২৪ ঘণ্টায় চার ছাত্রীর মৃত্যু, তিনজনের আত্মহ’ত্যা

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 79390

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (79390, 'post_views_count', '0')

0

গেল ২৪ ঘণ্টায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করাসহ চার শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে এক ছাত্রী দীর্ঘদুই মাস
চিকিৎসাধীন থেকে মৃত্যুবরণ করেছেন।
শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুর থেকে আজ রোববার (৩১ মার্চ) সকাল পর্যন্ত এই চার শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে
তিনজন ছাত্রীই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
আত্মহত্যা করা তিন শিক্ষার্থীরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মার্কেটিং বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী আদ্রিতা
বিনতে মোশারফ (২১), নাটোর এনএস সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী নুসরাত জাহান মারিয়া বৈশাখী (১৮),
যশোরের মনিরামপুরের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী সাবিহা (১৯)।
দীর্ঘদুই মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থেকে মৃত্যুবরণ করেছেন রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের দর্শন বিভাগের
(২০১৯-২০) ছাত্রী সানজিদা অর্নি (২২)।

Advertisement

ঢাকা বিশ্ববি দ্যালয়ের (ঢাবি) ফুলার রোড এলাকার আবাসিক কোয়ার্টারে আদ্রিতা বিনতে মোশারফের ঝুলন্ত মরদেহ
উদ্ধার করা হয়। গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ওই শিক্ষার্থী
বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী এবং ম্যানেজমেন্ট বিভাগে র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো.
মোশারফ হোসেনের মেয়ে।
ঘটনা প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, আমাদের
বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান এবং অধ্যাপক মোশারফ হোসে নের মেয়ে আদ্রিতা মোশারফ নিজ
বাসায় আত্মহত্যা করেছে। সাড়ে ৩টা বা ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে আমি জা নতে পেরেছি। পরে নামাজের সময়
আমাদের একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিত নামাজ পড়তে বের হচ্ছিলেন, এমন সময় কান্নার
শব্দ শুনে সেখানে তিনি দৌড়ে গিয়ে এ ঘটনা দেখেন। তারপর আমরা জানতে পেরে পুলিশের সহায়তায় লাশটি ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এখনো আপাতত ওখানেই আছে।
নুসরাত জাহান মারিয়া বৈশাখী সিংড়া উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের রাকিবুল ইসলামের মেয়ে। শনিবার (৩০ মার্চ)
রাতে শহরের উত্তর বড়গাছা জোলারবাতা এলাকার একটি বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি জেলা

ব্যাডমিন্টন দলের সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে নাটোর সদর থানার ওসি মিজা নুর রহমান কালবেলাকে বলেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক
হাবিবুর রহমান চুন্নুর ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে তার বাসার তৃতীয় তলায় হাফসা ছাত্রী নিবাসের রুমের ভেতরে
বৈশাখী নামের এক ছাত্রীকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখি। ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ওই কক্ষের দরজা ভেঙে
মরদেহ উদ্ধার করি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, ঘটনাটি আত্মহত্যা।
যশোরের মনিরামপুরে চিরকুট লিখে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিহা আত্মহত্যা করেন। পরীক্ষার হলে নকলের অভিযোগ
আনা হলে ক্ষমা না পে য়ে আত্মহত্যা করেছে বলে একটি চিরকুটে সে লিখে গেছে। শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে বাগডাঙ্গা
গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে সাবিহা সকালে ওই কলেজে ইংরেজি ২য় পত্রের পরীক্ষায় অংশ নেয়।
শিক্ষার্থী সা বিহা খাতুন উপজেলার বাগডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল জলিলের মেয়ে। সে গোপালপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ
শ্রেণির ছাত্রী । এ ব্যাপারে গোপালপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিম বলেন, দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী
সাবিহা খাতুনের আত্মহত্যার বিষয়টি দুঃখজনক। পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষার্থী সাবিহার কাছে নকল পাওয়া যায়। যে
কারণে কক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদ্বয় তার কাছ থেকে খাতা নিয়ে নেন। এ ব্যাপারে শিক্ষক ও কমিটিকে নিয়ে জরুরি
সভা করা হয়েছে।
এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা আহত হয়ে ২ মাস ৭ দিন চিকিৎসাধীন থেকে মৃত্যুবরণ করেছেন রাজধানীর ইডেন মহিলা
কলেজের ছাত্রী সানজিদা অর্নি(২২)। শনিবার (৩০ মার্চ) রাত ৯টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ
নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ২৪ জানুয়ারি রাজধানীর ধানমন্ডির ২৭ নম্বর এলাকায় সানজিদা অর্নিকে বহনকারী রিকশা
একটি ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। তাৎক্ষণিক তিনি রিকশা থেকে পড়ে গেলে ওই ট্রাকটি সানজিদার পায়ের উপর দিয়ে
চলে যায়। পরে পথচারীরা ওকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here