মাহমুদা আক্তার শেরিন: রাজধানীর উত্তরায় অবৈধ বিদুৎতের ছড়াছড়ি কথাকথিত নেতা ফরিদ খান পিতা: ফারুক খান। তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধ ভাবে বিদুৎ সংযোগ দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। ইতিমধ্যে তার নামে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয় সহ উত্তরায় বিদুৎ বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী উত্তরা জোনের প্রধানের কাছে রয়েছে অভিযোগ। বিদ্যুৎতের গতির মত রদ বদল হয়ে গেছে তার জীবন। এক সময়ে তিনি রাজমিস্ত্রী কাজ করতেন। ফরিদ বর্তমানে বিদুৎতের অবৈধ লাইন দিয়ে কোটিপতি বনে যান।
উত্তরা জোনের তুরাগ ও উত্তরা পূর্ব-পশ্চিম থানা, উত্তরখান, দক্ষিন খান, বিমানবন্দর সহ বাংলাদেশ হর্কাস লীগ নামের একটি নির্ষিদ্ধ সংগঠনের নামে তথাকথিত নেতা ফরিদ খান ডেসকোর কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নামে যোগসাজেশ এমন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘ ১০ বছর। ফরিদের অবৈধ বিদ্যুৎতের চড়া মূল্য দিতে হয় সাধারণ জনগনের।
অবৈধ বিদ্যুৎতের ব্যবসা করে ৫ কোটি টাকা দিয়ে চড়া সুদের ব্যবসা করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। তার এই সুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম খান মাল্টিপারপাস। ফরিদ অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবসা করে উত্তরায় একটি ফ্ল্যাট ও একটি বাড়ী ক্রয় করেন। তার আয়ের উৎসের ব্যপারে ঢাকা মহানগর উত্তরের দুর্নীতি দমন কমিশনের জনৈক কর্মকর্তা বলেন, “তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি”।

