ইভিএম নিয়ে বিশ্বময় অশান্তি ও প্রতিবাদের ঝড় বইছে : রিজভী

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 26831

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (26831, 'post_views_count', '0')

0

বিশাল অংকের টাকা হাতিয়ে নিতেই সরকার ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ইভিএম নিয়ে বিশ্বময় অশান্তি ও প্রতিবাদের ঝড় বইছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, জনসমাজের নানা স্তরের সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের আপত্তি সত্ত্বেও গতকাল একনেকে দেড় লাখ ইভিএম (সংগ্রহ প্রকল্পের অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement

এই অনুমোদনের বেশ কিছুদিন আগে সরকারের দুইজন কর্মকর্তা এই মেশিন ক্রয় করতে বিদেশ গেছেন। এ মেশিন কেনার পেছনে দুইটি উদ্দেশ্য কাজ করছে সরকারের। প্রথমটি- ভোটারবিহীন কারচুপি নির্বাচন আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে- এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশাল অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া, পকেটের মধ্যে ঢুকিয়ে নেয়া। আজ বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব বলেন। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকার জনগণকে ত্যাজ্য করে জালিয়াতির মেশিন ইভিএমের ওপর নির্ভরশীল হয়েছে। এই সরকারের নির্বাচন দরকার, কিন্তু ভোট দরকার নেই, তাদের গণতন্ত্রের মুখোশ দরকার কিন্তু বিরোধী দলের দরকার নেই, সরকারের গণমাধ্যম দরকার কিন্তু মত প্রকাশের স্বাধীনতার দরকার নেই। পুনরায় ক্ষমতা লাভের কাড়াকাড়িতে ব্যস্ত সরকারের কাছে ইভিএম কেনা অত্যন্ত জরুরি এই জন্য যে, এ মেশিনে ভোট গ্রহণের দিন ভোটারদের প্রয়োজন হবে না। গ্রেফতার হওয়ার পর দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের কাছে গতরাতে তার প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র নিতে দেয়া হয়নি অভিযোগ করেন তিনি বলেন, গতকাল হাবিব উন নবী খান সোহেলকে গ্রেফতারের পর ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হলে কয়েকজন আইনজীবীসহ নেতা-কর্মীরা তাকে সেখানে দেখতে যায়। সেখান থেকে পুলিশ কয়েকজন আইনজীবীসহ বেশকিছু নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে। শুধু তাই নয়, বর্তমান সরকার ও তার আজ্ঞাবহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কতটা হিংস্র, অমানবিক ও হিতাহিত জ্ঞানশূণ্য হতে পারে যে, রাতে সোহলের ওষুধ পর্যন্ত ভেতরে নিতে দেয়া হয়নি। গতকাল ঢাকা মহানগর কাফরুল থানা যুব দলের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম লিটনকে সাদা পোষাকে সদস্যরা তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে তাকে জনসমক্ষে হাজির করার দাবি জানান রিজভী। গতকাল ঢাকা মহানগর, নরসিংদী, পিরোজপুর, রাজশাহীসহ সারাদেশে ৯৩ জন নেতা-কর্মী গ্রেফতারের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিও জানান তিনি।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here