জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র আদর্শের পরীক্ষিত কর্মী বাংলাদেশের সফল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনার রূপকার শামসুর রহমান শরীফ, এমপি

0
1164

ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক মানে উন্নীত করার বাংলাদেশের সফল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এমপি আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠনে অসামান্য অবদান রেখে আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনার রূপকার হিসেবে নিজকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার অক্লান্ত পরিশ্রমের সুফল ভোগ করছেন দেশের মানুষ। মন্ত্রী হবার পর সারাদেশ এবং পাবনা যেনো তার দুই নয়ন। দেশের পাশাপাশি নিজ জেলাকেও সমান ভাবে দেখছেন। পাবনা সহ জেলাবাসির সমস্যা সমাধানে তিনি সদা তৎপর। তার আন্তরিক তৎপরতায় প্রশাসন বেশ গতিশীল। নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য বেড়ে গেছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও গরীব দুঃখী খেটে খাওয়া মেহনতীসহ সকল শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে তিনি বাতিঘর।

Advertisement

এস এম মোরশেদ:
প্রত্যেক মানুষ কোন না কোনভাবে ভূমির সাথে সম্পৃক্ত। দক্ষ ভূমি ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন তথা ডিজিটাইজেশন ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ভূমি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন জনগণের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন। এই স্বপ্ন পুরণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে চলেছে তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। স্বপ্ন পুরণে প্রধানমন্ত্রীর সুচিন্তিত দিকনির্দেশনা অনুযায়ী নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছেন বঙ্গবন্ধুর বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের বিশ্বস্ত কর্মী বীর মুক্তিযোদ্ধা ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এমপি। দেশবাসী বর্তমান সরকারের নানামুখী কর্মসূচীর সুফল ভোগ করে চলেছে।

