নিজস্ব প্রতিবেদক ঃঝালকাঠী সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের হুমায়ুন মৃধা (৩৭) পিতাঃ মৃত- এসাহাক মৃধা নিজ বাড়িতে মাদক সম্্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। এলাকাবাসীর দাবী সদর উপ-জেলাসহ অশপাশের অনেক জায়গা থেকে ক্রেতারা তার বাড়িতে এসে প্রকাশ্যে মাদক কেনা বেঁচা করে। বিগত সময়ে এ কারনে ঝালকাঠী থেকে দুই বার পুলিশ আটক করলেও হুমায়ুনের বড় ভাই নাসির মৃধা বার বার থানা থেকে ছাড়িয়ে নেন এছাড়া তাকে অর্থনৈতিক সহযোগীতাও করেন। তার নামে এখন পর্যন্ত মাদক দ্রব্য আইনে ঝালকাঠীতে মামলা আছে ৩ টি, খুলনায় ১টি বরিশালে ১টি। সম্প্রতি হুমায়ুন মৃধাকে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ র্যাব-৮ এর একটি চৌকস দল সুগন্ধা নদীর পাড়ে বেরি বাধ সংলগ্ন স্থানে ট্রলারে সংযোগে গিয়ে ক্রেতা সেজে হাতে নাতে গ্রেফতার করে বরিশাল কোর্টে চালান দেয়। তবে কিছুদিন পরে হুমায়ুন মৃধা’র বড় ভাই নাসির মৃধা’র সহযোগীতায় বের হয়ে এসে আবারো মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি বাড়িতে বসে মাদক কেনা বেচা নিয়ে নিজ মা, স্ত্রী ও শালা’র সাথে মাদকদ্রব্য বিক্রির অর্থ ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি হলে বিষয়টি স্থানীয় জনসাধারনের সামনে আবারো প্রকাশ্যে আসে। গ্রমবাসীরা জানান, তাদের মাদক ব্যবসার কারনে গ্রামসহ আশেপাশের এলাকার তরুন সমাজ মাদকাসক্ত হয়ে অল্প সময়ে সমাজ ও পরিবারের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। তরুন প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন এদেরকে প্রতিহত না করলে তরুন ও যুবকরা বিদগামী হতে থাকবে। এ বিষয়ে হুমায়ুনের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি জানান, আমি হুমায়ুন, কি করিনা করি তাতে আপনার কি? আপনাকে বলছে কে তার নাম আগে বলেন, তারপর জানাবো আমি কি করি? হুমায়ুনের বড় ভাই নাসির মৃধার স্ত্রী রেনু বেগম, এই প্রতিবেদককে ফোন করে হুমকি দিয়ে বলেন, আপনারে যারা বিষয়টি বলছে তাদের নাম বলেন, আর আপনারা কে কোথায় থাকেন কি করেন তাই বলেন, সময় মত আপনাদের দেখে নেয়া হবে। ঝালকাঠী সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম জানান, আমি এখানে যোগদান করেছি মাত্র ৩ দিন হলো। সবার বিষয়ে এখনো জানা-শোনার সময় পাইনি তবে হুমায়ুন মৃধার বিষয়টি আমি দেখছি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
