ভৈরব নদীর পানির অভাবে বোরো আবাদ ব্যাহত

0

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
SELECT meta_id FROM wp_postmeta WHERE meta_key = 'post_views_count' AND post_id = 33102

WordPress database error: [Table './abichitra_db/wp_postmeta' is marked as crashed and should be repaired]
INSERT INTO `wp_postmeta` (`post_id`, `meta_key`, `meta_value`) VALUES (33102, 'post_views_count', '0')

0

রূপসা প্রতিনিধি, খুলনা: এক কালের খরস্রোত ভৈরব নদী এখন পানির অভাবে শুকিয়ে দিগন্ত বিস্তৃত খোলা মাঠে পরিনত হয়েছে। ফলে চলতি ইরি মৌসুমে খুুলনার রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ও আইচগাতী ইউনিয়নের চাষিরা পানির অভাবে সেচ দিতে পারছেন না। যার কারনে কয়েক হাজার একর জমিতে সেচ সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

Advertisement

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার এক সময়ের খরস্রোত ভৈরব নদীর গতিপথটি শুকিয়ে গেছে। দীর্ঘ দিন যাবত নদীটি খনন না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। একই সাথে নেমে গেছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর। নদীতে পানি না থাকায় সংকটে পড়েছেন চাষিরা। চলতি ইরি মৌসুমে পানির অভাবে দুই ইউনিয়নের নদীর দুই পাড়ের কৃষকেরা জমিতে সেচ দিতে পারছেন না। এই উপজেলার চাষীরা একমাত্র ইরি ধান আবাদ করে সারা বছরের জীবিকা নির্বাহ করেন। অনেক দারিদ্র্য কৃষক ব্যাংক কিংবা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে ও ধারদেনা করে বছরের একমাত্র ফসলের আবাদ করেন। এবার সেচের পানির অভাবে সম্ভাব্য ফসলহানির আশঙ্কা মাথায় রেখে পরিবারের ভরণ পোষণ ও ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় তাদের দিন কাটচ্ছে। স্থানীয় কৃষক লোকমান আলি জানান, কিছুদিন আগে রোপণ করা ধানের চারাগুলো বেড়ে উঠছে। এখন জমিতে সেচ দেওয়া দরকার। কিন্তু নদী মরে পানি না থাকায় তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ ব্যাপারে রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে খনন না করায় নদীটি শুকিয়ে গেছে। ফলে এবার এলাকার কৃষকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। নদীগুলো খননের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান তিনি।

Advertisement

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here