রাজন হত্যা মামলার রায় ৮ নভেম্বর

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 243

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (243, 'post_views_count', '0')

0

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট : সিলেটে বহুল আলোচিত শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার রায় আগামী ৮ নভেম্বর ঘোষিত হবে।

Advertisement

 

মঙ্গলবার সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা রায় ষোষণার এই তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

 

সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মফুর আলী জানান, আদালতে আজ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরে বিচারক রায় ঘোষণার জন্য ৮ নভেম্বর তারিখ ধার্য করেছেন।

 

এর আগে গত রোববার রাজন হত্যা মামলায় আসামি যাচাই-বাছাই শেষ হয় এবং যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। সোমবারও চলে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন। আজ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন।

 

এদিকে আজ আদালতে রাজন হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত ১১ আসামিকে হাজির করা হয় বলেও জানিয়েছেন মফুর আলী।

 

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর রাজন হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। ওই দিন বিকেলে সৌদি থেকে প্রধান আসামি কামরুল ইসলামকে দেশে ফেরানোর পর গত ১৮ অক্টোবর তাকে প্রথমবারের মতো আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে কামরুল সাক্ষীদের পুনঃসাক্ষ্য গ্রহণের আবেদন জানায়। তবে আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা ওই দিন তার আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরে গত ২০ অক্টোবর ফের কামরুলের আইনজীবী আদালতে ১৫ সাক্ষীর পুনঃসাক্ষ্য গ্রহণের আবেদন জানান। বিচারক ১১ সাক্ষীর পুনঃসাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দেন। ২১ অক্টোবর আদালত ১১ সাক্ষীর পুনঃসাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

 

গত ১ অক্টোবর থেকে শুরু হয় রাজন হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের কাজ। এরপর ৪, ৭, ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ ও ১৮ অক্টোবর মোট ৩৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। গত ২২ সেপ্টেম্বর ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে রাজন হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

 

প্রসঙ্গত, গত ১৬ আগস্ট রাজন হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সুরঞ্জিত তালুকদার ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালত ২৪ আগস্ট, সোমবার চার্জশিট আমলে নেন। পরদিন ২৫ আগস্ট পলাতক কামরুল ও শামীমের মালামাল ক্রোক করে নগরীর জালালাবাদ থানা পুলিশ। গত ৩১ আগস্ট রাজন হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি পলাতক কামরুল ইসলাম, তার ভাই শামীম আহমদ ও আরেক হোতা পাভেলকে পলাতক দেখিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।

 

গত ৭ সেপ্টেম্বর রাজন হত্যা মামলা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে হস্তান্তর করা হয়। গত ১৫ অক্টোবর রাজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি সৌদিতে পলাতক কামরুল ইসলামকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

 

গত ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে সামিউল আলম রাজনকে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়।

 

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here