প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার গণতান্ত্রিক সরকার জনকল্যাণে নতুন আইন, বিধি ও নীতি প্রণয়ন করার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এ লক্ষ্যে গৃহীত উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা ও মামলা মোকদ্দমা অনেকাংশে হ্রাস পাবে এবং জনগণের উন্নততর ভূমি সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত হবে। ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বিতরণ, গুচ্ছগ্রাম সৃজন করে গৃহহীনদের পুনর্বাসন, নামজারি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি, অর্পিত সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ ইত্যাদি কার্যক্রম দ্রুততার সাথে নিষ্পত্তিসহ ভূমি সেবা প্রার্থীদের সততা ও আন্তরিকতার সাথে সেবা প্রদানের জন্য বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। অপরাধ বিচিত্রা এ সম্পর্কিত শিকড়সন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পদক্ষেপ নিয়েছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নোয়াখালী জেলার (বর্তমানে লক্ষ্মীপুর জেলা) রামগতি থানা প্রথম সফর করেন। জাতির পিতা নদীভাঙ্গা, দুঃস্থ ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহারা পরিবারের আর্তনাদ ও হাহাকার কাছ থেকে দেখেছেন ও ব্যথিত হয়ে তাদের সমবেদনা জানিয়েছেন। তৎক্ষণাৎ তিনি নোয়াখালী জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন সরকারি খাসজমিতে এ সমস্ত গৃহহীনদের পুনর্বাসন করার। জাতির পিতার সেই নির্দেশে রামগতির পোড়াগাছায় সরকারি খাস জমিতে ২০০ গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে পোড়াগাছা গুচ্ছগ্রাম এর শুভ সূচনা হয়। এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে বাংলাদেশ সরকার ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের যৌথ অর্থায়নে আদর্শগ্রাম বা গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প এ পর্যন্ত ৮২ হাজার ভূমিহীন, গৃহহীন ঠিকানাবিহীন নদীভাঙ্গা পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রতিটি গৃহহীন পরিবারকে খুঁজে বের করে সরকারিভাবে ঘর তৈরি করে পুনর্বাসনের নির্দেশ দিয়েছেন। এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে সারাদেশে ১১ হাজার ৫০৩ গৃহহীন পরিবারকে নির্বাচন করে তাদের পুনর্বাসন করা হয়েছে। আরও ১০ হাজার ভূমিহীন, গৃহহীন, নদী-ভাঙ্গা হতদরিদ্র পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ‘গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-২য় পর্যায়’ এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে গুচ্ছগ্রাম দ্বিতীয় পর্যায় কার্যক্রমের আওতায় সারাদেশে আরও ৫০ হাজার গৃহহীনকে পুনর্বাসনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুনর্বাসিত পরিবারের মধ্যে সক্ষম যুবক যুবতীদের বিআরডিবি’র মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানপূর্বক নগদ অর্থ ঋণ প্রদান করা হয়েছে। মূল উদ্দেশ্য হলো বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দারিদ্র্যমুক্ত সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়া। দেশরতœ জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দারিদ্র্যনিরসন এবং আঞ্চলিক বৈষম্য দূরীকরণে দরিদ্র শূন্য বাংলাদেশ গড়ার মহা উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে ২০০৯ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত সারাদেশে ১ লাখ ৭২ হাজার ৪৭৯টি ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে ৮৯ হাজার ৩৯৩ একর কৃষি খাসজমি বিনামূল্যে বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ডিসেম্বর পর্যন্ত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সাতটি বিভাগে ভূমিহীন পরিবারের মাঝে ২ হাজার ৩৯২ একর কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়েছে এবং মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে মোট ২ হাজার ৩৮৩ একর অকৃষি খাসজমি বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়েছে। বিজ্ঞানসম্মত ভূমি ব্যবস্থাপনা নীতিমালা গ্রহণ, জমির ব্যবহার ও পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ, সংখ্যালঘুদের জমি সুরক্ষা, পার্বত্য ভূমি কমিশনের কাজ ত্বরান্বিত করাসহ নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের ভূমি সমস্যা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধনী) আইন, ২০১৬ মহান জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে। ভূমি রাজস্ব বিষয়ক আদালত ভূমি আপিল বোর্ডের ‘Development of Web based Land Appeal Case Management Application System and Digital Library for Land Appeal Board’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশের যে কোন বিচারপ্রার্থী নাগরিক, যে কোন স্থান থেকে ভূমি আপিল বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে চলমান মামলার সর্বশেষ গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে সরাসরি অবহিত হতে পারছেন। রাজস্ব ব্যবস্থাপনার আওতায় সারাদেশে মোট ২৩ লাখ ৫ হাজার নামপত্তন মোকদ্দমা, ১৪ হাজার ৯৫০টি মিস মোকদ্দমা এবং ২৪ হাজার ৩২৮টি রেন্ট সার্টিফিটেক মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। মোট ৩ হাজার ৮৩৭ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারিকে মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সাতটি বিভাগে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হয়েছে ৫২৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জলমহাল, বালুমহাল, চিংড়ীমহাল ও লবণমহাল থেকে ১২৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা এবং হাট বাজার থেকে ৪৩৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। জুলাই ২০১৫ থেকে রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে ভূমি উন্নয়ন কর পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। প্রায় ৫০০টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নির্মাণ কাজ চলছে। ভূমির পরিকল্পিত ও সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য ডিজিটাল