ঈশা ফুড প্রাডাক্ট কারখানায় অস্বাস্থকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি পণ্য

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 24865

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (24865, 'post_views_count', '0')

0

বিশেষ প্রতিনিধিঃ রাজধানীর তূরাগ থানাধীন গড়ে উঠেছে বেশি কিছু বেকারি কারখানা। এ সব বেকারি কারখানার পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য নিতে গেলে দেখাযায় ১৪ নং সেক্টর সংলগ্ন পাকুরিয়া বাজারে প্রধান সড়কে পাশে ঈশা ফুড প্রডাক্ট। এই বেকারি খাদ্য সামগ্রী তৈরি কারখানায় প্রবেশ করলে দেখাযায় রাস্তার থেকে ১০/১৫ ফিট নিচে অবস্থিত। এ কারখানা রাস্তা নিচে হওয়ার কারনে বৃষ্টির পানি এবং আশপাশের ড্রেনের ময়লা মিশ্রিত পানি কারখানার ভিতরে প্রবেশ করে এবং সে অবস্থায় তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্য সামগ্রী চানাচুর,বিভিন্ন ধরনের বিস্কুট,লাড্ডু,কেক,রুটি ইত্যাদি।এছাড়া কারখানার ভিতরে আলোর স্বল্পতা,দেখা যায় কারখানার ভিতরে মাকড়সার জাল,অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে প্যাকেটজাত হচ্ছে কেক,বিস্কুট,পাওরুটিসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারি খাদ্য সামগ্রী। এ বিষয় নিয়ে কারখানার সাথে অবস্থিত কারখানার বেকারিতে বসে থাকা ইশা ফুড প্রডাক্টের মালিক রেজাউল করিমে সাথে তার কারখানার পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলতে রাজি না।

Advertisement

এ দিকে ঈশা ফুডে মালিকের কাছে পরিবেশের ছাড় পত্র আছে কিনা জানতে চাইলে,বিএসটিআই(বাংলাদেশ স্ট্যান্ডাড টেস্টিং ইনিষ্টিটিট)অনুমোদন আছে কিনা,বিদ্যুতে লাইন বৈধ কিনা এসব বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং সাংবাদিকদের সাথে অসাদআচরন করেন। কিছু দিন পরে ঐ ঈশা ফুডের মালিক রেজাউল করিমের নিকট তার বেকারি কারখানার সম্পর্কে মুঠোফনে জানতে চাইলে তখন তিনি ঢাকার বাহিরে আছেন বলে সাংবাদিকদের জানান। যতবারই করিম সাহেবকে মুঠো ফোনে কল করা হয় ততবারই তিনি সাংবাদিকদের এড়িয়ে ঢাকার বাহিরে আছে বলে জানান। এই বেকারি কারখানার মালিকের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ। তথ্য নিয়ে জানা গেছে বেকারি মালিক বর্তমান বসবাস করে তার কারখানার তূরাগ যাত্রা এলাকায় অথচো তার সাথে কোন সাংবাদিক দেখা করে কথা বলতে চাইলেই তার কারখানার শ্রমিকরা এবং করিম সাহেব মুঠো ফোনে বলেন তিনি গ্রামের বাড়ি আছেন। আর তার কারখানার বিষয় নিয়ে সংবাদিকরা যখনই বেকারি কারখানার মালিকের কাছে জানতে চায় তখন তিনি নিজেকে আওয়ামীলীগের একজন সমর্থন বলে জানান তাকে কেউ কিছু করতে পারবেনা।এমনকি তার কারখানার পাশে বেকারি অফিসে কোন সাইন বোর্ডও দেখা যায়নি। এদিকে গত এপ্রিল মাসে বেকারি কারখানার মালিক রেজাউল করিম তার গ্রামের বাড়ি থাকাবস্থায় সিটিকপোরেশনের ম্যাজিষ্টেট তার কারখানার পরিবেশ এবং বেকারি খাদ্য সামগ্রীর মান যাচাই করতে গেলে তারা তথ্য পায় পোড়া মোবিল দিয়ে চানাচুর ভাজা তৈরি করা হচ্ছে ঈশা বেকারি কারখানায় এবং ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করে বলে জানা গেছে এবং তার কারখানার পরিবেশ পরিস্কার কথা বলে গেলেও মালিক কতৃপক্ষ কোন গুরুত্ব দেননি। ঐ একই অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি পণ্য সামগ্রী। এই যদি হয় ঈশা ফুড কারখানার অবস্থা তাহলে আমার বেকারি খাদ্য সামগ্রী (কেক,বিস্কুট,লাড্ডু,চানাচু ইত্যাদি) নামে কি খাচ্ছি ? বর্তমান শিক্ষিত সমাজের কাছে প্রশ্ন। এধরনের বেকারি মালিকদের ভোক্তা অধিকার আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে বর্তমান সমাজ।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here