ওসি ফরমান আলীর ফর্মূলায় গ্যাসচোর টুন্ডা মোমিন সিন্ডিকেটের সাঁজানো মামলায় সাংবাদিক নির্যাতিত

2
1499

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর বনানী থানা ১৯ নং ওয়ার্ড কড়াইল বস্তির টোকাই থেকে কোটিপতি যুবদল নেতা টুন্ডা মোমিনের বিরুদ্ধে অপরাধ বিচিত্রা সহ ধারাবাহিকভাবে জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বর্ষ ২৪/৬/ সংখ্যা/ বর্ষ  ২৪/৭/ সংখ্যা/ বর্ষ / ২৪/১৭/সংখ্যা/ বর্ষ ২৪/১৮/ সংখ্যা/ সময়ের আলো ৩১/ ২০১৯/ দৈনিক গণ জাগরন  ২৪/ আগস্ট। হাবিব সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের একটি সনামধন্য সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রার দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। টুন্ডা মোমিনের নামে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

Advertisement

কড়াইল বস্তিতে অবৈধ গ্যাস বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে টুন্ডা মমিন কোটিপতি, দৈনিক গণজাগরণে প্রকাশ সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টা, দৈনিক মুক্ত বাংলা প্রকাশিত হাইব্রিড নেতা টুন্ডা মোমিন তাতী লীগের সহ-সভাপতি, সময়ের আলো প্রকাশ একাধিক মামলার আসামি মোমিন, যা নিম্নে উল্লেখ করা হলো-মামলার নং ৮৩৬/১৫/সালে/তাং০ ৬/০৯/১৮/ মামলা ৪৫৫/১৬/ বনানী থানার মামলা ৬৯/১৭/বনানী থানায় মামলার নং ৮/১/১৫/ সালে/গুলশান থানা মামলা নং/৬/৮/১৮/ ১৬/৭/১৬/ সি আর মামলা নং /১৬/অপরাধ বিচিত্রার সর্বশেষ নিউজ টোকাই থেকে কোটিপতি, অপরাধ বিচিত্রায় প্রকাশ যুবদলের টুন্ডা মমিন এখন তাঁতী লীগের সহ সভাপতি, বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রকাশ টোকাইরা কোটিপতি, বিভিন্ন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হলে। উন্মোচিত হয় নব্য তাঁতী লীগের নেতার মুখোশ।

সেই সংবাদের জের ধরে উক্ত প্রতিনিধি স্বাধীন সরকারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন তৎকালীন বনানী থানার গুণধর ওসি ফরমান আলী ও এএস আই সুজন কুমার সাহা, সাদা পোশাকধারী এ এস আই ইমরান,

কড়াইল বস্তির হত্যা, অস্ত্র, একাধিক মামলার আসামি মাদক সম্রাট টুন্ডা মোমিন। গত ২৩/৯/১৯ইং, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মফিজুর রহমান (মফিজ) মোমিনের বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চায় সাংবাদিক স্বাধীনের সাথে। তিনি মুঠো ফোনে বলেন, ১২টায় তার অফিসে যেতে। তার অফিসে আসার আগে ১০:৩০ মি: স্বাধীন বনানী থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসার এসআই ইভাকে বিস্তারিত বলেন।

তিনি বলেন ওসি কে বলতে তখন ওসি কে না পেয়ে তৎকালীন ওসি তদন্ত বোরহান উদ্দিন রানাকে বিস্তারিত খুলে বলেন স্বাধীন। যে আমি ১৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মফিজুর রহমান মফিজ আমাকে ডেকেছে তার কার্যালয়ে মিটিং এর উদ্দেশ্য থানায় বিস্তারিত বলার কারন নব্য তাঁতী লীগের নেতা গত ৩১/ ৮/১৯ইং আওয়ামীগ শোক সভায় সাংবাদিক স্বাধীন এর উপর হামলা চালায় মোমিন, খাইরুল, রায়হান, রুস্তম, নাম না জানা আরো ১৫-১৮ জন যুবক।

হামলার সময় অনুষ্ঠানের ডিউটি রত অবস্তায় উপস্থিত ছিলেন বনানী থানার খ্যাতিমান কড়াইল বস্তি বিট ইনচার্জ এস আই আবু তাহের ভূইঁয়া এএস আই সোহেল রানা তাদের সামনে আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে ফিল্মস্টাইলে  হামলা চালায়।