ল্যান্ড জোনিং কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ভূমি জোনিং দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৬ পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে ৪০টি কর্মশালা, ৩২৬টি উপজেলায় ডাটা কালেকশন ওরিয়েন্টেশন, ৩২৬টি উপজেলার সকল ইউনিয়ন থেকে ভূমি জোনিং বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। ৪৩টি জেলা ও উপকূলীয় জেলার ১০টি উপজেলাসহ মোট ৩২৬টি উপজেলা থেকে স্যাটেলাইট ইমেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সরকার দেশের সকল জমির খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে ৫৫টি জেলায় ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত ১ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার ৬২৫টি খতিয়ানের Data Entry-র কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জেলা রেকর্ড রুম থেকে জনগণ স্বল্প সময়ে কম্পিউটারাইজড খতিয়ান পাচ্ছে এবং কয়েকটি জেলার ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে খতিয়ানের আবেদন প্রেরণ এবং কম্পিউটারাইজড খতিয়ান সরবরাহ নিতে পারছেন। জামালপুর সদর উপজেলা, বরগুনা জেলার আমতলী ও রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলার জিওডেটিক কন্ট্রোল পয়েন্ট স্থাপন করে সমগ্র উপজেলায় ডিজিটাল সার্ভে কার্যক্রম চলমান আছে। ভূমি সংস্কার বোর্ড Online Smart Land Management প্রবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করেছে। এর মাধ্যমে নাগরিকগণ ভূমি অফিসে না গিয়েও ঙহষরহব-এ আবেদন দাখিল, কার্যক্রমের চলমান অগ্রগতি ও নিষ্পত্তিসহ সকল তথ্য E-mail/Mobile/SMS এর মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন এবং ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানসহ অন্যান্য সকল বিষয়ে উন্নত সেবা পাবেন। বাংলাদেশ ও ভারতের ৪টি সেক্টরের (পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা) মধ্যে বিদ্যমান ১১৪৫টি বাউন্ডারি স্ট্রিপ ম্যাপ (Boundary Strip Map) এর মধ্যে ১১৪৪ টি ম্যাপ দুই দেশের মনোনীত প্লেনিপোটেনশিয়ারী (Plenipotentiary) পর্যায়ে স্বাক্ষরিত ও গধঢ় বিনিময় করা হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত ভারতের ১১১টি এবং ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থিত বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলে হেড কাউন্টিং (Head Counting) কাজ সম্পন্ন করে ৩১শে জুলাই‘১৫ তারিখে উভয় দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী বিনিময় করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির মাধ্যমে ১০ ডিসেম্বর ২০১৫ খ্রি. তারিখে সকল কাজ সম্পন্ন করা হয়। ফলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় ১১১টি ছিটমহলের ১৭ হাজার ১৬০ একর জমি বাংলাদেশের ভূখন্ডের সাথে একীভূত হয়েছে। ছিটমহলবাসী প্রথমবারের মতো তাদের জমির মালিকানা স্বত্ব পেতে যাচ্ছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে আগামী ১৫ বছরে ৩০ হাজার হেক্টর জমির ওপর ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হলে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগে নতুন প্রবাহ সৃষ্টি হবে এবং এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। এ পর্যন্ত ৭৪টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। এরমধ্যে ২০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনে জমি অধিগ্রহণ ও খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান অব্যাহত রেখেছে। এ সমস্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপিত হলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা তথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নত বাংলাদেশ গড়া স্বার্থক হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ, জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটারের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের মানুষের মৎস্য আহরণে আইনগত ও ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যার কল্যাণে বাংলাদেশ সমুদ্র অর্থনীতিতে সারাবিশ^ দরবারে ব্লু গ্রোথ ইকোনমির পাইলট কান্ট্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ফলে সমুদ্র থেকে আহরিত মাছ রপ্তানি করে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন আরও বৃদ্ধি পাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ‘জাল যার জলা তার’ সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়নে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা জাতির সার্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির চাবিকাঠি। এ উপলব্ধি থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রাজধানীর শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে মহানগরীতে ১১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ০৬টি মহাবিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ০৪টি মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিকাশ ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণে অস্বচ্ছল গৃহহীন মুুক্তিযোদ্ধাদের গুচ্ছগ্রামে পুনর্বাসন ও কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত অগ্রাধিকারভিত্তিতে প্রদান করা হচ্ছে। জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের জন্য সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সারাদেশের হাটবাজার ও এর পেরিফেরি ভূমিমন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা প্রশাসকগণ নিয়ন্ত্রণ করেন। হাটবাজারের ইজারালব্ধ অর্থ থেকে ৪ শতাংশ অর্থ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয় করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার জনগণের অপার ভালবাসায় বিশ্বাস করে এবং জনগণের মাধ্যমেই আমরা বিশ্বাস করি সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের। বাংলাদেশের মানুষ সবসময়ই আস্থা রেখেছে অসাম্প্রদায়িকতা ও গণতন্ত্রের উপর এবং দেশের সংকটে সঠিক সিদ্ধান্ত তারা সব সময়ই দিয়েছে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here