পাবনা থেকে শরিফুল ইসলামঃ- গত ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ তারিখ, অনুমান রাত্রি ০২:৩০ ঘটিকার সময় ঈশ্বরদী থানা মোকারমপুর গ্রামের মোঃ বাবুল হোসেন এর বাড়ীতে ৫/৬ জনের একটি ডাকাত দল বাহির দরজার শিকল কেটে শয়ন ঘরের দরজা ভেঙ্গে অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বাদীকে চাপাতি দিয়ে আঘাত করে এবং তার স্ত্রী কন্যাদের জিম্মি করে একটি ৪ আনা ওজনের স্বর্ণের
চেইন যার মূল্য অনুমান-২৮,০০০/- টাকা, ৮ আনা ওজনের একজোড়া স্বর্নের কানের দুল যার মূল্য অনুমান-৫৬,০০০/- টাকা, আড়াই ভরি ওজনের একজোড়া রুপার নুপুর অনুমান মূল্য-৫,০০০/- টাকা, ১ ভরি ওজনের রুপার বেসলেট অনুমান মূল্য- ২,০০০/- টাকা, এবং ধান বিক্রয়ের নগদ ৫১,৫০০/- (একান্ন হাজার পাঁচশত) টাকাসহ একটি VIVO ও একটি SYMPHONY বাটন মোবাইল জোরপূর্বক ডাকাতি করিয়া বাদীর বসত বাড়ির পূর্ব দিকের পাকা রাস্তা দিয়ে চলিয়া যায়। পরবর্তীতে বাদী মোঃ বাবুল হোসেন (২৯) পিতা- মোঃ ইদ্দিস আলী, সাং-মোকারামপুর দক্ষিণপাড়া, থানা-ঈশ্বরদী, জেলা-পাবনা থানায় হাজির হয়ে এজাহার দায়ের করে। ঈশ্বরদী থানার
মামলা নং-৪৫, তারিখ-২৩/০২/২০২৪ খ্রিঃ, ধারা-৩৯৫/৩৯৭ পেনাল রুজু হয়। ঘটনার পর পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতীপ্রাপ্ত)মোঃ আকবর আলী মুনসীর সার্বিক দিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম এবং ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী এর ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে অত্র মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো হাসান বাসির সহ থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম ডাকাতিকৃত মালামাল ও ঘটনার সাথে জড়িত ডাকাত দলকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির ভিত্তিতে জোর তৎপরতা চালায়। এক পর্যায়ে তাহারা এই ঘটনায় জড়িত আসামী মোঃ শিশির প্রাং (২২), পিতা-মোঃ মনিরুল ইসলাম (২) শিপন, গ্রাম- মোকারমপুর, থানা- ঈশ্বরদী, জেলা- পাবনা কে সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত আসামী ১. মোঃ মাহাবুল আলী(৩৬), পিতা-মোঃ সেলিম প্রাং, গ্রাম- বড়দীঘশাইল (রয়েজ মোড়ের পাশে), থানা- পাবনা সদর, জেলা- পাবনা, ২. মোঃ হাসিনুর রহমান (৫) হাসু (২৪), পিতা-
মোঃ আফসার আলী, গ্রাম- চৌবাড়ীয়া (হারুপাড়া), থানা- ভাঙ্গুরা, জেলা- পাবনা ৩. মোঃ মমিন (৩৩), পিতা-মৃত আফজাল হোসেন, গ্রাম- বামনডাঙ্গা, থানা- আতাইকুলা, জেলা-পাবনা, ৪. মোঃ সবুজ জমাদ্দার (২২), পিতা-মোঃ খোকন জমাদ্দার, গ্রাম- সাদুল্লাপুর (সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্বে), থানা আতাইকুলা, জেলা-পাবনাদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করলে পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাহাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এই সময় ডাকাত দলের নিকট থেকে ডাকাতীকৃত ৫,৫০০/- টাকা, ডাকাতী কাজে ব্যবহৃত একটি চাপাতি, দরজা ভাঙ্গার যন্ত্রপাতি এবং বিড়ি উদ্ধার করা হয়। আসামীরা স্বীকার করে যে, “তারা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের
সক্রিয় সদস্য”। তারা পাবনা জেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহে ডাকাতির ঘটনা ঘটায়। উল্লেখ যে, ধৃত আসামী ১। মোঃ শিশির প্রাং এর বিরুদ্ধে পাবনা এর ঈশ্বরদী থানার, এফআইআর নং-১, তারিখ- ০১ জুন, ২০২৩, ধারা- ৩৬(১) সারণির ৮(ক) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮, ২। মোঃ মাহাবুল আলী এর বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী খানার এফআইআর নং-৪১, তারিখ- ১৫ মে, ২০২৩, ধারা- ৩৯৪ The Penal Code, ১৮৬০, ৪। মোঃ মমিন এর বিরুদ্ধে (ক) আতাইকুলা থানার এফআইআর নং-১১, তারিখ- ২৫ মে, ২০২৩, ধারা- ৪৫৭/৩৮০/৩৪ The Penal Code, ১৮৬০, (খ) আতাইকুলা থানার এফআইআর নং-২/৩৮, তারিখ- ১০ এপ্রিল, ২০২১, ধারা- ৪৬১/৩৮০ পেনাল কোড, (গ) আতাইকুলা থানার এফআইআর নং-১০, তারিখ- ১৩ এপ্রিল, ২০১৬, ধারা- ১৯(১) এর ৯(ক) ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন বিজ্ঞ আদালতে মামলাসমূহ বিচারাধীন রয়েছে।