হামলাকারী এর একজনকে ধরে ফেলে সাংবাদিক স্বাধীন তবু তাকে গ্রেফতার করেনি আবু তাহের। জানা যায় এলাকার মোমিনের সাথে পুলিশ এস আই আবু তাহের ভূঁইয়ার সাথে মুমিনের রয়েছে চরম বন্ধু সম্পর্ক। আবু তাহের এর নামে রয়েছে মাদক কারবারীদের সহযোগিতা করার অভিযোগ।

তার পরেও বহাল তবিয়াতে আছেন বনানী থানায় এস আই আবু তাহের। দীর্ঘদিন বনানী থানায় থাকার কারনে কড়াইল বস্তিতে তার কাছে অতি সহজ চেনাজানা। অন্যের তৈরি করা বাড়ী জবর দখলের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। দখল করে ভাড়া নিচ্ছেন তার সহযোগী কনস্টেবল শহীদ এর মাধ্যমে।

আবু তাহের অনেক কে মামলার ভয় দেখিয়ে দখল করে নিয়েছে তার বাড়ি ওই এলাকার আশেপাশে অনেক ঘরে বিনা নোটিশে ভাড়াটিয়াদের বাহির করে দিয়ে তালা লাগিয়ে পরবর্তীতে সেই বাড়িটি নিজের দখলে নিয়ে নেন। অন্য বাড়ী ভাড়া দিয়ে নিজের পকেট ভারী করছে পুলিশ কর্মকর্তা। বাড়ীটিকে পুলিশের বাড়ি বললে সবাই চিনে।

অন্যের ঘর দখল করা তার কৌশল তার সাফ কথা ডিসির কাছে অভিযোগ আছে সে নাকি মাদক বিক্রি করে এই ভাবে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে অনেক লোককে এলাকা ছাড়া করেছেন তিনি। সরেজমিনে ঘুরে এমনটাই দেখা যায কড়াইল বস্তির কিছু বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায দখল বানিজ্য তাহের স্যারের জন্য নতুন কিছুই নয়। এই এলাকায় মা-বাবা বললেই চলে। কারণ তার সাথে আলোচনা না করে বস্তিতে কোন রকমের ফাউন্ডেশন করতে পারে না।

তার সাথে সমাধান, নইলে মামলা, নইলে তার বাড়ী দখল, গ্রেফতার করে থানা হাজতে পাঠান। টাকার বিনিময়ে আসামি ছাড়া সহ শত অভিযোগ বনানী থানার এস আই তাহের ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। সাংবাদিক স্বাধীনের উপর টুন্ডা মোমিনের সন্ত্রাসি বাহিনী হামলার কোন তথ্য দিতে রাজি হয়নি এস আই তাহের। হামলার সময় কিন্ত আবু তাহের উপস্থিত ছিলো।

সেই দিন রাতে প্রথমে স্বাধীন মামলা করতে গেলে ওসি ফরমান আলী মামলা নেয়নি। লিখিত অভিযোগ দিয়ে চলে যেতে বলে। পরে তদন্ত করা হবে। স্বাধীন ৮ দিন পর আবার হামলার শিকার হন তখন জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেন যার নং-৭৮২। মাদক সম্রাট টুন্ডা মোমিন সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে বনানী এলাকায় মাদক ব্যবসা সহ কড়াইল বস্তিতে চোরাই গ্যাস বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

বনানী এলাকার বিভিন্ন অপকর্ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা কাল হয়েছিল সাংবাদিক স্বাধীনের। আর এতে বনানী থানা ওসি ফরমান আলী, এ এসআই সুজন কুমার সাহা ও ইমরান কর্তৃক টুন্ডা মমিনের নিকট থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা গ্রহন করতেন।

একাধিক মামলার আসামী মাদক সম্রাট টুন্ডা মোমিন পরিকল্পনায় এ এসআই সুজন কুমার সাহা ও সাদা পোশাক ধারী ইমরান কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সাংবাদিক স্বাধীন অনুমানিক ১-২ঘন্টা মিটিং শেষ করে যখন কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে নিচে নামে একটু সামনে আসতেই এএসআই সুজন কুমার সাহা ও এ এস আই ইমরান বলেন তাদের কাছে তথ্য আছে স্বাধীন এর কাছে মাদক আছে গ্যারান্টি সহকারে তখন স্বাধীন সার্চ করতে বলে।

স্বাধীনও  নাদিমের দেহ তল্লাশি করেন ইমরান তার কাছে কোন অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি। হঠাৎ কানে কানে সুজনকে কিছু বলতে দেখে স্বাধীন প্রশ্ন করে কিছু পেলেন না আমি কি যেতে পারি। ইমরান গাড়ির সামনে এসে হঠাৎ বলে মোটর সাইকেলে ইয়াবা পাওয়া গেছে।

