মাদ্রাসা ছাত্রের মস্তক বিহীন গলাকাটা লাশ উদ্ধার

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 39801

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (39801, 'post_views_count', '0')

0

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় আবির হুসাইন নামে এক মাদরাসা ছাত্রের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাতে এশার নামায পড়ে আর মাদ্রসায় ফিরেনি আবির।রাতভর সম্ভাব্য সব স্থানে খুঁজেও তার সন্দান মিলেনি।

Advertisement

 বুধবার (২৪ জুলাই) সকাল বেলা আলমডাঙ্গা উপজেলার কয়রাডাঙ্গা গ্রামের একটি আম বাগানের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আবির হুসাইন ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার খালিসপুর গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে এবং কয়রাডাঙ্গা নুরানী হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি আবু হানিফ জানান, আবির হুসাইন দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসাতে অধ্যয়নরত ছিল। গত মঙ্গলবার এশার নামাযের কিছুক্ষণ আগ থেকে সে নিখোঁজ হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গ্রামের বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও আমরা তার সন্ধান পাইনি। এরপর সকালে গ্রামবাসী মাদরাসার অদূরে জনৈক ব্যক্তির আমবাগানের ভেতরে আবিরের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে সকাল ৮ টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ ও আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান মুন্সি। আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ নিহত ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করতে গেলে উত্তেজিত হয়ে ওঠে গ্রামবাসী। তারা মাদরাসা ছাত্র আবিরের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে গ্রামবাসীকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। আশ্বাস দেয়া হয় ঘাতকের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এদিকে, চুয়াডাঙ্গার কয়রাডাঙ্গা গ্রামে মাদরাসা ছাত্রের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধারের পর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মাদারাসা থেকে ছাত্রদের তাদের অভিভাবকরা নিজ নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার জানান, মাদারাসা ছাত্রের হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি আমরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। ঘটনার নেপথ্যে কি আছে সেটি অনুসন্ধানে আমাদের বেশ কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে। খুব শীঘ্রই আমরা প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে পারবো।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here