রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় বাতিল করতে হবে

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 28174

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (28174, 'post_views_count', '0')

0

২১ আগস্টের গ্রেনেড বোমা হামলা নিয়ে শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আচরণ, বক্তব্য ও মন্তব্য সামঞ্জস্যহীন ও রহস্যাবৃত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

Advertisement

তিনি বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতা ও নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী কাহার আকন্দকে বাদ দিয়ে নিরপেক্ষভাবে পুনঃতদন্ত করে পুনরায় বিচার কার্যক্রম শুরুর জোর দাবি জানাচ্ছি। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, সত্য ঘটনাকে মিথ্যা হিসেবে অভিহিত করা আর মিথ্যাকে সত্য বলা আওয়ামী লীগের আদর্শিক চেতনা। জনগণকে তারা এতটাই অপাংক্তেয় মনে করে যে, তাদের ধোঁকাবাজি জনগণ টের পাবে না। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের সময় বাংলাদেশ পুলিশি রাষ্ট্র ছিল না। অবারিত ছিল গণতন্ত্র। ফলে রাজধানীতে জনসভার জন্য সিটি কর্পোরেশনের নিকট থেকে অনুমতি গ্রহণের পর নিয়ম ছিল মাইক ব্যবহারের অনুমতি নিতে হতো পুলিশের থেকে। রিজভী বলেন, ২১শে আগস্টে মুক্তাঙ্গণে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী লীগ ৩ দিন ধরে প্রচার-প্রচারণা চালালো। আর সমাবেশের দিন হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদল করে কেন দলীয় অফিসের সামনে গেল? এতে কারো বুঝতে বাকি থাকে না যে, এর মধ্যে কোনো দুরভিসন্ধি কাজ করেছে। পুলিশ যখন দেখলো তাদের না জানিয়ে সমাবেশ করছে তখন মতিঝিল থানার ওসি নিয়মমাফিক একটি জিডি করে। অল্প সময় হাতে পেলেও অনুযায়ী পুলিশ সেখানে যায়। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি বিবেচনায় আনা হয়নি। অথচ ফরমায়েশি রায় চাপিয়ে দেওয়া হলো। ২১ শে আগস্টের তদন্ত নিয়ে রিজভী বলেন, মূল চার্জশিট দাখিলকারী কর্মকর্তা এএসপি ফজলুল কবিরের কাছে গত ২০০৭ সালের ২২ নভেম্বর জবানবন্দি প্রদানকালে সমাবেশে পুলিশের অনুমতি না দেওয়ার কথা বলেন। অথচ সমাবেশে পুলিশের অনুমতি প্রদান না করার বিষয়টি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৪ সালের ২০ আগস্ট  হতে ২০০৭ সালের ২২ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় সোয়া তিন বছর সময়কালে কখনোই কোনো সভা-সমিতি-সাক্ষাৎকার-আলোচনা-বিজ্ঞপ্তি-প্রচারণা ইত্যাদি কোথাও তিনি উল্লেখ করেননি। অথচ  সমাবেশের আগের দিন বিকেলে তিনি মহানগরের বেরাইদ স্কুল মাঠে এক জনসভায় দীর্ঘ বক্তৃতা করেন। সেই বক্তৃতায়ও তিনি অনুমতি না প্রদানের বিষয়ে কোনো কথা বলেননি। একটিবারের জন্যও বলেননি যে, পুলিশি অনুমতি না পাওয়ার কারণে তাকে মুক্তাঙ্গনে সভা না করে এখানে করতে হচ্ছে। বিএনপির এ মুখপাত্র বলেন, ২১ আগস্টের মর্মান্তিক ঘটনার পরবর্তী সন্ধ্যায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা বিবিসিকে সাক্ষাৎকার দেন। সেই সাক্ষাৎকারেও তিনি এমন অনুমতি না প্রদানের বিষয়ে কোনো শব্দই উচ্চারণ করেননি। বরং গত ২০১২ সালের ২০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একুশে টিভিতে প্রচারিত এক বক্তব্যে বলেছিলেন, ২০০৪ সালের ২০ আগস্ট রাতে পুলিশ ওই দিনের মিটিংয়ের অনুমতি দিয়েছিল। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, সহ-দফতর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন প্রমুখ।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here