তখন সাংবাদিক স্বাধীন সরকার চেলেঞ্জ করেন দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে মাদক আমার নয়। আপনারা সি সি টিভির ফুটেজ দেখুন। সাথে সাথে সম্পাদক কে আমি বিস্তারিত বললে, সম্পাদক এএসআই সুজন কুমার সাহার, ওসি সাথে কথা বলে কিন্ত তারা সি সি টিভির ফুটেজ সংগ্রহ না করে আমাকে থানায় নিয়ে যায়।

৪:১৬ মি: আমাকে আটক করা হলে মামলা এজাহারে রাত ৭.৩০ মিনিটে গ্রেফতার দেখানো হয়। থানায় সিসি টিভিতে দেখা যায়। ৫ টার আগে আমাকে থানায় আনা হয়।

সম্পাদক মহোদয় চ্যালেঞ্জ করলে তৎকালীন বনানী থানার ক্ষমতাবান ওসি অপকর্ম ধামাচাপা দেওয়ার জন্য মোমিনকে থানায় আসতে বলে। মুমিন থানার গেটে আসতে তাকে আটক করা হয়।

প্রশ্ন তাহলে মোমিন কী মাদক নিয়ে থানায় এসেছিল? এ এস আই ইমরান এসআই শাহিন আলম মুঠোফোনে জোর গলায় কিভাবে বলতে পারলো স্বাধীনের গাড়ী ভিতরে মাদক আছে। যা এসআই শাহিন আলমের ভয়েস কল রেকডিং প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।

এসআই শাহীন বলেন, আমাকে ফোন দিলে আমি সেখানে যাই। এ এস আই সুজন কুমার সাহা স্বাধীন কে বলেন বিষয়টা আমরা বুঝতে পেরেছি আপনি থানায় আসুন ওসির সাথে কথা বলে একটা ফয়সালা হবে তার কারণ কি রহস্য কি

মামলার এজাহারে স্পষ্ট লিখা মাদক বিক্রির গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্বাধীনকে সেখান থেকে আটক করা হয়। কিন্ত এএসআই ইমরানের  রেকর্ডিং বলছে আমরা নিরুপায় স্বাধীন ভাই আমাদের ভুল বুঝবেন না। তাদের এভাবে মিনতি করার রহস্য কি? এএসআই ইমরান কল রেকর্ডিং স্পষ্ট ওসির নির্দেশে কড়াইল বস্তি থেকে মোমিনকে গ্রেফতার করা হয়। অথচ মামলার এজাহারে লেখা সন্ধ্যায় আমাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। সঠিক কোনটি মামলার এজাহারে লেখা না কি এএস আই ইমরান কল রেকর্ডিং?

ওসি’র সবচেয়ে বড় গুণ মুখ দেখে বলতে পারে কে মাদক বিক্রেতা, কে মাদক সেবন করে। ওসি বলেছেন আমি মাদক বিক্রি করি না মাদক খাই আমার চেহারা দেখে নাকি উনি বুঝতে পেরেছে। তাহলে অপরাধী ও মাদক কারবারী ও সেবনকারীদের সনাক্ত করার জন্য এমন গুণধর ওসি যথেষ্ট। সনাক্ত করার জন্য উনাকে দরকার।

কোটি টাকা খরচ করে মাদক সনাক্ত করার জন্য যন্ত্রের কি   প্রয়োজন? তৎকালীন বনানী থানার ওসি ফরমান আলীর ফর্মূলা প্রয়োগ করা দরকার। স্বাধীনের দাবি আমি মাদকসেবী কিনা তা  আমার ঢোপ টেস্ট করা হোক।

আমি কোনদিন সিগারেটও খাই নি। স্বাধীনের সাক্ষাৎকারে জানতে পারি। এলাকার স্থানীয়দের ফোন করে স্বাধীন ঘটনাস্থলে গিয়েছিলো। যখন তাকে পুলিশ জিজ্ঞাসা করছিলো তখন সে অপরাধ বিচিত্রা’র সম্পাদক এস এম মোরশেদকে ফোন দেয়, এবং নিম্নে উল্লেখিত সবাইকে সে ফোন করে।

বনানী থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাসুদ, বনানী সুপার মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক আজাদ, বনানী প্রেসক্লাব সভাপতি বিজয় আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রতিদিন এর ক্রাইম রিপোর্টার সাঈদুর রহমান রিমন, এন এস আই মাসুদ রানা, এসবি ইব্রাহিম, সভাপতির ১৯ নং ওয়ার্ড ইমরান সিকদার, আরো অনেকে।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here