিদ ছিলো পচা কলার ব্যবসায়ী তার চাহিদা ছিলো ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কিন্ত এখন তার চাহিদা অনেক বেশি এলাকার কিছু ছিটকে চোর ও কিছু মাস্তান হাত করে। নিজেকে হিরো বলে দাবি। করছেন, ফরিদ, তার ফোনের কথায় চলে এসে পুলিশ বাহিনী..আরো কিছু মাস্তান বাহিনী, সেই সু বাধে তাদের ও মাশহারা দিতে হয়। আসুন টাকা কোথায় থেকে আসে এই তথ্য তুলে ধরি। এভার বরিশালের এই ফরিদ মামলার ভয়ে পারি দিয়েছে ঢাকায়, এসে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন, এভাবে অনেক বার পুলিশ তাকে ধরলে ও কোর্টে যেতে হয় না। কিন্তু কেন..??? খুব চালাক ফরিদ সবাইকে হাত করে বিশাল এক বাহিনী গড়ে তুলেছেন। সেই ক্ষমতার দাপটে দখল করে নিয়েছে। ১৮০/ থেকে ২৩০ দোকান তার কথায় চলে। পতিটি ব্যবসায়ী দোকানদার তাকে চাঁদা দিতে হয়। ১৫০ থেকে ২০০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। অসহায় ব্যবসায়ী একদিন চাঁদা না। দিলে তাকে অনেক সমস্যার শিকার হতে হয়। শুধু তাই না। চাঁদাবাজ এই ফরিদ এক ঠান্ড মাথার মানুষ তাকে কেউ চাঁদা দিবে না। বললে তাকে মাদক ইয়বা, অথবা গাঁজা দিয়ে ধরিয়ে দেন এই সে গাঁজাখোর ফরিদ। মামলা দিবে বলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাই বনানী থানার অফিস ইনর্চাজ বি এম ফরমান আলী সু দৃস্টি কামনা করছি। এই চাঁদাবাজ ফরিদ জেনো পুলিশের নাম ভাংগিয়ে আর চাঁদাবাজি না করতে পারে এমটাই দাবি এলাকাজুড়ে শুধু তাই নয়। এরশাদ নগর বস্তীতে বিদ্যুৎ গ্যাস পানি সে তার নিয়তেœ রেখেছে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। আমাদের তদন্ত চলছে আওমীলিগ নামধারী ফরিদের মুখোশ খুলে দিবে অপরাধ বিচিত্রা. চোখ রাখুন।

Advertisement
Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here