মন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে, এস এম পবিএ আল এবাদত শাহ আলমের প্রতারনা

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 33658

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (33658, 'post_views_count', '0')

0

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর সচিবালয়ের সামনে মন্ত্রীদের স্বাক্ষর নকল করে বিভিন্ন জনগনের সুপারিশপএ নকল করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই প্রতারক শাহ আলম।সচিবালয়ের সামনের ৪৪ টয়েনবি সার্কুলার রোড বাটা গ্রোপের চেয়ারম্যান পরিচয়ে অফিস নিয়ে প্রতিদিন দুরদুরান্ত থেকে আসা মানুষদের আবেদন পএে মন্ত্রীর সুপারিশ এনে দেয়ার নামে এই টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি।

Advertisement

 

জানা গেছে শাহ আলমের প্রতারনায় অফিস বাটা গ্রোপ।এই অফিসে বসেই চলেছে তার প্রতারনা।দেশে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন সচিবালয়ে আসে সেবা পাওয়ার জন্য।কেউ চাকুরীর জন্য,কেউ টেন্ডার কাজের জন্য আবার কেউবা তাদের কর্মক্ষেএের সুবিধা অসুবিধা নিরসনের জন্য।এদের বেশীর ভাগ লোকেরই তাদের আবেদন পএে কোন মন্ত্রী এমপির সুপারিশ গ্রহনে প্রয়োজন পরে।অনেক সময় সাধারন জনগনের মন্ত্রী এমপির সুপারিশ গ্রহনে সরাসরি সংযোগ থাকেনা।আর এই সুযোগটিই কাজে লাগায় শাহ আলম।এক একটি সুপারিশ এনে দেওয়ার জন্য মক্কেলের নিকট নুন্যতম ৩০ হাজার থেকে লক্ষ টাকার ওপরে পর্যন্ত চুক্তি করে শাহ আলম।চুক্তি অনুসারে শাহ আলম ঔ লোকের আবেদন পএ নিয়ে নিজের বানানো স্টাম্প সিল ব্যবহার করে তাতে মন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে মক্কেলকে প্রদান করে।সুপারিশ পএটি ভূয়া হওয়ায় মক্কেলের কোনো কাজে লাগে নি। ভুক্তভুগি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি উপজেলার ৫৪ নং বেতডোবা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শিউলী আক্তার জানান,সে বিশেষ বিবেচনায় শূন্য পদে বদলী হওয়ার জন্য প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মহোদয়ের সচিব বরাবরে করেন।একজন মন্ত্রীর সুপারিশ প্রয়োজন হওয়া দালালের মাধ্যমে শাহআলমের সাথে পরিচয় ঘটে।শাহ আলম এিশ হাজার টাকার বিনিময়ে মন্ত্রীর সুপারিশ এনে দিতে পারবে বলে রাজি হয়।চুক্তি অনুসারে টাকা নেয় এবং তিন দিন সময় বেধে দেয়।তিন দিন পরে শিওলি আসলে সাবেক অর্থ মন্ত্রনালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এমপির সুপারিশ সংবলিত সুপারিশ পএ ফেরত দেয়।যা ছিল পুরোটাই মিথ্যা ও বানোয়াট।ঐ সুপারিশ শিওলির কোনো কাজে আসে নাই। এক ই ভাবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টে অফিস সহকারী কাম কম্পিওটার অপারেটর পদে চাকুরির নিয়োগ পএে সুপারিশের জন্য দিনাজপুরের রহিম মোল্লার কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।এখানেও সেই প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের স্বাক্ষর ও সিল জালিয়াতি করে।শরিয়তপুরের আরিফ শেখকে ২০১৮/২০১৯ অর্থ বছরের গ্রামিন অবকাঠামো রক্ষনা বেক্ষন বিষেশ কর্মসুচীর আওতায় প্রকল্প বাস্তবায়নে আবেদন প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্ননের স্বাক্ষর ও সিল করে সুপারিশ বানিয়ে দিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।যা মন্ত্রীর অজানা।পিরোজপুরের দূর্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান চান মিয়ার টিয়ার প্রকল্পের বরাদ্দের আবেদন পএেও প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে সুপারিশ পএ বানিয়ে লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় আলম।ভুয়া স্বাক্ষর ও সুপারিশ চেয়ারম্যান চান মিয়ার কোনো কাজে লাগেনি।সোনারগাও উপজেলার এক মহিলাকে কু প্রস্তাব দিলে সে রাজি না হওয়ায় তাকে প্রাননাশকের হুমকি দেয় শাহ আলম।এ ঘটনায় ঐ মহিলা সোনারগা থানায় জিডি নং-১১৪৫ তারিখ ৩১/১২/২০১৮ পরবর্তীতে আরো অনুসন্ধানে জানা যায় যে হবিগন্জ জেলার একজনের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২ লক্ষ টাকা নিয়ে তালবাহানা করিতে থাকে।এবং একাদিক তারিখ পরিবর্তন করে।এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিলে ওই ব্যক্তিকে টাকা না দিয়ে তার ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্টের ওই ব্যাক্তির নামে ২ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করে।পরবর্তীতে ডাচ বাংলা ব্যাংকে চেক নিয়ে গেলে তার একাউন্টে টাকা না থাকায় চেকটি ব্যাংক কর্তৃক ডিজনার করে দেন।বর্তমানে ওই ব্যক্তি হবিগন্জ জেলার মাননীয় আদালতে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এবং তার বিরোদ্ধে আরো অনুসন্ধান বিদ্যমান

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here